বৃহস্পতিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬   ০৩ রজব ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত দুই আসামী গ্রেপ্তার আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
৭৯

আল্লায় দিলে আরও মাছ পামু,সাগরে অনেক মাছ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি ২০২০  

‘সাগরে মাছ অনেক, এহন জম্মের মতো মাছ পাওয়া যায়। আল্লায় দিলে আরও মাছ পামু। দ্যাহেন না ভাই, মাছ উডাইয়া আউগাইতে পারিনা’। শীতের মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ায় খুশি মনে কথাগুলো বলছিলেন জেলে আলামিন।

আলামিনের মতো অনেকের মনেই এখন আনন্দ বইছে। অসময়ে সাগরে ইলিশ পাওয়ায় আনন্দ বইছে জেলে পাড়ায়। শীতের মৌসুমে সাগর ও উপকূলে সাধারণত ইলিশ মাছ তেমন পাওয়া যায় না, প্রচলিত এই ধারণা দীর্ঘদিনের। তবে এবার তার ব্যতিক্রম ঘটিয়ে বাজারে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। 

পাথরঘাটার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, অসময়ে বিএফডিসি ঘাটে উল্লেখযোগ্য ট্রলার। প্রতিটি ট্রলারেই কমবেশি ইলিশ রয়েছে। গত দুইদিন আগেও একটি ট্রলারে ১৭ হাজার মাছ ধরা পড়ে। যার দাম ছিল ১২ লাখ টাকা। একই দিন প্রায় ২০টি ট্রলারে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ নিয়ে ঘাটে এসেছিল। মাছ বিক্রি করে আবারও ওই ট্রলার মাছ ধরার জন্য সাগরে গেছে। ইলিশের সরবরাহ থাকায় পাইকারি বাজার ছাড়াও শহরের স্থানীয় খুচরা বাজারগুলোতেও ইলিশ মিলছে মোটামুটি সহনীয় দামেই।

ইলিশের আমদানি বেশি হওয়ায় পাইকারি বিক্রেতাদের পাশাপাশি খুচরা ক্রেতারাও বাজারের চেয়ে একটু কম দামে ইলিশ কেনার জন্য ভিড় করেছেন সেখানে। তবে বরাবরের মতো এবারও স্থানীয় বাসিন্দারা পাইকারের ভিড়ে এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

সাগর থেকে মাছ নিয়ে আসা ট্রলার জেলে আ. মালেক, ইউসুফ মাঝি বলেন, শীতের সময়ে সাধারণত মাছ কম পাওয়া যায়, কিন্তু এবার শীতের মৌসুমে প্রচুর মাছ পাচ্ছি আমরা। গেল ১৫ বছরের তুলনায় এ বছর শীতে সব থেকে বেশি মাছ পেয়েছি। সাগরের গভীর পানি থেকে কম পানিতে মাছ চলাচল বেশি হওয়ায় জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।

মৎস্য আড়ৎদার মো. হিরু বলেন, এখন ৯০০ থেকে এক কেজি ওজনের প্রতি মণ ১১-১২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, শীতের সময় ইলিশ আমাদের সৌভাগ্যের বিষয়। আমি মনে করি মা ইলিশের নিষেধাজ্ঞার সময় বাংলাদেশি জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকারর কারণেই এখন মাছ পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভারতীয় জেলেরা এ সময় বাংলাদেশি জলসীমায় মাছ ধরা থেকে বিরত থাকলে আরএ বেশি মাছ পাওয়া যেত এবং এর ধারাবাহিতা থাকতো।

পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের সময় জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা এবং সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং আমাদের নিয়মিত অভিযানেরই সুফল।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর