শনিবার   ২৮ মার্চ ২০২০   চৈত্র ১৪ ১৪২৬   ০৩ শা'বান ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত করোনা ছোঁয়াচে, এক মিটার দূরত্বে থাকার পরামর্শ ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে ১০ দিন গণপরিবহন বন্ধ মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধের নির্দেশ সরকারি অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করোনায় আরেকজনের মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৩৩ ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী সতর্কীকরণে বাংলাদেশ সুনাম অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী
১৩০৬

এই পাতার গুণেই পাইলস সমস্যার সমাধান মিলবে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০১৯  

বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই পাতা অতুলনীয়। পাথরকুচি পাতার নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। পুরনো সর্দিতে পাতার রস গরম করে খেলে উপকার হয়। ছোট বড় সবাই বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই পাতার রস খেতে পারে।

মূত্রনালির যেকোনো সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগের পথ্য হিসেবে এই পাতার গুনাগুণ অতুলনীয়। এছাড়া ব্রণ, ক্ষত ও মাংসপেশী থেঁতলে গেলে এই পাতার রস আগুনে সেঁকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

পাথরকুচি পাতার গুনাগুণ-

সর্দি হলে: সর্দি বসে গেলে বা পুরাতন হয়ে গেলে পাথরকুচি পাতা ছেঁচে রস করে এবং তা গরম করে ২ চা চামচ পরিমাণ সকাল-বিকেল ২ বার পান করতে হবে।

রক্তপিত্তে: পিত্ত জনিত ব্যাথায় রক্ত ক্ষরণ হলে সকাল-বিকেল ২ বার পাথরকুচি পাতার রস পান করলে এ সমস্যা দূর হবে।

মেহ: ঠাণ্ডা-সর্দির কারণে অনেক সময় শরীরে ফোঁড়া হয় এবং ব্যাথা করে। একেই বলে মেহ। এমতাবস্থায় পাথরকুচি পাতার রস এক চা চামচ করে টানা এক সপ্তাহ পান করলে মেহ ভাল হবে।

কাটা-ছিড়া: অনেক সময় কেটে গেলে বা চাপ খেয়ে থেঁতলে গেলে টাটকা পাথরকুচি পাতা হালকা তাপে গরম করে কাটা-ছিড়ার স্থানে সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায় ও তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

পেট ফাঁপা হলে: পেট ফেঁপে গেলে পেট ফুলে যায়, হালকা বায়ু, প্রস্রাব আটকে যায় এক্ষেত্রে আধা চামচ পাথরকুচি পাতার রস অল্প পরিমাণ চিনির সঙ্গে মিশিয়ে গরম করে অল্প পানির সঙ্গে মিশিয়ে রোগীকে পান করাতে হবে। তাহলে এধরনের সমস্যা দূর হবে।

মৃগী রোগ হলে: মৃগী ব্যারাম উঠার সঙ্গে সঙ্গে ৮-১০ ফোটা পাথরকুচি পাতার রস রোগীর মুখে দিলে সাথে সাথে উপকার লক্ষ্য করা যায়।

শিশুদের পেট ব্যাথা হলে: অনেক সময় শিশুদের পেটে ব্যাথা করে। এক্ষেত্রে পাথরকুচি পাতার রস ৩০-৪০ ফোটা হালকা গরম করে শিশুর পেটে মালিশ করলে পেট ব্যাথা ভাল হয়ে যাবে। তবে পেট ব্যাথা কি না তা নিশ্চিত হতে হবে।

কিডনিতে পাথর হলে: তবে পাথরকুচির সবচেয়ে কার্যকরী ঔষধী গুণাগুণ হল কিডনী এবং গলব্লাডারে পাথর হলে ২-৩ টি পাথরকুচি পাতা রস করে অথবা চিবিয়ে খেলে পাথর আস্তে আস্তে অপসারণ হয়ে যাবে।

জন্ডিস হলে: জন্ডিস বা লিভারের যে কোনো সমস্যায় পাথরকুচি পাতার রস খুব উপকারী।

উচ্চ রক্তচাপ: মূত্রথলির সমস্যা এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পাথরকুচি খুব উপকার করে।

পাইলস: শুধু পাইলস নয় অর্শ্ব-গেজ হলেও পাথরকুচি পাতা খুব উপকারী। এক্ষেত্রে পাথরকুচি পাতার রসের সঙ্গে অল্প পরিমাণ গোল মরিচ মিশিয়ে পান করতে হবে।

ডায়রিয়া, কলেরা বা আমাশয় হলে: এ ধরনের সমস্যায় ৩ মিলি. পাথরকুচি পাতার রসের সঙ্গে সমপরিমাণ জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে একটানা কয়েকদিন খেলে উপকার হবে।

বিষাক্ত পোকায় কামড়ালে: মৌমাছি, ভ্রমরা, বিচ্ছু ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত কোনো পোকায় কামড়ালে পাথরকুচি পাতার রস গরম করে কামড়ানো স্থানে সেঁক দিলে ব্যাথা সেরে যাবে।

ত্বকের যত্নে: পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। ব্রণ ও ছোট ফোঁড়া হলে পাথরকুচি পাতা বেটে মুখে লাগাতে পারেন। এক্ষেত্রে শুধু ব্রণ নয় ত্বক জ্বালা-পোড়া করলেও পাথরকুচি পাতা বাটা খুব ভাল কাজ করে।

শরীর জ্বালা-পোড়া করলে: অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই শরীর জ্বালা-পোড়া করে, অস্বস্থি লাগে। এক্ষেত্রে ২ চামচ পাথরকুচি পাতার রস আধা কাপ হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে সকাল-বিকেল ২ বার পান করলে এ ধরনের সমস্যা দূর হয়।

বরগুনার আলো