মঙ্গলবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৬ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
টাকা না থাকলে এত উন্নয়ন কাজ করছি কীভাবে : প্রধানমন্ত্রী সব ব্যথা চেপে রেখে দেশের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী ট্রেনে খোলা খাবার বিক্রি ও প্লাস্টিকের কাপ নিষিদ্ধ হচ্ছে মজুদ গ্যাসে চলবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত : খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গুজব-অপপ্রচার রোধে কাজ করছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি : তথ্যমন্ত্রী সব কারখানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ আজ বাংলাদেশ-নেপাল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সরকার-জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সাংসদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে : নাসিম ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়ন নজরদারিতে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০০ মেট্রিক টন মধু রফতানির অর্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ : কৃষিমন্ত্রী নয় বছরে সাড়ে ৯৭ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দেশে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের মাত্রা ক্ষতিকর নয় : বিটিআরসি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন
১০১

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে নিয়ে পালালেন শিক্ষিকা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২০  

‘পিরিতে মজিলে মন কিবা হাড়ি কিবা ডোম। প্রেম মানে না জাত, কুল, বয়স’। কিশোর সাহিল প্রেমে পড়েছিল স্কুল শিক্ষিকা অনিতার। আর সেই প্রেমের জোয়ারে হারিয়ে গেছে অসম বয়সী ওরা দু’জন। বাস্তব জীবনে শিক্ষিকা-ছাত্রের সেই পরিণয়কে পরিণতি দিতে মরিয়া কপোত-কপোতি।

গত এক বছর ধরেই তাদের সম্পর্ক। শিক্ষাঙ্গনে অসম বয়সী এই প্রেমে অস্বস্তিতে পড়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। তরুণী শিক্ষিকাকে ডেকে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো নিষেধাজ্ঞাই থামাতে পারেনি প্রেমকে। পরিবার ও স্কুলে বাধা পেয়ে তাই ১৪ বছরের ‘প্রেমিক’কে সঙ্গে নিয়ে পালালেন ২৬ বছরের শিক্ষিকা।

ঘটনাটি গুজরাটের গান্ধীনগরের। ওই স্কুল-শিক্ষিকার বিরুদ্ধে গান্ধীনগর থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন নিখোঁজ ছাত্রর বাবা। ওই ছাত্রের বাবা এফআইআরে জানিয়েছেন, তার ১৪ বছরের ছেলেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গেছে ওই শিক্ষিকা। শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে খোঁজ মিলছে না তার ছেলের।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বছর খানেক ধরেই নিখোঁজ ছাত্রের সঙ্গে একটু বেশিই ঘনিষ্ঠ ছিলেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা। এই কারণে সম্প্রতি স্কুল কর্তৃপক্ষও তাদের ভর্ৎসনা করে।

ছেলেটির বাবার অভিযোগ, ‘এই সম্পর্ক যেহেতু মেনে নেওয়া হয়নি, তাই তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে’। কিশোর ছাত্রকে নিয়ে শিক্ষিকার পালানোর ঘটনা বিরল হওয়ায় অবাক স্কুলের শিক্ষক মহল থেকে ছাত্রছাত্রী ও পরিজনরাও। অভিযুক্ত শিক্ষিকা কলোল শহরের দরবারি চাওয়ালের বাসিন্দা।

কিশোরের বাবার দাবি, সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন তার ছেলে বাড়িতে নেই।

স্ত্রী জানান, বিকেল ৪টার দিকে ছেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। পাড়া ও আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফোন করেও খোঁজ মেলেনি। ওই শিক্ষিকাও তার বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান।

ইন্সপেক্টর কে কে দেশাই জানিয়েছেন, দু’জনের কেউই মোবাইল ফোন নিয়ে যাননি। তাই তাদের খুঁজে বের করতে সময় লাগবে।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর