• রোববার   ৩১ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪২৭

  • || ০৮ শাওয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলছে: রেলমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪৫ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৪০ জন বাস ভাড়া যৌক্তিক সমন্বয়, প্রজ্ঞাপন আজই: ওবায়দুল কাদের এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো না: প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে এসএসসির ফল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল ১২টার পরিবর্তে ১১টায় প্রকাশ হবে এসএসসির ফল করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৬৪ পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি. দৃশ্যমান, বসল ৩০তম স্প্যান পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান বসছে আজ একদিনে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার শনাক্ত, মৃত্যু ২৩ জনের বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ১৫৪১, মৃত্যু ২২ জীবন বাঁচাতে জীবিকাও সচল রাখতে হবে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের র‌্যাব-৮ এর অভিযানে মাদারীপুর থেকে জেএমবি’র সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ছাড়াল ৩০ হাজার মমতাকে সহমর্মিতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোন মোংলা ও পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
৫৩

আম্পানে কলকাতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮০

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২২ মে ২০২০  

সুপার সাইক্লোন আম্পানের আঘাতে কলকাতায় ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার (২১ মে) তিনি এ তথ্য জানান।

নিহতদের মধ্যে কলকাতায় ১৯ জন এবং কলকাতার বাইরের বিভিন্ন জেলায় ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার কোটি টাকাও বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।

করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক সঙ্কট চলছে রাজ্যটিতে। তাই বিপর্যয় মোকাবিলার প্রতিটি টাকা হিসাব করে খরচ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। মৃতদের পরিবারকে আড়াই লাখ টাকা করেও ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

প্রাথমিক হিসেবে, আম্পান ৪০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। সাত-আটটি জেলা খুবই ক্ষতিগ্রস্ত, আরও চার-পাঁচটি জেলা বিপর্যস্ত। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করতে প্রতিটি দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৭৩৭ সালে এমন দুর্যোগ হয়েছিল। সতর্কবার্তা পেয়ে পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছিল বলে লক্ষাধিক প্রাণ বাঁচানো গিয়েছে। দুই ২৪ পরগনা ও কলকাতায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর তীব্রতা আয়লার থেকেও অনেক বেশি।

প্রশাসন জানিয়েছে, কলকাতায় পানিতে ডুবে চারজন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। রিজেন্ট পার্কে দেওয়াল চাপা পড়ে এক মহিলা ও তাঁর ছেলে এবং কড়েয়ায় টালির চাল ভেঙে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ে উড়ে আসা টিনের চালার আঘাতে শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও, ঝড়ে আরও দু’জনের মৃত্যু সংবাদ পুলিশি সূত্রে জানা গিয়েছে। মৃতদের চার জনের পরিচয় রাত পর্যন্ত জানা যায়নি। বুধবার রাতে বাড়ি চাপা পড়ে সাঁতরাগাছিতে মৃত্যু হয় রজত পোলেন নামে এক যুবকের। এ দিন ভোরে বেলুড়ে বিকাশ সিংহ নামে এক যুবক ছেঁড়া তার সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। টিকিয়াপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় খালেদ নিশাদ নামে এক ব্যক্তির। ব্যাঁটরার সানপুরেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই যুবকের।

উত্তর শহরতলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় প্রায় ৪৫ হাজার বাড়ি কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৫ জন মৃত। ৬৫ জন আহত হয়েছেন। জেলার প্রায় সর্বত্র বিদ্যুৎ পরিষেবা বিপর্যস্ত। উপড়ে পড়েছে প্রায় ১১ হাজার গাছ।

পূর্ব মেদিনীপুরে হলদিয়া মহকুমার চার জন এবং কাঁথি মহকুমার দু’জন মারা গিয়েছেন। আহত অন্তত ১০ জন। নন্দীগ্রামের দু’টি ব্লকের হাজার ছয়েক বাসিন্দা ঘরছাড়া। জেলার ক্ষয়ক্ষতির ৪০ শতাংশ রিপোর্ট এখনও আসেনি। এগরা মহকুমাতেও প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে দু’জন মারা গিয়েছেন। দাঁতন, কেশিয়াড়ি, মোহনপুরেই ক্ষতির পরিমাণ বেশি।

৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে নদিয়ায়। আহত ৬১। প্রচুর ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। নিরাপদে সরানো হয়েছে ৩৩৬১ জনকে। মুর্শিদাবাদে হাজার পাঁচেক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ১১ হাজার বাসিন্দা। ক্ষতি হয়েছে ধান, আম, লিচু, পান, পাট, তিল, আনাজ-সহ নানা ফসলের। সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর জমির ফল এবং ১ লক্ষ ৫৮ হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

বরগুনার আলো
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর