রোববার   ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১১ ১৪২৬   ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
পতাকার মর্যাদা ধরে রাখতে সেনা সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান জুয়ার আসর থেকে আটক ২৬ দুই ইউনিভার্সিটিকে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর পৌনে চার কিলোমিটার সারা দেশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ইংরেজি উচ্চারণে বাংলা বলার সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর উন্নত দেশ গড়তে বেসরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুজিববর্ষে বিএনপিকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে: কাদের ভণ্ডপীরসহ ৯ জনের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রী সব সময় শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন: পরিকল্পনামন্ত্রী মুজিব বর্ষে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে: শিল্প প্রতিমন্ত্রী আসন্ন সেচ মৌসুমে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা নেই : বিদ্যুৎ বিভাগ একুশে পদক হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুক্রবার একুশে পদক মেধা ও মনন চর্চার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করবে : রাষ্ট্রপতি আজ একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী এনামুল বাছিরের পদোন্নতির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা করা হবে : অর্থমন্ত্রী মুঠোফোন প্রতারক জিনের বাদশা গ্রেফতার করোনাভাইরাস নিয়ে গুজবে কান দিবেন না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৬৫

কেন মুহাররমের নয় তারিখও সিয়াম পালন করবেন?

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, মুহাররমের নয় তারিখ সিয়াম মুস্তাহাব হবার হিকমত প্রসঙ্গে আমাদের সাথি এবং অন্যান্য আলিমরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন—

এক. এর উদ্দেশ্য হলো, ইহুদিদের বিরোধিতা করা। কারণ তারা কেবল একটি অর্থাৎ মুহাররমের দশ তারিখ সিয়াম পালন করতো।

দুই. আশুরার দিনের সিয়ামকে অন্য আরেকটি সিয়ামের সম্পৃক্ত করা। যেমনিভাবে এককভাবে জুময়ার দিন সিয়াম পালন করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। ইমাম খাত্তাবি ও অন্যান্যদের মত এটি। 

তিন. দশ তারিখের সিয়ামের ক্ষেত্রে চন্দ্র গণনায় ত্রুটি হয়ে ভুলে পতিত হবার আশঙ্কা থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে। হতে পারে গণনায় নয় তারিখ, কিন্তু বাস্তবে তা দশ তারিখ। 

আহলে কিতাবের বিরোধিতাই এর মধ্যে সর্বাধিক শক্তিশালী কারণ। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বহু হাদিসে আহলে কিতাবদের সাদৃশ্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। যেমন, আশুরার ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন,

لَئِنْ عِشْتُ إلَى قَابِلٍ لاَصُومَنَّ التَّاسِعَ

‘যদি আমি আগামি বছর বেঁচে থাকি, তাহলে অবশ্যই নয় তারিখও সিয়াম রাখব।’ 

ইমাম ইবনু হাজার আসকালানি (রহ.) উপরোক্ত হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেছেন যে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নয় তারিখে সিয়াম পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করার উদ্দেশ্য এই নয় যে, তিনি কেবল নয় তারিখেই সিয়াম পালনের  ইচ্ছা করেছেন বরং তাঁর উদ্দেশ্য হচ্ছে, দশ তারিখের সিয়ামের সাথে নয় তারিখের সিয়ামকে সংযুক্ত করা। সাবধানতা বশত কিংবা ইহুদি-খৃস্টানদের বিরোধিতার জন্যে। এটিই অগ্রগণ্য মত। সহিহ মুসলিমের কিছু বর্ণনাও এদিকেই ইঙ্গিত করে। [আসকালানি, ফাতহুল বারি, ৪/২৪৫]

শুধু দশ তারিখ সিয়াম রাখার বিধান

ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেন, ‘আশুরার সিয়াম এক বছরের গুনাহের কাফফারা আর শুধুমাত্র আশুরার একদিন সিয়াম পালন মাকরুহ হবে না।’ [ইবনু তাইমিয়্যাহ, আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা]

ইবনু হাজার হায়সামি রচিত তুহফাতুল মুহতাজ গ্রন্থে আছে, ‘আশুরার ক্ষেত্রে কেবল দশ তারিখ একটি সিয়াম রাখাতে কোনো অসুবিধা নেই।’

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর