• বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১১ ১৪৩১

  • || ১৫ শাওয়াল ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী আজ থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরালো হয়েছে ঢাকা ও দোহার মধ্যে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাতারের বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতার আমিরের বৈঠক ঢাকা সফরে কাতারের আমির, হতে পারে ১১ চুক্তি-সমঝোতা জলবায়ু ইস্যুতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন মন্ত্রী-এমপিদের প্রভাব না খাটানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দলের নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায় শেখ হাসিনা মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

কবজি ব্যথায় আছে আধুনিক চিকিৎসা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০১৯  

কবজি ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলেও এর তীব্র ব্যথায় অনেকে কাতর হয়ে পড়েন। এ ব্যথাটি সাধারণত বৃদ্ধাঙ্গুলের দিক থেকে শুরু হয়। কবজি ব্যথার আরো কিছু নাম আছে, যেমন—Washer woman’s sprain, mother’s wrist ইত্যাদি। ১৮৯৫ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্জন ফ্রিটস ডি কোরভাইন প্রথম এই রোগটি শনাক্ত করেন বলে তাঁর নামানুসারে এই রোগের নামকরণ করা হয় ‘ডি কোরভাইন ডিজিজ’।

যাঁদের হয়
হঠাৎ করে যে কারোর কবজি ব্যথা শুরু হতে পারে। তবে ক্রীড়াবিদদের কবজিতে ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষ করে যাঁরা নিয়মিত বোলিং, গলফ, জিমন্যাস্টিকস, স্নোবোর্ডিং ও টেনিস খেলে থাকেন, তাঁদের এ ঝুঁকি বেশি থাকে। আবার একনাগাড়ে হাত ও কবজির দ্বারা কাজ করার ফলে কবজিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে ও ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। যেমন—চুল কাটা ও সেলাইয়ের কাজ। এ ছাড়া স্থূলতা, বাতজ্বর, গেঁটেবাত ও গর্ভধারণের কারণে কবজিতে ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

লক্ষণ
কবজিতে ব্যথা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবে হাত নাড়াতে অসুবিধা হয়। বিশেষ করে অ্যাথলেট, খেলোয়াড় ও ওয়েট লিফটারদের কবজিতে অধিক চাপ পড়ে। যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় তা হলো :

►   হাতের কবজি ব্যথা করা

►   বৃদ্ধাঙ্গুলের দিকে কবজি কিছুটা ফুলে যেতে পারে

►   চাপ দিলে বা ধরলে ব্যথা বাড়ে

►   হাত মুঠি করলে ব্যথা বাড়ে

►   পানির গ্লাস, চায়ের কাপ তোলাও কষ্টকর হয়।

কারণ
নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই কবজিতে ব্যথা হতে পারে। অনেকে ধারণা করেন, কবজির হঠাৎ অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে ব্যথার শুরু হতে পারে। তবে এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। কর্মক্ষেত্রে এ ব্যথার উৎপত্তি অনেকে বলে থাকলেও এ কথাটি এখনো বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়। কবজি ব্যথা পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। গর্ভধারণের আগে ও পরে বেশি লক্ষণ প্রকাশ পায়। এ ছাড়া হরমোনাল পরিবর্তন, শরীরের ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস ইত্যাদি কারণেও কবজি ব্যথা হতে পারে।

পরীক্ষা
সাধারণত লক্ষণ দেখেই রোগটি নির্ণয় করা যায়। সামনাসামনি Finkelstein’s পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ অনেকটা নিশ্চিত হওয়া যায়। এই পরীক্ষায় রোগীর বৃদ্ধাঙ্গুল ধরে পুরো হাতটি ভেতরের দিকে মোড়াতে বললে রোগী কবজিতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে। এ ছাড়া অন্য কোনো সমস্যার কারণে এ ব্যথা হয়েছে কি না তা জানতে কবজির এক্স-রের পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়।

চিকিৎসা
►   কবজি ব্যথার প্রথম দিকে ব্যথার ওষুধ দেওয়া হয়। এতে কিছুটা ব্যথা উপশম হয়।

►  ব্যথার ওষুধের পাশাপাশি রোগীর আক্রান্ত কবজিতে কিছুদিন স্প্লিন্ট ব্যবহার করে হালকা কুসুম গরম পানির ছেঁক দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

►   ব্যথা উপশম না হলে ফোলা জায়গায় স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া যেতে পারে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ রোগী এই স্টেরয়েড ইনজেকশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত হয়। তবে কোনো অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জন কর্তৃক এই ইনজেশনটি সঠিকভাবে শুধু আক্রান্ত synrovial sheath-এ দিতে হয়।

►   উপরোক্ত সব চিকিৎসাপদ্ধতি প্রয়োগের পরও কবজির ব্যথার উপশম না হলে সর্বশেষ চিকিৎসা হিসেবে অপারেশন করা যেতে পারে। এই অপারেশনে synrovial sheath-টিকে কেটে দেওয়া হয়। এতে সুস্থ হওয়ার হার শতভাগ। শুধু লোকাল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে এই অপারেশন করা যায় বলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় না। 

বরগুনার আলো