সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ১০ ১৪২৬   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে শিক্ষা নিতে হবে : স্পিকার ‘মুখরোচক কথায় দালালের খপ্পরে পড়ে বিদেশ যাবেন না’- প্রধানমন্ত্রী আজ কুমিল্লায় পারিবারিক কবরস্থানে মোজাফফর আহমদের দাফন অ্যামাজন পুড়ছে, আমরা যেন না পুড়ি: পরিবেশমন্ত্রী জেলা সরকার এখন সময়ের দাবি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওএসডি হচ্ছেন জামালপুরের সেই ডিসি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: দীপু মনি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধায় সিক্ত অধ্যাপক মোজাফফর বরগুনায় উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসন মোজাফফর আহমদের মরদেহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা হাইভোল্টেজ ম্যাচে লড়বে লিভারপুল-আর্সেনাল গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে- কাদের আইভি রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা আইভী রহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ৯০ ভাগ ডেঙ্গু রোগী বাড়ি ফিরেছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সরকার হাল ছাড়েনি: ওবায়দুল কাদের ২৩ আগস্টের ঘটনায় সেনাবাহিনী দায়ী নয়-ঢাবি উপাচার্য যে করেই হোক রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবোই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা বিজয় দিবসের আগেই: মন্ত্রী
৪৩

এবছর হজের খুতবা দেবেন যিনি

প্রকাশিত: ৯ আগস্ট ২০১৯  

 

এবারের হজে খুতবা দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন সৌদি আরবের বিশিষ্ট আলেম, শায়খ মুহাম্মদ বিন হাসান আলে  আশ-শায়খ। তিনি সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ এবং গবেষণা-মুফতি বোর্ডের সদস্য। পাশাপাশি খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন হাদিস কমপ্লেক্সর পরিচালক।

শনিবার (১০ আগস্ট) ঐতিহাসিক আরাফার ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরায় তিনি এবছরের হজের খুতবা দেবেন। ধারাবাহিকতায় তিনি সৌদির দশ নম্বর হজের খতিব। সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিয ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি রাজকীয় ফরমান জারি করেছেন, যা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ হয়েছে।

শায়খ মুহাম্মাদ বিন হাসান বর্তমান বিশ্বে হাদিস ও তাফসিরশাস্ত্রের অন্যতম প্রাজ্ঞ-পণ্ডিত আলেমে দীন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। এরপর ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ আল-ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির শরিয়াহ অনুষদ থেকে অনার্স সম্পন্ন করেন। এরপর উচ্চতর বিচারব্যবস্থা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

প্রায় দশ বছর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ অনুষদে লেকচাচার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এরপর শীর্ষস্থানীয় আদেশের মাধ্যমে উচ্চতর গবেষণা ও ফতোয়া বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ফতোয়া বোর্ডের সদস্যপদ লাভ করেন ১৯৯৮ সালে। এর পাঁচ বছর পর রাজকীয় আদেশে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের সদস্য হন। এছাড়াও তিনি সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড-পরিষদের সদস্য।

এই বিভাগের আরো খবর