• শনিবার   ১১ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৬ ১৪২৭

  • || ২০ জ্বিলকদ ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনায় চক্রের দুই সদস্য কারাগারে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৩০৭ এইচএসসিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু শিগগিরই: শিক্ষামন্ত্রী করোনায় মৃত প্রবাসীর পরিবার পাবে ৩ লাখ টাকা করে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪৮৯ করোনা শনাক্তে প্রতারণায় কঠোর অবস্থানে সরকার : ওবায়দুল কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩০২৭ চলে গেলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর করোনায় আরও ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২০১ ভিসার মেয়াদ বাড়ালো সৌদি আরব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ২৭৩৮, মৃত্যু ৫৫ কাউকেই ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে না: বিদ্যুৎ সচিব আজ থেকে অধস্তন আদালতে আত্মসমর্পণ করা যাবে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৯ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২৮৮ বেতন-ভাতা পরিশোধে মালিকরা সহমর্মিতার নজির দেখাবেন : কাদের পাটকল শ্রমিকরা দুই ধাপে সব পাওনা পাবে: পাটমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৪০১৯, মৃত্যু ৩৮ চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে কঠোর ব্যবস্থা : খাদ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৩৭৭৫, মৃত্যু ৪১ যত্রতত্র পশুরহাটের অনুমতি দেওয়া যাবে না- ওবায়দুল কাদের
১৪

আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল জিয়ার শাসনামল

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩০ মে ২০২০  

জিয়াউর রহমানের শাসনামল আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল। বিভিন্ন পন্থায় তিনি তরুণদের দুর্বৃত্তায়নের দিকে ধাবিত করেন বলে উল্লেখ করেছেন পাকিস্তানের সাংবাদিক ও লেখক অ্যান্টনি মাসকারেনহাস। “ বাংলাদেশ : এ লিগেসি অব ব্লাড” বইয়ে জিয়ার শাসনামলকে অমানিসার সরকার বলেও উল্লেখ করেছেন অ্যান্থনি।

প্রেসিডেন্ট জিয়া রাষ্ট্রীয় টাকার বিপুল অপচয় ঘটিয়ে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে নানা কৌশলে দুর্বৃত্তায়নের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আমলে যেখানে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হতো মূল বাজেট বরাদ্দের ১৩ শতাংশ, সেখানে ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়ার আমলে তা দাঁড়ায় ২৯ শতাংশ বলেও উল্লেখ করেছেন এ্যান্থনি।

জিয়া দেশের যুবকদের দুর্নীতিগ্রস্ত করতে যুব কমপ্লেক্সের নামে দেশজুড়ে উন্মুক্ত-চাঁদাবাজির প্রচলন করেন। মাত্র তিন বছরে বাংলাদেশে ৩ হাজার ৬৭০টি যুব কমপ্লেক্স করা হয়। এই যুব কমপ্লেক্সের আয়ের উৎস ছিল দেশের হাট-বাজার ও মেলা থেকে আদায়কৃত টাকা।

১৯৭৯-৮০, ১৯৮০-৮১ এই দুই অর্থবছরে বাজার ও মেলা থেকে আয় হয়েছিল ১২ কোটি ৭৪ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা। এসব টাকা গেছে যুব কমপ্লেক্সের অন্তর্ভুক্ত সমবায় সমিতির পান্ডাদের পকেটে, জিয়া চোখ বন্ধ করে ছিলেন, কারণ তারাই তার রাজনৈতিক সমর্থক বলে উল্লেখ করেন অ্যান্টনি।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের যেসব সম্পত্তি জাতীয়করণ করেছিলেন, তা জিয়া তাদের ফিরিয়ে দেন। যাদের ফিরিয়ে দিতে পারেন নি তাদের ক্ষতিপূরণ দেন। জিয়া মদ, জুয়া ও পতিতাবৃত্তির লাইসেন্স প্রদান করে সমাজ নষ্টের বিষবৃক্ষ রোপণ করেন। তখনকার প্রজন্মকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে তুলেছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া।

গ্রাম্য যুবকদের একাংশ তিনি হাট-বাজারের ইজারার অধিকার দিয়ে দলীয় ক্যাডারে পরিণত করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রদের নষ্ট রাজনীতির পঙ্কিল পথে টেনে আনেন। এসব মেধাবী ছাত্ররা লেখাপড়া ভুলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজি, তদবিরবাজি, হলের সিট ভাড়া ইত্যাদি বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয় বলেও উল্লেখ করেন অ্যান্থনি মাসকারেনহাস ।

বরগুনার আলো
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর