বুধবার   ২২ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৯ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সরকারের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের ৮ ধাপ অগ্রগতি ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয় বাস্তব : প্রধানমন্ত্রী এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া যাচ্ছেন শিল্পমন্ত্রী যশোরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের জানাজা সম্পন্ন ই-পাসপোর্টে মানুষ আর ধোঁকায় পড়বে না: প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ উদ্বোধন ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলার রায় কাল পাসপোর্ট বহির্বিশ্বে একটি দেশের মর্যাদা নির্দেশক: রাষ্ট্রপতি ই-পাসপোর্ট চালু হচ্ছে আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডিগ্রি পাস ছাড়া ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি হওয়া যাবে না প্রয়োজনে শিক্ষকদের বিদেশে পাঠান : প্রধানমন্ত্রী শিল্প-কারখানার পাশে জলাধার থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নসহ একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন যশোর-৬ আসনের এমপি ইসমত আর নেই,প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক আবরার হত্যা : অভিযোগ গঠন ৩০ জানুয়ারি শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টায় পাঁচ জনের মৃত্যুদণ্ড ভারত থেকে পেঁয়াজ কেনার কোনও সুযোগ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

একাত্তরের এই দিনে- ৯ ডিসেম্বর, ১৯৭১

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০১৯  

৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের শেষে বহু ত্যাগের পর ডিসেম্বরের শুরু থেকে যুদ্ধের অর্জন মিলতে শুরু করে। ৯ ডিসেম্বর তার সেই দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। এইদিনে জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানি বাহিনীদের সংকটাপন্ন অবস্থার কথা শিকার করেন।

মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সামনে তখন প্রধান লক্ষ্য ছিলো ঢাকা দখল লড়াই। সবদিকে দিয়ে মিত্রবাহিনী ঢাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছিলো। বাইরে থেকে হানাদার বাহিনীর ঢাকায় ঢোকার সব পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। মিত্রবাহিনী একে একে আশুগঞ্জ, দাউদকান্দি, চাঁদপুর ময়মনসিংহ দখলে নিয়ে নেয়।

একাত্তরের এদিন সকালে হানাদার বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের সদর দফতর ঢাকা থেকে প্রথমবারের মতো জেনারেল নিয়াজী স্বীকার করেন, পরিস্থিতি নিদারুণ সংকটপূর্ণ। আকাশে শত্রুর প্রভুত্বের কারণে পুনর্বিন্যাসকরণ সম্ভব নয় বলে একটি সংকেতবাণীও পাঠানো হয় রাওয়ালপিন্ডিতে। দ্রুত শত্রুমুক্ত হতে থাকে একের পর এক জায়গা। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধকে নস্যাৎ করে দেয়ার জন্য পাকিস্তানের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা থেমে থাকেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ সময় পাকিস্তানকে সহযোগিতা করার পদক্ষেপ নেয়। আজকের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিক্সন তার সপ্তম নৌবহরকে বঙ্গোপসাগরের দিকে রওনা হতে আদেশ দেন। উদ্দেশ্য, মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ভেঙে দেয়া।

কিন্তু উদ্দেশ্য সফল হয়নি। কারণ বীর সন্তানদের মনোবল ভেঙে দেয়া মোটেও সহজ কাজ নয়। মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে দাউদকান্দি, গাইবান্ধা, কপিলমুনি, ত্রিশাল, নকলা, ঈশ্বরগঞ্জ, নেত্রকোণা, পাইকগাছা, কুমারখালী, শ্রীপুর, অভয়নগর, পূর্বধলা, চট্টগ্রামের নাজিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকা শত্রুমুক্ত হয়। দাউদকান্দি শত্রুমুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে মূলত মেঘনার সম্পূর্ণ পূর্বাঞ্চল মুক্তিবাহিনীর দখলে আসে।

এর আগে কুমিল্লা মুক্ত হওয়ার খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে দাউদকান্দির মুক্তিযোদ্ধারা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিবাহিনীর হামলায় টিকতে না পেরে পাক হানাদার বাহিনী ঢাকার দিকে পালিয়ে আসে।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর