• বৃহস্পতিবার   ১৩ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭

  • || ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
দুদকের ‘ভুয়া কমিশনার’ গ্রেফতার মৃত্যুহার কম হওয়াতেই করোনা ব্রিফিং বন্ধ হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাবরিনা-আরিফসহ ৮ আসামির জামিন নামঞ্জুর করোনায় আরও ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯৯৫ দেশে একদিনে ৩৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ২৯৯৬ করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯০৭ পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৮৭ দলীয় পরিচয় কোনো অপরাধীকে রক্ষা করতে পারেনি: কাদের লাইসেন্স নবায়ন না করলেই বেসরকারি হাসপাতাল বন্ধ দেশে করোনায় আরও ৩২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬১১ কাল অনলাইনে শুরু একাদশের ভর্তি, যেভাবে আবেদন করবেন সুযোগ আছে, করোনা সংকটেও বিনিয়োগ আনতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের ফোন করোনায় আরও ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৫৪ কামাল বেঁচে থাকলে সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারতো: শেখ হাসিনা সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৫০ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯১৮ করোনায় আরও ৪৮ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯৫ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অসচ্ছল গর্ভবতী নারীরা পাবে চার হাজার টাকা
৩৮

আপাতানিদের অবাক করা নাক

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২০  

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের জিরো উপত্যকায় ৩৭ হাজারের বেশি আপাতানির বসবাস। তাদের রয়েছে নিজস্ব জীবনযাত্রা, ভূমি ব্যবস্থাপনা। বাস্তুসংস্থান আর প্রকৃতি রক্ষায় রয়েছে গভীর জ্ঞান।

উপরের ছবির ওই নারীর নাম টাডু রেলুং। জিরো উপত্যকার সবচেয়ে প্রবীণ নারী তিনি। মুখে ট্যাটু আর নাকের ঐতিহ্যবাহী এই প্লাগের জন্য সারাবিশ্বই আলাদা করে চেনে এই উপজাতিটিকে। এই প্লাগটির নাম ইয়াপিং হুলো। এটি তৈরি হয় গাছের কাঠ থেকে। ১৯৭০ এর দশক থেকে নাকে এমন প্লাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। বয়স্ক নারীদেরই এখনও ইয়াপিং হুলো পরতে দেখা যায়।

কেন এই প্লাগ পরতেন সেখানকার নারীরা? কারো মতে সৌন্দর্যের জন্য, কারো মতে প্রতিদ্বন্দ্বী উপজাতিদের হাত থেকে নিজেদের নারীদের রক্ষা করতে এর প্রচলন শুরু। কারণ যা-ই হোক, ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য থেকে সরে আসছেন আপাতানি নারীরা। সেখানকার নতুন আকর্ষণ এখন কিউই ফলের ওয়াইন।

অরুণাচলের অধিবাসীরা কিউইর চাষ বলতে গেলে ছেড়েই দিয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বদলে দিয়েছেন তাখে রিতা। কৃষি প্রকৌশলীর এই ছাত্রী ২০১৬ সালে নিজের গ্রামে মদের কারখানায় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। এক বছর পর তিনি নিজের বাগান আর রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা কিউই থেকে নতুন মদ তৈরি করেন।

মদ তৈরির গাজন প্রক্রিয়াটি বেশ সময় সাপেক্ষ৷ যার জন্য সাত থেকে আট মাস অপেক্ষা করতে হয়। তবে শুধু অরুণাচল নয় এই মদ পাওয়া যায় পার্শ্ববর্তী আসাম আর মেঘালয় রাজ্যেও। ভারতের বাইরেও পানীয়টি রপ্তানির পরিকল্পনা চলছে। রিতা এরিমধ্যে স্থানীয় কৃষকদর কিউই উৎপাদনে ও চাষে সহযোগিতা করছেন। দিচ্ছেন ফলটি বিক্রির নিশ্চয়তাও।

টিলিং চাদা এবং টিলিং ইয়ানেং বহু বছর ধরে কিউই চাষের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু কিউই মদ এখন তাদেরকে জীবনধারণের জন্য আয়ের নতুন উৎসের সন্ধান দিচ্ছে। তাদের মতে, কিউই উৎপাদন করা নিজের সন্তান লালনের মতো। তিন বছর ভালবাসা আর যত্নে বড় করতে হবে তাদের। তারপরই প্রথম ফলন মিলবে।

মদ উৎপাদনের কারণে জিরো উপত্যকার কিউই চাষীরা আবারো ফিরেছেন তাদের পুরনো পেশাতে। এখানকার উজ্জল সূর্যালোকে কোন ধরনের রাসায়নিক ছাড়াই ফলটি হয়। জিরো উপত্যকার পাহাড়ের ঢালে কিউই বাগানের দেখা মিলবে।

সূত্র: ডয়চেভেলে
 

বরগুনার আলো
ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর