• শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৬৪ পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি. দৃশ্যমান, বসল ৩০তম স্প্যান পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান বসছে আজ একদিনে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার শনাক্ত, মৃত্যু ২৩ জনের বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ১৫৪১, মৃত্যু ২২ জীবন বাঁচাতে জীবিকাও সচল রাখতে হবে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের র‌্যাব-৮ এর অভিযানে মাদারীপুর থেকে জেএমবি’র সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ছাড়াল ৩০ হাজার মমতাকে সহমর্মিতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোন মোংলা ও পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত মহাবিপদ সংকেত জারি সকালে, রাতের মধ্যে আসতে হবে আশ্রয় কেন্দ্রে ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন আম্পানের আঘাতে ১০ ফুটের অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা আরও ১২৫১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২১ জনের আরও ৭ হাজার কওমি মাদ্রাসাকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা পায়রা-মংলায় ৭, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত
৬৭

উদাহরণ ঘিরে নামকরণ হয় ‘মাকাল ফল’

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০১৯  

‘গুরুমশায় বলেন তারে/‌বুদ্ধি যে নেই একেবারে/দ্বিতীয়ভাগ করতে সারা ছ’মাস ধরে নাকাল।’ রেগেমেগে বলেন, ‘বাঁদর, নাম দিনু তোর মাকাল।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এভাবেই শিশুতোষ ‘মাকাল’ নামক কবিতায় অনুন্নত বালকটি পরিচয় তুলে ধরেছিলেন।

উপমা থেকে নামকরণ হয়েছে এ ফলটির। মাকালের আদি নাম ছিল ‘মহাকাল’। এ নামটি ধীরে ধীরে হারিয়ে গিয়ে উপমাশ্রিত নামে রূপান্তরিত হয়েছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Trichosanthes tricuspidata

টকটকা লাল ফল মাকাল। উদ্ভিদটি ওষুধি গুণাগুণসম্পন্ন হলেও বিপন্ন প্রকৃতিতে তার অস্তিত্ব আরও সংকটে। প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এ লতানো উদ্ভিদটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ও উদ্ভিদ গবেষক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এ প্রসঙ্গে  বলেন, ‘মাকাল’ হচ্ছে একটি উপমা। সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীতে কিছু উপমা তৈরি করেছেন, মানুষকে সচেতন করার জন্য। মাকাল ফল হলো সেই উপমা। অর্থাৎ চকচক করলেই সোনা হয় না। শুধু চককের দিকে তাকালে হবে না, এর কোয়ালিটির দিক আগে দেখতে হবে। এই উপমার জন্যই মাকাল নামকরণ। মাকাল ফলের বাইরের দিক সুন্দর হলেও ভেতরটা দেখতে অসুন্দর।

মাকাল ফলের ভেতরের অংশ। ছবি: সংগৃহীত
তিনি আরও বলেন, ‘এটি ওষুধি গাছ। মাকাল এখন বাংলাদেশে খুবই কম; নেই বললেই চলে। এ ফুলের আদি নিবাস তুর্কি। আমাদের দেশে একসময় প্রচুর ছিল। এ উদ্ভিদটি লতা জাতীয় হলেও এরা বড় গাছে আশ্রয় করে বেঁচে থাকে। যেহেতু বড়গাছ প্রায় নেই বললেই চলে, তাই তাদের সংখ্যাও কমে গেছে। এ লতানো উদ্ভিদটি সব সময় হাতের নাগালের বাইরে থাকে।

ফলের স্বাদ ও তুলনামূলক পার্থক্য উল্লেখ করে ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ফলটি তেতো জাতীয়। ফলের ভেতরের রংটার সঙ্গে উপরের রঙের কোনো প্রকার সামঞ্জস্যতা নেই। ভেতরের পচা রঙের সঙ্গে উপরের সুন্দর লাল টকটকা রঙের কোনো মিল নেই। বাইরের রং এতো সুন্দর যে, মানুষ এটা দেখে আকৃষ্ট হয়।

মাকাল ফলটি আমাদের সমাজের চমৎকার উদাহরণ। সমাজে তো আমাদের অনেক সুন্দর মানুষ আছেন, শুধু তাদের সৌন্দর্য দেখলেই হবে না, তাদের গুণগুলোও যাচাই করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন ড. জসীম।

বরগুনার আলো
ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর