বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৬ ১৪২৬   ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ধর্ষকদের ধরিয়ে দিন, কঠোর ব্যবস্থা নেবো: প্রধানমন্ত্রী টাকা না থাকলে এত উন্নয়ন কাজ করছি কীভাবে : প্রধানমন্ত্রী সব ব্যথা চেপে রেখে দেশের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী ট্রেনে খোলা খাবার বিক্রি ও প্লাস্টিকের কাপ নিষিদ্ধ হচ্ছে মজুদ গ্যাসে চলবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত : খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গুজব-অপপ্রচার রোধে কাজ করছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি : তথ্যমন্ত্রী সব কারখানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ আজ বাংলাদেশ-নেপাল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সরকার-জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সাংসদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে : নাসিম ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়ন নজরদারিতে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০০ মেট্রিক টন মধু রফতানির অর্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ : কৃষিমন্ত্রী নয় বছরে সাড়ে ৯৭ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দেশে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের মাত্রা ক্ষতিকর নয় : বিটিআরসি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের
৫৫

কূটনৈতিকদের সঙ্গে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে প্রধান বাধা তারেক!

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

দীর্ঘদিন পর কূটনৈতিকদের সঙ্গে বসলো বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিকদের ব্রিফ করার জন্যই ড. মঈন খানের বাসভবনে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বহুদিন পরে সে বৈঠকে নতুন করে আবারও তারেক রহমানের প্রসঙ্গ আসায় বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি বলেই জানা গেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার উপস্থিত ছিলেন। তিনিই মূলত কূটনৈতিকদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। যেখানে বিএনপিতে তারেকের ভূমিকা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে তার সম্পর্কসহ বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তরফ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের তরফ থেকে ড. কামাল।

সূত্র বলছে, অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে রবার্ট মিলার বিএনপিতে তারেকের ভূমিকার কথা জানতে চান। তিনি তারেকের ব্যাপারে তিনটি প্রশ্ন করেন। প্রথম প্রশ্ন ছিলো- বিএনপি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন দণ্ডিত অপরাধী একটি দলের নেতৃত্বে থাকতে পারে কি না? দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিলো, বিএনপিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কোনো পদ আছে কি না? এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তারেক রহমান অন্য সিনিয়র নেতাদের মতামত নেন কি না? তৃতীয়ত, জামায়াতসহ বিভিন্ন জঙ্গি এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ এবং তথ্য প্রমাণাদি রয়েছে সে ব্যাপারে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য কী?

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে প্রশ্নে রবার্ট মিলার ড. কামালের কাছে জানতে চান তারেকের নেতৃত্বে বিএনপির সঙ্গে তিনি ঐক্য করছেন কেন? ড. কামাল হোসেন উত্তরে বলেন, তিনি তারেকের সঙ্গে ঐক্য করেননি। তিনি বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করছেন এবং এই ঐক্যে তারেক রহমানের কোনো ভূমিকা নেই। কিন্তু মির্জা ফখরুলের উত্তরের সঙ্গে ড. কামালের উত্তরের সামঞ্জস্যতা না পেয়ে কূটনীতিকরা কিছুটা বিব্রত হয়েছেন বলে জানা যায়।

এদিকে বৈঠকের পর বিভিন্ন কূটনৈতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ ব্যাপারে তাদের অসন্তোষ এবং আপত্তির কথা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈঠকে উপস্থিত একজন কূটনৈতিক বলেন, আমরা এ পর্যন্ত চার দফা বৈঠকে তারেকের ব্যাপারে সুস্পষ্ট আপত্তি উত্থাপন করেছি। আমরা বলেছি যে, একটা শক্তিশালী বিরোধী দলের স্বার্থেই তারেক রহমানের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের সরে যাওয়া উচিত। সর্বোপরি তিনি যেহেতু দেশে নেই, ফলে দেশের রাজনীতিতে তার না থাকাই উত্তম। কিন্তু বিএনপিকে বারবার বলার পরও বিএনপি এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বা নিতে পারছে না। একাধিক কূটনৈতিকরা বলেছেন যে, যতক্ষণ তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে থাকবেন ততক্ষণ বিএনপিকে সমর্থন দেওয়া বা বিএনপির দাবি দাওয়ার প্রতি সহানুভূতি জানানোর কোনো সুযোগ নেই। কারণ আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করার কোনো রেওয়াজ কূটনৈতিকদের নেই।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর