বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৮ ১৪২৬   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে যারা ফখরুল-রিজভীসহ ১৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে ‘কনসার্ট ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এসক্যাপ অধিবেশনে যোগ দিতে শেখ হা‌সিনা‌কে আমন্ত্রণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ন্যায়বিচার-নিরাপত্তা দাবি অক্সফামের কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ কাল নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন ওবায়দুল কাদের ‘ফুড চেইনের মাধ্যমে প্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করছে’ বিশাল জয়ে শুরু কুমিল্লার বঙ্গবন্ধু বিপিএল মিশন টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ গ্রেটা থানবার্গ বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দেবে এডিবি ‘বিদেশগামীদের জন্য চালু হচ্ছে প্রবাসী কর্মী বিমা’ প্রেষণে বদলি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ৯ জিএম জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মাদককে দেশ ছাড়া করবো: আইজিপি বিটিসিএলের সব স্কুলের প্রাথমিক শাখা হবে ডিজিটাল
১৩৮

কাঠ ধ্বংসকারী ঘুন বা উঁইপোকা দূর করার কার্যকরী উপায়

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০১৯  

সবারই জানা- ঘুন পোকা, উঁইপোকা বা টারমাইট এরা কাঠ ধ্বংসকারী পোকা। ভবনের কাঠের কাজ, আসবাবপত্রে ধ্বংসকারী সাদা পিঁপড়াকে উঁই পোকা বা টারমাইন বলে। এই সকল কাঠ ধ্বংস কারী পোকা ড্রাই উড টারমাইট শ্রেণীর অন্তর্গত।  

দুই ভাবে এসব কাঠ ধ্বংসকারী পোকা প্রতিরোধ করা যায়। যেমন- নির্মাণকাজের পূর্বের ব্যবস্থা ও নির্মাণকাজের পরের ব্যবস্থা।

নির্মাণ কাজের পূর্বের ব্যবস্থা

কাঠ ধবংসকারী পোকা প্রতিরোধক হিসাবে বিভিন্ন প্রকার কীটনাশক পাউডার বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। সাধারণত চার লিটার পানিতে নিম্নের যে কোনো একটি রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত করে দ্রবণ তৈরি করে কাঠে ব্যবহার করা হয়। কাঠে কিটনাশক ব্যবহারের পর কাঠ শুকিয়ে নিয়ে নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহার করা হয়।  

 ক্যামিকেল ও পরিমাণ- DDT (৫%), BHC (০.৫%), Aldrin (০.২৫%), Heptachlor (০.২৫%), Chlordane (০.৫%)।  


নির্মাণ কাজের পরের ব্যবস্থা

কাঠের যে স্থানে উঁইপোকা বা টারমাইট আক্রান্ত সে স্থানে কেরোসিন যুক্ত রাসায়নিক ইমালশন (বাজারে কিনতে পাওয়া যায়) এর প্রলেপ দিতে হবে। আর এতে করে টারমাইন বা উঁইপোকার আক্রমণ থেকে কাঠকে রক্ষা সম্ভব। কাঠে কেরোসিন তেল ব্যবহার করলে দীর্ঘ দিন ঘুন থেকে মুক্ত থাকা যায়।

> তাছাড়া রং অথবা আলকাতরা ব্যবহার করলে পোকা ও ঘুন আক্রমণ করতে পারে না।

> আসবাব জাতীয় কাঠে পোকা যেন না লাগে তার জন্য তরল পদার্থ- তারফিন, বিষ, কেরোসিন কাঠের গায়ে লাগানো যেতে পারে। অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত কাঠে আলকাতরা বা গাড় রঙ লাগালে অনেক দিন পর্যন্ত পোকা থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব।

> কাঠের ভেতরে যদি একবার পোকা ঢুকে যায় তবে সে পোকা তাড়ানো বা মেরে ফেলা খুবই কঠিন। বিশেষ করে এক ধরণের কাঠ পোকা দেখতে সাদা, আর লম্বা ১ ইঞ্চি ।এই পোকাগুলো কাঠের ভেতরেই বাসা বাধে। এরা যখন কাঠ কাটে তখন শব্দ শোনা যায়। এই পোকা তাড়ানো সম্ভব না। এদেরকে মেরে ফেলতে হয়। তাই ইনজেকশনের সিরিঞ্জ দিয়ে বিষ প্রায়োগ করতে হবে যে ছিদ্র দিয়ে পোকা ঢুকে।

> নিমপাতা প্রকৃতির এক আশ্চর্য দান। এই পাতায় আছে পোকামাকড় দূর করার অনন্য ক্ষমতা। ঘরের কোণায়, আলমারিতে, তোশকের নিচে শুকনো নিমপাতা দিয়ে রাখুন। ঘরে কোনো পোকামাকড়ই আসবে না।