সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
কাউন্সিলর রাজীব ১৪ দিনের রিমান্ডে সোনাদিয়া দ্বীপে শিল্পকারখানা না করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রুশ ভাষায় প্রকাশিত বই প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর যুবলীগের সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক চয়ন, সদস্য সচিব হারুন ওমর বহিষ্কার, যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাপস বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি মাছের খাদ্যে শূকরের উপাদান আছে কিনা পরীক্ষার নির্দেশ স্পিকারের সঙ্গে পাঁচ মার্কিন সিনেটরের সাক্ষাৎ বৃদ্ধাশ্রম নয়, মা-বাবার জায়গা হোক হৃদয়ের মণিকোঠায় মিঠাপানিতে রুপালি ইলিশ ভারতের বিপক্ষে বিশ্ব একাদশে সাকিব-তামিম! হিন্দু ছেলের আইডি হ্যাক, ফেসবুকের কাছে তথ্য চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ডিআইজি বজলুরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ সৈকতঘেরা জাকার্তায় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নেপাল ভ্রমণের খুঁটিনাটি জাপান সম্রাটের অভিষেকে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতি শিশুর জন্মের পর ইসিতে জানানোর আইন চান সিইসি গণভবনে যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আপনার ইমেইলেও থাকবে বসের নজরদারি! জঙ্গি হামলার শঙ্কা: নজরদারিতে দিল্লির ৪ শতাধিক স্থাপনা
৩২

কারাবন্দির তথ্য ডাটাবেজে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

কারাবন্দিদের তথ্য ব্যবস্থাপনায় একটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হয়েছে, যেখানে সব কারাবন্দিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ ও গাজীপুর জেলা কারাগারে ব্যবহৃত হলেও পর্যায়ক্রমে দেশের সব কারাগারেই এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হবে।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে কারাবন্দি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক একটি পাইলট ডাটাবেজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

কারাবন্দিদের বায়োমেট্রিক তথ্য সম্বলিত এ ডাটাবেজ সফটওয়্যারটি প্রস্তুত করেছে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক অফিস (ইউএনওডিসি)।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বন্দিদের আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের কর্নিয়ার ছবি সংরক্ষণ করা থাকাতে এ ডাটাবেজের মাধ্যমে কারাগারে ভুল ব্যক্তির অবস্থান সহজে শনাক্ত করা যাবে। ফলে জালিয়াতির মাধ্যমে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ায় মতো ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে। এ ডাটাবেজ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে কারাকর্মীদের সার্বিক দক্ষতা বাড়বে ও বন্দিব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

সারা দেশেই এ সিস্টেমটি চালু করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউএনওডিসি’র পাইলট প্রজেক্ট শেষে আমরা এর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের রাজস্ব তহবিল থেকে প্রকল্প গ্রহণ করবো।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধুমাত্র প্রকল্প থেকে সরবরাহ করা কম্পিউটারে ডাটাবেজ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে কারাকর্মীরা বন্দিব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন।

এর মাধ্যমে নতুন বন্দি আসা, বন্দি আদালতে পাঠানো, বন্দি স্থানান্তর, বন্দি মুক্তি ও কয়েদিদের সাজা মওকুফ করাসহ প্রায় সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব।

গত জুন মাস থেকেই কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ ও গাজীপুর জেলা কারাগারে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ও জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো প্রমুখ।

রবার্ট মিলার বলেন, কারাবন্দি ব্যবস্থাপনা ও তথ্য সংরক্ষণ কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ডাটাবেজটি প্রস্তুত করা হয়েছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের আর্থিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের কারাগারে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এটি সরবরাহ করছে ইউএনওডিসি।

এই বিভাগের আরো খবর