বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
একজন মায়ের গল্প ইমিগ্রেশন: চোখের আইরিশের তথ্য দেবে ইসি তরুণদের দেখে আমি গর্বিত: সজীব ওয়াজেদ তিন হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা বুধবার বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল করেছে স্থিতিশীল সরকার- আইন মন্ত্রী সেতু বিভাগ, পাট ও পিএসসিতে নতুন সচিব ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে রাজস্ব কর্মকর্তা আটক আবারও ১৪ ভারতীয় জেলে আটক সাতটি অভ্যাস মানুষের ধ্বংস ডেকে আনে দেশজুড়ে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে: সজীব ওয়াজেদ চিফ হুইপের সঙ্গে ত্রিপুরা কংগ্রেসের চিফ হুইপের সাক্ষাৎ বাড়তি সুযোগের আশায় ভাসানচর যেতে রাজি রোহিঙ্গারা সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়ে শেষমেশ পথ ছাড়লেন নেতানিয়াহু একনেকে ৫ প্রকল্পের অনুমোদন, ব্যয় হবে ৪৬৩৬ কোটি কানাডায় আবারও জয়ী জাস্টিন ট্রুডো নকশা না মেনে গাড়ি নামালে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী গতিশীল নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী এখন বিশ্ব নেতা- কাদের বছরের প্রতিটি দিনই সড়ক নিরাপদ রাখতে হবে: পলক অস্ত্র মামলায় কারাগারে পাগলা মিজান দৃশ্যমান হলো পদ্মাসেতুর ২২৫০ মিটার
৪২

কেন পূজা শেষে প্রতিমা বিসর্জন করে,জানুন !

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

পূজা হিন্দুদের পালনীয় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। হিন্দুধর্মে দেবতা, বিশিষ্ট ব্যক্তি অথবা অতিথিদের পূজা করার রীতি প্রচলিত রয়েছে। স্থান ও কালভেদে বিভিন্ন প্রকার পূজানুষ্ঠান এই ধর্মে প্রচলিত। যথা, গৃহে বা মন্দিরে নিত্যপূজা, উৎসব উপলক্ষে বিশেষ পূজা অথবা যাত্রা বা কার্যারম্ভের পূর্বে কৃত পূজা ইত্যাদি।

পূজানুষ্ঠানের মূল আচারটি হল দেবতা ও ব্যক্তির আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য তাঁদের উদ্দেশ্যে বিশেষ উপহার প্রদান। পূজা সাধারণত গৃহে বা মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়। পূজার বিভিন্ন প্রকারভেদও রয়েছে। দুর্গাপূজা বা কালীপূজার মতো উৎসবগুলি প্রকৃতপক্ষে পূজাকেন্দ্রিক উৎসব।

সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে, “মানুষের দেহ পাঁচটি উপাদান দিয়ে তৈরি”। যথা: আকাশ, বায়ু, অগ্নি, জল ও মাটি। তাই মৃত্যুর পর এই দেহ আগুনে দাহ করা হয় অথবা মাটি দেওয়া হয়। অর্থাৎ যে উপাদান দিয়ে এই দেহ তৈরি, মৃত্যুর পর আবার সেই একই উপাদানে মিশে যায়।

তেমনি প্রতিমার ক্ষেত্রেও তাই, তা মাটি দিয়ে তৈরি। মাটির প্রাণহীন মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলে সেটি প্রতিমা হয়। আর পূজা শেষে দেবীকে বিদায়ের পর সেই প্রতিমাটি আবার প্রাণহীন মূর্তি হয়ে যায়। আর তাই তাকে আবার পঞ্চতত্ত্বের একটি, সেই জলেই বিসর্জন দেওয়া হয়।

এই প্রতিমা পূজার সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে বিসর্জন। জলের মাধ্যমেই যেন মাটির প্রতিমা পুনরায় প্রকৃতিতে মিশে যায়, সেই জন্যই গঙ্গার জলে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। যে নিরাকার ঈশ্বর রয়েছে, উপসনার জন্য মাটির প্রতিমা তৈরি করে তাকে “সাকার রূপ”দেওয়া হয়।

যা শেষে পুনরায় সেই “সাকার রূপ”কে বিসর্জন দিয়ে নিরাকার ঈশ্বরকে হৃদয়ে স্থান দেওয়া হয়। সেই কারণেই দুর্গা পূজার সময় যখন প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় তখন প্রার্থনা থাকে, ‘মা, তুমি আবার এসো আমাদের মাঝে’।

যে জন্ম নিয়েছে, তার মৃত্যু অনিবার্য৷ এটাই প্রকৃতির শাশ্বত নিয়ম৷ ঠিক তেমনি যাকে আবাহন করা হয়, তার বিসর্জনও অনিবার্য৷ বিসর্জনের মাধ্যমেই ‘পুনরায় আগমনের’ আশা সঞ্চারিত হয়৷ এটিই প্রতিমা পূজা ও প্রতিমা বিসর্জনের মূল তাৎপর্য।