বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
শাহজালালে পৌঁছেছে পাকিস্তানের ৮২ টন পেঁয়াজ ক্রিকেটের সঙ্গে টেনিসও এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : চার্জ গঠন ২৮ নভেম্বর চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী র‌্যাব-৮ এর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৭ ডিসেম্বর বিচারবিভাগীয় সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে বৃত্তি পাচ্ছেন ১৪১৭ শিক্ষার্থী কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি: পলক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাক মালিকদের ফের বৈঠক আজ চক্রান্তকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: ওবায়দুল কাদের দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী লবণের দাম বাড়ালে জেল-জরিমানা : বাণিজ্যমন্ত্রী লবণ নিয়ে গুজবে কান দিবেন না: শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের মধ্যে ১০০০ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেবে সরকার পদ্মাসেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান সেনা কল্যাণ সংস্থার চারটি স্থাপনা উদ্বোধন মালিতে জঙ্গি হামলায় ২৪ সেনা নিহত কন্যা সন্তানের জনক হলেন তামিম কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা আজ
৫৮

আমতলীর ইউএনওকে ফোন, আপনার বদলি ঠেকিয়েছি টাকা দেন

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীনের কাছে মোবাইল ফোনে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দেওয়া সোহেল রানা নামের ব্যক্তি। ওই ব্যক্তির দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনওকে বদলির আদেশ দিয়েছেন আর তিনি তা ঠেকিয়ে দিয়েছেন। 

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে থাকাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীনের কাছে দুপুর সোয়া ১২ টার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দিয়ে সোহেল রানা নামে একজন ফোন করেন। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনওকে বদলির আদেশ দিয়েছেন। ওই বদলির আদেশ তিনি ঠেকিয়ে দিয়েছেন। বদলি ঠেকানোর কারণে তিনি ইউএনওর কাছে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১০ টাকা দাবি করেন। 

এ ঘটনার তিন মিনিট পরে ওই এপিএস ইউএনওর কাছে একটি বিকাশ নম্বর দেন। ওই সময়ে আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ইউএনওর কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। 

ইউএনওর মুঠোফোনটি ওসি (তদন্ত) কাছে দিলে তিনি ওই কথিত এপিএস সোহেল রানার সঙ্গে কথা বলার কিছুক্ষণ পরে সে ফোনের লাইটি কেটে দেয়। ওই সময় থেকে তার মোবাইল এবং বিকাশ নম্বর বন্ধ রয়েছে। 

আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিন্ত্রী বলেন, আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে দেওয়া সোহেল রানার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি মুঠোফোনে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ইউএনওর কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছেন। কথিত এপিএসর মুঠোফোন নম্বর ও বিকাশ নম্বর এনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন  জানান, সোহেল রানা নামে একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দিয়ে আমাকে ফোন দেন। তারপর তিনি বলেন, ‘আপনাকে এলাকার কেউ ভালো জানে না, সকলেই অসন্তুষ্ট। তাই  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আপনাকে বদলির আদেশ দিয়েছেন। ওই বদলীর আদেশ আমি ঠেকিয়েছি এজন্য আমাকে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা দেন।’ পরে সে একটি বিকাশ নম্বর দেয়। 
মনিরা পারভীন বলেন, আমি তখনই বুজেছি এটা কোনো প্রতারক চক্র। কথিত এপিএসর মুঠোফোন নম্বর ও বিকাশ নম্বর পুলিশেকে দেওয়া হয়েছে।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ  মো. আবুল বাশার  বলেন, এ বিষয়ে আমাকে ইউএনও কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। শুধু মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে মোবাইল নম্বর দুটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর