শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত দুর্নীতি মামলা : বিএনপি প্রার্থী ইশরাকের বিচার শুরু কাদেরের বাইপাস পরবর্তী স্বাস্থ্যের উন্নতি, দেশে ফিরছেন রাতেই  এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে: আইআরআই ওমানের সুলতানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা আবুধাবি থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতুতে বসলো ২১তম স্প্যান,দৃশ্যমান হলো ৩ হাজার ১৫০ মিটার রিট খারিজ, নির্ধারিত তারিখেই হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন
১১৫

কিডনির বায়োপসি ও গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস

প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

কিডনির অনেক কাজের মধ্যে প্রধান কাজ রক্ত পরিশোধন করা। আর এটি সম্পন্ন হয় যে আণুবীক্ষণিক অঙ্গের মাধ্যমে, তাকে বলে ‘গ্লোমেরুলাস’। এই গ্লোমেরুলাস আসলে এক ধরনের ছাঁকনি তৈরি করে। যা রক্তে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিকগুলো প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে সহায়তা করে। সহজভাবে বললে, এ ছবি একেকটি ক্ষুদ্র রক্তনালির গুচ্ছ। মানুষের প্রতি কিডনিতে প্রায় ১০ লাখ গ্লোমেরুলাস আছে। কিন্তু বিশেষ বিশেষ রোগের কারণে এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, যেমন গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস। এর উপসর্গ বা লক্ষণ নানা রকম হতে পারে অথবা কখনো কখনো সাধারণ প্রস্রাব পরীক্ষায় এটি প্রথম ধরা পড়ে। উপসর্গের মধ্যে আছে—

♦   প্রস্রাবের রং পরিবর্তন, যেমন প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাবের রং ঘোলাটে হওয়া

♦   মুখ অথবা মুখের চারপাশে পানি জমা ও ফুলে যাওয়া

♦   পা ফুলে যাওয়া

♦   খুব অল্প বয়সে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া।

সাধারণ প্রস্রাব পরীক্ষায় অনেক সময় রক্তকণিকা অথবা বেশি মাত্রায় প্রোটিনের উপস্থিতি ধরা পড়লেও রোগটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায়।

সমস্যা হচ্ছে, এ ধরনের অসুখ সহজে ধরা পড়ে না। কিডনির বেশির ভাগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে উপসর্গ প্রকাশ পেতে শুরু করে। অথচ দ্রুত এই রোগ নির্ণয় করা গেলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা সম্ভব। আর তা না করা গেলে কিডনি প্রতিস্থাপন করার প্রয়োজন হয়ে পড়তে পারে।

রোগটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা গেলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ রোগ নিশ্চিত নির্ণয় করার একমাত্র উপায় ‘কিডনির বায়োপসি’ করা। কিডনির বায়োপসি একটি সহজ প্রক্রিয়া, যা ছোট একটি অপারেশনের মতো। প্রথমে আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষার মাধ্যমে বাঁ পাশের কিডনির নিচের সীমানা নির্ণয় করা হয়। এরপর স্থানীয়ভাবে অবচেতন করার ওষুধ বা লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া প্রয়োগ করে স্থানটি অবশ করা হয়। তারপর একটি বিশেষ বায়োপসি নিডল বা ছোট সুইয়ের মাধ্যমে কিডনি থেকে সামান্য কিছু টিস্যু নিয়ে তা ল্যাবরেটরিতে বিশেষ মাইক্রোসকোপের নিচে পরীক্ষা করা হয়। এ পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই সুনির্দিষ্ট ওষুধ প্রদানের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা যায়। এর সঙ্গে অবশ্য রক্তের কিছু পরীক্ষা করার প্রয়োজন পড়ে। পুরো রেনাল বায়োপসি ও আনুষাঙ্গিক পরীক্ষার জন্য রোগীকে এক-দু দিন হাসপাতালে অবস্থান করতে হয়।

আগে এ ধরনের পরীক্ষা বাংলাদেশে সম্ভব না হলেও এখন অনেক হাসপাতালেই হচ্ছে। আর পরীক্ষা সহজলভ্য হওয়ায় চিকিৎসা করাও সম্ভব হচ্ছে।