• সোমবার   ১৪ জুন ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪২৮

  • || ০৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
করোনায় কোনো রকম রিস্ক না নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী এয়ার মার্শাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরলেন নতুন বিমানবাহিনী প্রধান স্কুল-কলেজে ছুটি আবার বাড়ল গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস ১১ জুন মডেল মসজিদের মাধ্যমে ইসলামের মর্মবাণী বুঝবে মানুষ ইসলাম আমাদের মানবতার শিক্ষা দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী খুন করে কি বেহেশতে যাওয়া যায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন ‘লেবাস নয়, ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাস করি’ একযোগে ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী করোনা থেকে রক্ষা পেতে সকল রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে দক্ষিণাঞ্চলে বেশি করে সাইলো নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী গাইলেন, ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই...’ ৬৬৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন ৬ দফার মাধ্যমেই বাঙালির স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস আজ ছয় দফার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনে স্বাধীনতার রূপরেখা রচিত হয় দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৭৬ বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফাঃ শেখ হাসিনা প্রত্যেককে তিনটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাম-আমড়া-সোনালু ও ডুমুরের চারা রোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

অভিমান আর অপমানবোধ থেকেই নিষ্ক্রিয় বিএনপির সিনিয়ররা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২১  

জীবনের পড়ন্ত বিকেলে এসেও স্থায়ী কমিটির সদস্য হতে না পারায় বিএনপিতে নিষ্ক্রিয় থাকার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অন্তত ডজন খানেক সিনিয়র নেতা। অভিমান আর অপমানবোধ থেকেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে গুঞ্জন চাউর হচ্ছে বিএনপির রাজনীতিতে।

সামান্য বিতর্কের কারণে স্থায়ী কমিটিতে জায়গা না পাওয়ায় শাহ মোয়াজ্জেম, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদিন ফারুকের মতো সিনিয়র নেতারা চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। 

তাদের দাবি, জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতাকে মূল্যায়ন না করে স্বজনপ্রীতি ও অর্থের কাছে পরাস্ত হয়ে সেলিমা রহমান ও ইকবাল মাহমুদ টুকু’র মতো রাজপথ বিমুখ নেতাকে স্থায়ী কমিটির সদস্যের পদ দিয়েছেন তারেক রহমান।

জানতে চাইলে বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরের এক ঘনিষ্ঠ স্বজন বলেন, বিগত বিএনপির শাসনামলে ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। স্থায়ী কমিটির পদ পেতে তার যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে কোনো ব্যক্তির প্রশ্ন থাকার কথা নয়। অথচ তাকে দেয়া হলো না স্থায়ী কমিটির পদ। এর চেয়ে বড় অপমান তার জন্য আর কি হতে পারে? আত্মীয়-স্বজনদের কাছে তিনি এখন মুখ দেখাতে পারছেন না। 

তিনি আরো বলেন, শাহজাহান ওমরের কথা বাদই দিলাম। কিন্তু মোয়াজ্জেম-নোমানরা কি করেছেন, যে তাদের স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলো না?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির আরেক অভিমানী নেতা বলেন, রাজনীতি করতে গেলে ভুল-ত্রুটি হয়ে যায়। সেটির জন্য তো সারাজীবন খোটা দেয়ার মানে হয় না। ক্ষমতায় থাকাকালীন কিছু ভুল ছিল আমাদের, সেটার প্রায়শ্চিত্ত তো দিচ্ছি এক যুগ ধরে। এসময় যদি দলেও অবমূল্যায়িত হই, তাহলে তো রাজনীতি করার কোন মানে হয় না। 

তিনি বলেন, স্থায়ী কমিটির পদ বিতরণের বিষয়টি অনেকটা মনোপলির মতো। এখানে তারেক রহমান সর্বেসর্বা। তার ইচ্ছার বাইরে কারো কোন তদবিরে কাজ হবে না। কিন্তু অনেক সিনিয়র ও ডেডিকেটেড নেতা থাকার পরও সেলিমা-টুকু কিভাবে স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন, সেটি অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। যথাযথ মূল্যায়িত না হলে মন তো খারাপ হবেই। আর এসব কারণেই বিএনপি'র রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় নেতাদের তালিকা দিন দিন ভারী হচ্ছে।

বরগুনার আলো