মঙ্গলবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৫ ১৪২৬   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস: সর্বত্র সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা ও ইসরায়েলের কমান্ডাররাও পালানোর পথ খুঁজে পাবে না সাকিবকে ওজন কমাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষে সব সরকারি কলেজে বসবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য শিল্প-বৈদেশিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নামজারি ৭ দিনে মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে যেসব খাবার নেহা-আদিত্যর বিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি সোয়া ৯ কোটি টাকা আত্মসাতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা আড়ংয়ের ট্রায়াল রুমে গোপনে ভিডিও,গ্রেপ্তার -১ নৌকার গণজোয়ারে দিশেহারা বিএনপি প্রার্থী: তাপস এবার বিএনপি ছাড়ছেন কোষাধ্যক্ষ সিনহা! নারীর নিরাপত্তায় ৪৮ হাজার এলইডি লাইট লাগানোর প্রতিশ্রুতি আতিকের দেশে বর্তমানে মাদরাসার সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার সীমান্তে বিজিবির অভিযান, দেড় কেজি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার আতিকের নির্বাচনী কার্যালয়ে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক হাতিরঝিল—বনশ্রী হয়ে চট্টগ্রাম রোডে মিলবে পৃথক চারলেন ব্যাংককের ইমিগ্রেশন হচ্ছে শাহ আমানত বিমানবন্দরেও চীনে আটকে পড়াদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট পাঠাবে সরকার
৪৫৯

ক্যাসিনো ইস্যুতে গ্রেফতার হচ্ছেন মির্জা আব্বাস,ফখরুল ও নজরুল

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 যুবদলের সাবেক নেতা ও মাফিয়া ঠিকাদার জি কে শামীমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে গ্রেপ্তার হতে যাচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ও নজরুল ইসলাম খান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জি কে শামীমের পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়ে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খানের নাম জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, জি কে শামীম বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। মির্জা আব্বাসের তত্ত্বাবধানেই জি কে বিল্ডার্সসহ তার অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছেন শামীম। এই প্রেক্ষাপটে যেকোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তার হতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান।

জানা গেছে যে, মির্জা আব্বাসের হাত ধরেই জি কে শামীমের উত্থান। বিগত বিএনপির শাসনামলে মির্জা আব্বাস যখন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ছিলেন তখনই গণপূর্তে ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করেন শামীম। তার গডফাদার ছিলেন মির্জা আব্বাস।

এদিকে জি কে শামীমের অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা, অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রীর সঙ্গে একটি খাতাও খুঁজে পায়। ওই খাতায় দেখা যায় যে, বিএনপি শীর্ষস্থানীয় নেতা মির্জা আব্বাস এবং নজরুল ইসলাম খানকে নিয়মিত অর্থ দিতেন জি কে শামীম। উক্ত খাতাটি এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে। মির্জা আব্বাস এবং নজরুল ইসলাম খান শামীমের কাছ থেকে যে নিয়মিত টাকা পেতেন সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই টাকার অংকটা কোটির ঘরে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। মির্জা আব্বাস এবং নজরুল ইসলাম খান বাদে আর কোন নেতা জি কে শামীমের কাছ থেকে টাকা পেতেন তা নিয়েও তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে জি কে শামীমের ব্যবসায়িক কার্যালয় জি কে বিল্ডার্স থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকাও উদ্ধার হয়।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর