শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২১ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
জি কে শামীমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি এখন কারাগারে আজ বিশ্ব শান্তি দিবস সন্ধ্যায় মাঠে নামবে বাংলাদেশ কলাবাগান ক্লাব থেকে অস্ত্র-মাদক উদ্ধার, সভাপতিসহ আটক ৫ আবুধাবি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী আরো দুটি ক্লাব ঘিরে রেখেছে র‌্যাব যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোনো পদে নেই জি কে শামীম যুবলীগের যেই গ্রেফতার হবে তাকেই বহিষ্কার: যুবলীগ চেয়ারম্যান মাদক ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে: তথ্যমন্ত্রী ক্যাসিনোগুলো বিএনপি আমলেও ছিল, ব্যবস্থা নেয়নি: কাদের জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার পটুয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটানো প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার-৪ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর তিনটি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযান
১৮

কেন মুহাররমের নয় তারিখও সিয়াম পালন করবেন?

প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, মুহাররমের নয় তারিখ সিয়াম মুস্তাহাব হবার হিকমত প্রসঙ্গে আমাদের সাথি এবং অন্যান্য আলিমরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন—

এক. এর উদ্দেশ্য হলো, ইহুদিদের বিরোধিতা করা। কারণ তারা কেবল একটি অর্থাৎ মুহাররমের দশ তারিখ সিয়াম পালন করতো।

দুই. আশুরার দিনের সিয়ামকে অন্য আরেকটি সিয়ামের সম্পৃক্ত করা। যেমনিভাবে এককভাবে জুময়ার দিন সিয়াম পালন করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। ইমাম খাত্তাবি ও অন্যান্যদের মত এটি। 

তিন. দশ তারিখের সিয়ামের ক্ষেত্রে চন্দ্র গণনায় ত্রুটি হয়ে ভুলে পতিত হবার আশঙ্কা থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে। হতে পারে গণনায় নয় তারিখ, কিন্তু বাস্তবে তা দশ তারিখ। 

আহলে কিতাবের বিরোধিতাই এর মধ্যে সর্বাধিক শক্তিশালী কারণ। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বহু হাদিসে আহলে কিতাবদের সাদৃশ্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। যেমন, আশুরার ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন,

لَئِنْ عِشْتُ إلَى قَابِلٍ لاَصُومَنَّ التَّاسِعَ

‘যদি আমি আগামি বছর বেঁচে থাকি, তাহলে অবশ্যই নয় তারিখও সিয়াম রাখব।’ 

ইমাম ইবনু হাজার আসকালানি (রহ.) উপরোক্ত হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেছেন যে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নয় তারিখে সিয়াম পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করার উদ্দেশ্য এই নয় যে, তিনি কেবল নয় তারিখেই সিয়াম পালনের  ইচ্ছা করেছেন বরং তাঁর উদ্দেশ্য হচ্ছে, দশ তারিখের সিয়ামের সাথে নয় তারিখের সিয়ামকে সংযুক্ত করা। সাবধানতা বশত কিংবা ইহুদি-খৃস্টানদের বিরোধিতার জন্যে। এটিই অগ্রগণ্য মত। সহিহ মুসলিমের কিছু বর্ণনাও এদিকেই ইঙ্গিত করে। [আসকালানি, ফাতহুল বারি, ৪/২৪৫]

শুধু দশ তারিখ সিয়াম রাখার বিধান

ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেন, ‘আশুরার সিয়াম এক বছরের গুনাহের কাফফারা আর শুধুমাত্র আশুরার একদিন সিয়াম পালন মাকরুহ হবে না।’ [ইবনু তাইমিয়্যাহ, আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা]

ইবনু হাজার হায়সামি রচিত তুহফাতুল মুহতাজ গ্রন্থে আছে, ‘আশুরার ক্ষেত্রে কেবল দশ তারিখ একটি সিয়াম রাখাতে কোনো অসুবিধা নেই।’

এই বিভাগের আরো খবর