শুক্রবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৬   ০৪ রজব ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত দুই আসামী গ্রেপ্তার আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
৮৫

এই দ্বীপে একটা কিছু আছে!

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

হোমো স্যাপিয়েন্স বলতে আমরা আমাদেরই বুঝি। তবে হোমো ফ্লোরেসিয়েন্সিস নামেও একটা প্রজাতি আছে। মানুষই ওরা। পার্থক্যটা আকারে। ফ্লোরেসিয়েন্সিসরা আকারে খাটো। ঠিক বামন নয়, তবে আকারে এক মিটারের একটু বেশি হয়।

২০০৪ সালে প্রথম ওদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন ভূতাত্ত্বিকরা। ইন্দোনেশিয়ার লিয়াং বুয়া নামের একটি গুহায় পাওয়া যায় তাদের দশখানা কঙ্কাল। সবার সাইজই মোটামুটি এক। এক দশমিক এক মিটার। ফ্লোরেস দ্বীপের বাসিন্দা ছিল ওরা। বাস করত আজ থেকে এক লাখ ৯০ হাজার থেকে ৫০ হাজার বছর আগ পর্যন্ত। এখন যাদের পিগমি মানব বলে ডাকা হয়, তাদের চেয়েও ছোট ওরা। তাই আক্ষরিক অর্থেই বলা যায়, ওরা ছিল সত্যিকারের ‘হবিট’।

প্রথম দিকে ঘটনাটাকে স্রেফ জিনের খেলা বলেই চালিয়ে দেওয়া যেত। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেল, ৭০ হাজার বছরে দুই দফায় এই ফ্লোরেস দ্বীপে বসতি গেড়েছিল মানুষ। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ার আশপাশের অন্য দ্বীপগুলোতেও ছিল বসতি। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে বেঁটে হয়ে গেছে শুধু ফ্লোরেস দ্বীপের বাসিন্দারাই। এমনকি শুধু মানুষ হলেও কথা ছিল, আকারে খাটো হয়ে গেছে বাদবাকি স্তন্যপায়ীরাও। ফ্লোরেস দ্বীপের একটি হাতির ওজন গড়পড়তা অন্য হাতির চেয়ে ১৮ ভাগের এক ভাগ! এখানকার একটি প্রাপ্তবয়স্ক হাতির উচ্চতা বড়জোর একজন স্বাভাবিক মানুষের কাঁধ পর্যন্ত হয়! অর্থাৎ এখানে মানুষের জিনের কোনো ভূমিকা নেই, আছে দ্বীপের কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের।

তার পরও ২০১৩ সালে একবার এখানকার একটি গ্রামের মানুষদের ডিএনএ নিয়ে গবেষণা চালানো হয়েছিল। তাতেও দেখা গিয়েছিল, সেখানকার অপেক্ষাকৃত বেঁটে মানুষরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাধারণ মানুষদের ডিএনএর বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেড়ে উঠেছে। অস্বাভাবিক কিছু নেই। আর তাই অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের গবেষক পিটার ভিশারসহ আরো অনেক গবেষক জানালেন, সরাসরি একটি-দুটি জিন জড়িত না থাকলেও দ্বীপের সামগ্রিক পরিবেশ এখানে ডিএনএর কাজ করেছে। হতে পারে, ফ্লোরেস দ্বীপের খাবারের সংকটও এর জন্য দায়ী। যার কারণে কম খেতে খেতে এখানকার প্রাণীদের শরীর নিজেদের কম খাবারের সঙ্গে একটা বোঝাপড়ায় চলে এসেছে। আবার কেউ তো বলছেন, আস্ত দ্বীপটাই এখানকার প্রাণীদের এমন এক আবহে আটকে রেখেছে যে কেউ তার বলয় থেকে মুক্তি পাচ্ছে না!

বরগুনার আলো