বৃহস্পতিবার   ১৪ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
আজ ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা দিবস পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী আয়কর মেলা: ১১৩ কোটি থেকে লক্ষ্যমাত্রা তিন হাজার কোটি টাকা রোহিঙ্গা নিপীড়নে এবার সুচি’র বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় মামলা টেস্ট বিশ্বকাপ অভিষেকে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যার পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত ছিল: প্রধানমন্ত্রী খেলাপি ঋণ অবশ্যই আদায় করা হবে: অর্থমন্ত্রী ধেয়ে আসছে ‘বুলবুলে’র চেয়েও ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’ দেশের কল্যাণে প্রয়োজনে বাবার মতো জীবন দেবো: শেখ হাসিনা বিমানে উড়ে বাংলাদেশ এল ২২৫টি গরু! দেশে রফতানি বাড়াতে দরকার পরিবহন খাতে উন্নয়ন: বিশ্বব্যাংক মা হারানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী শামীম মালয়েশিয়ায় বীমার আওতায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই: সেতুমন্ত্রী ঘুরে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের মেয়েদের শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানুষের দিন বদল হয়েছে-তথ্যমন্ত্রী ৭৫ পরবর্তীতে অনেকে উচ্ছিষ্টের লোভে দল ছেড়ে চলে গেছেন: নওফেল বরগুনায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করল বাবা নকল মুদ্রা দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৯ বাংলাদেশ থেকে কেউ বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা চালাতে পারবে না
২৩৩

উপকারিতা গুলো জানলে কলার খোসা আর ফেলবেননা

প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল ২০১৯  

কলার খোসা সাধারণত আমরা ফেলে দেই। কিন্তু এই ফেলনা কলার খোসা ফেলে না দিয়ে চাইলেই ব্যবহার করা যায় নানা উপায়ে। আসুন দেখে নেই কলার খোসার নয়টি ব্যবহার।

চুলকানি কমাতে

অনেকসময় পোকামাকড় কামড়ালে চুলকায় বা ফুলে যায়। তখন বুঝতে পারিনা কি করব বা কি লাগাবো। হাতের কাছে কলার খোসা থাকলে এটার ভেতরের দিক দিয়ে দ্রুত কামড়ানো জায়গায় ঘষে নিন। এতে ফোলার পাশাপাশি চুলকানিও কমবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন তারাই জানেন নিয়মিত পেট পরিষ্কার না হওয়াটা কতটা কষ্টের। এক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় বেশি করে আঁশজাতীয় খাবার রাখতে হবে। কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণ খাদ্যআঁশ থাকে। তাই কলার খোসা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যে উপকার পাবেন। কাঁচা কলার খোসা বেঁটে ভর্তা খাওয়া যায় কিংবা পাকা কলার খোসা ধুয়ে পরিষ্কার করে মিল্ক স্মুদিতে দিতে পারেন।

দাঁত সাদা করতে
দাঁতের রঙ হলুদ হওয়াটা খুব অস্বস্তির। দাঁত সাদা করতে অনেকধরনের জিনিস আমরা ব্যবহার করে থাকি। তবে এদের অধিকাংশের মধ্যেই ব্লিচিং উপাদান থাকে যা দাঁতের উপরের অংশে থাকা এনামেল ক্ষয় করে। ফলে দাঁতে শিরশিরানি দেখা দেয়। কিন্তু সস্তায় ঘরোয়া পদ্ধতিতেই দাঁতের হলুদ দাগ দূর করতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন কলার খোসা। এতে থাকা পটাশিয়াম দাঁত সাদা করে। খোসা চিবনোর প্রয়োজন নাই। কলার খোসার ভেতরের অংশ দিয়ে দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ঘষুন।

বলিরেখা কমাতে
ত্বকে নানারকম বয়সের দাগ ও বলিরেখা মুছে ফেলতে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ এন্টি এক্সিড্যান্ট ত্বকের জন্য দারুণ উপকারি। যেসব জায়গায় বয়সের ফলে ছোপ বা বলিরেখা পড়েছে সেসব জায়গায় সরাসরি কলার খোসা ঘষে তিরিশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়াও ত্বকের ময়েশ্চার বা জলীয় পদার্থ ধরে রাখতে কলার খোসা বেটে ডিমের কুসুমের সাথে মিশিয়ে সারা গায়ে লাগান। পাঁচ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের যেকোন ধরণের সিরোসিস, একজেমা ও ব্রণ দূর করতে দারুন কার্যকরী এই মিশ্রণ।

ঘুম ভালো হয়
কলার খোসা কিন্তু ঘুম আসতেও সাহায্য করে। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ ট্রিপটোফ্যান ও সেরোটনিন নামক ফিল গুড (মন ভালো করা) রাসায়নিক ঘুম আনে। রাতে কলার খোসা খেলে তাই শুধু ভালো ঘুমই হবেনা, সারাদিন মুডও ভালো থাকবে।

তবে কলার খোসা খাচ্ছি ভেবে মানসিক চাপ নিলে ফল পাবেন না। তাই খোলা মনেই কলার খোসা পরিষ্কার করে পেস্ট বানিয়ে দুধের সাথে মিশিয়ে খেয়ে নিন।

দৃষ্টিশক্তি ভালো করে
চোখের জন্য লুটেনিন নামক এন্টি অক্সিড্যান্ট খুব উপকারি। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে এইটা চোখকে রক্ষা করে। কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণ লুটেনিন থাকে। তাই মাঝমধ্যেই খাদ্যতালিকায় নানা উপায়ে কলার খোসা রাখুন।

কোলেস্টেরল কমায়
খাদ্যআঁশে ভরপুর খাবার আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। কলার খোসায় কলার তুলনায় বেশি খাদ্যআঁশ থাকে। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে কলার খোসা উপকারি।

আঁচিল দূর করে
আমাদের শরীরে হুটহাট করে আঁচিল হতে পারে। যেগুলো অনেকসমিয় ব্যাথাযুক্ত হয়। দেখতেও ভালো লাগেনা অনেকসময়। অপারেশন করে আঁচিল দূর করা বেশ কষ্টকর হতে পারে। তবে আঁচিল দূর করতে পারেন ঘরোয়া পদ্ধতিতে কলার খোসার সাহায্যে। প্রতিদিন রাতে আঁচিলের উপর কলার খোসার ভেতরের অংশ দিয়ে ঢেকে একটা এডহেসিভ ব্যান্ডেজ দিন। সকালে ধোয়ার সময় আঁচিলের উপরের মরা চামড়া ঘষে তুলে ফেলুন।

মূল্যবান জিনিস পরিষ্কার করুন
চামড়ার জুতা, ব্যাগ ইত্যাদি কলার খোসা দিয়ে পরিষ্কার করলে চকচক করবে। কলার খোসায় থাকা পটাশিয়ামের কারনেই এমনটা হয়।