শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৯ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
উন্নত দেশ গড়তে বেসরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুজিববর্ষে বিএনপিকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে: কাদের ভণ্ডপীরসহ ৯ জনের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রী সব সময় শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন: পরিকল্পনামন্ত্রী মুজিব বর্ষে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে: শিল্প প্রতিমন্ত্রী আসন্ন সেচ মৌসুমে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা নেই : বিদ্যুৎ বিভাগ একুশে পদক হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুক্রবার একুশে পদক মেধা ও মনন চর্চার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করবে : রাষ্ট্রপতি আজ একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী এনামুল বাছিরের পদোন্নতির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা করা হবে : অর্থমন্ত্রী মুঠোফোন প্রতারক জিনের বাদশা গ্রেফতার করোনাভাইরাস নিয়ে গুজবে কান দিবেন না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগর তীরে উঁচু স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও না করলে দেশ আরো এগিয়ে যেত : তথ্যমন্ত্রী শহীদ দিবসে জঙ্গি হামলার কোনো সম্ভাবনা নেই : ডিএমপি কমিশনার দেশে ব্রয়লারসহ কোন পশু-পাখির মধ্যে করোনা পাওয়া যায়নি : আইইডিসিআর বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ এখন অনুকরণীয়: শ ম রেজাউল ওআইসিকে শক্তিশালী করতে চাই: ড. মোমেন
৪৬৮

ক্যাসিনো ইস্যুতে গ্রেফতার হচ্ছেন মির্জা আব্বাস,ফখরুল ও নজরুল

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 যুবদলের সাবেক নেতা ও মাফিয়া ঠিকাদার জি কে শামীমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে গ্রেপ্তার হতে যাচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ও নজরুল ইসলাম খান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জি কে শামীমের পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়ে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খানের নাম জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, জি কে শামীম বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। মির্জা আব্বাসের তত্ত্বাবধানেই জি কে বিল্ডার্সসহ তার অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছেন শামীম। এই প্রেক্ষাপটে যেকোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তার হতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান।

জানা গেছে যে, মির্জা আব্বাসের হাত ধরেই জি কে শামীমের উত্থান। বিগত বিএনপির শাসনামলে মির্জা আব্বাস যখন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ছিলেন তখনই গণপূর্তে ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করেন শামীম। তার গডফাদার ছিলেন মির্জা আব্বাস।

এদিকে জি কে শামীমের অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা, অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রীর সঙ্গে একটি খাতাও খুঁজে পায়। ওই খাতায় দেখা যায় যে, বিএনপি শীর্ষস্থানীয় নেতা মির্জা আব্বাস এবং নজরুল ইসলাম খানকে নিয়মিত অর্থ দিতেন জি কে শামীম। উক্ত খাতাটি এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে। মির্জা আব্বাস এবং নজরুল ইসলাম খান শামীমের কাছ থেকে যে নিয়মিত টাকা পেতেন সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই টাকার অংকটা কোটির ঘরে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। মির্জা আব্বাস এবং নজরুল ইসলাম খান বাদে আর কোন নেতা জি কে শামীমের কাছ থেকে টাকা পেতেন তা নিয়েও তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে জি কে শামীমের ব্যবসায়িক কার্যালয় জি কে বিল্ডার্স থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকাও উদ্ধার হয়।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর