মঙ্গলবার   ১৯ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
লবণের দাম বাড়ালে জেল-জরিমানা : বাণিজ্যমন্ত্রী লবণ নিয়ে গুজবে কান দিবেন না: শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের মধ্যে ১০০০ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেবে সরকার পদ্মাসেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান সেনা কল্যাণ সংস্থার চারটি স্থাপনা উদ্বোধন মালিতে জঙ্গি হামলায় ২৪ সেনা নিহত কন্যা সন্তানের জনক হলেন তামিম কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী : ৫৪ স্থানে বসছে ক্ষণ গণনার ডিসপ্লে পদ্মা সেতুর ১৬তম স্প্যান বসছে আজ কার্গো বিমানে পেঁয়াজের প্রথম চালান আসছে আজ আজ দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসি রায় দিলে সু চি অন্য দেশে পালালেও গ্রেফতার হবেন: শাহরিয়ার পেঁয়াজ পৌঁছাবে মঙ্গলবার, নাগালে আসবে দাম : বাণিজ্য সচিব রিফাত হত্যা: পেছালো ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নতুন সড়ক আইন বাস্তবায়নে বাড়াবাড়ি না করার নির্দেশ গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরাসির পাওনা: আপিলে আদেশ রোববার আবরার হত্যা : চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা মঙ্গলবার ১৪ দলের সভা আবরার হত্যা : চার্জশিট গ্রহণের শুনানি দুপুরে
৩১

গান-বাজনার সয়লাব : কিয়ামতের আলামত

প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০১৯  

 

আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবিজি (সা.) বলেছেন, ‘শেষ যুগে এই উম্মতের এক সম্প্রদায়কে বানর ও শূকরে বিকৃত করে দেওয়া হবে।’
সাহাবিরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, তারা কি আল্লাহ এক ও মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল হওয়ার সাক্ষ্য দেয় না?’
নবিজি (সা.) বললেন, ‘হ্যাঁ তারা রোজা রাখে, নামাজ পড়ে এবং হজও আদায় করে।’ 
সাহাবিরা বললেন, ‘তাহলে তাদের অপরাধ কী?’
নবিজি (সা.) বললেন, ‘তারা ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকা মহিলা বরণ করবে। এই লোকগুলো আমোদ-প্রমোদ ও মদ্যপানে মত্ত অবস্থায় রাত কাটাবে। সকালে দেখা যাবে, তাদের বানর ও শূকরে বিকৃত করে দেওয়া হয়েছে।’ [আসবাহানি, হিলয়াতুল আউলিয়া : ৩/১১৯-১২০] 

সাহল বিন সা'দ (রা.) থেকে বর্ণিত। নবিজি (সা.) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের মাঝে ধ্বংস, পাথরবৃষ্টি এবং চেহারা বিকৃতকরণ শাস্তি আসবে।’
সাহাবায়ে কেরাম বললেন, ‘হে রাসুল! কবে এই আজাব আসবে?’
নবিজি (সা.) বললেন, ‘যখন বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকা মহিলাদের খুব বিস্তার ঘটবে আর মদকে হালাল মনে করা হবে।’ [তাবারানি, আলমুজামুল কাবির : ৬/১৫০; তিরমিযি, আসসুনান : ২২১৩; সনদ হাসান] 

আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন কেউ উচ্চস্বরে গান ধরে, আল্লাহ তায়ালা তার কাছে দুইটা শয়তান পাঠান, যারা তার দুই কাঁধে বসে সে গান থেকে বিরত হওয়া পর্যন্ত তার বুকে আঘাত করতে থাকে।’ [ইবনু হাযম, আলমুহাল্লা : ৯/৫৮] 

ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ (রহ.) বলেছেন, ‘গান হলো অন্তরের মাদক।’ 

‘আর মানুষের মধ্যে থেকে কেউ কেউ অজ্ঞতাবশত আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য ‘বেহুদা কথা’ ক্রয় করে, আর তারা সেগুলো নিয়ে হাসি-ঠাট্টায়  লিপ্ত হয়। তাদের জন্য রয়েছে লজ্জাজনক আযাব। [সুরা লুকমান, ৩১ : ৬] 

এ আয়াত দ্বারা কী উদ্দেশ্য সে বিষয়ে সাহাবিদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত তাফসিরকার আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, ‘এটা গান-বাজনা এবং এ জাতীয় কিছুকেই বুঝায়।’ 

আরেক প্রসিদ্ধ সাহাবি ইবনু মাসউদ (রা.) তো আরও জোরালো ভাষায় বলেছেন, ‘আমি সেই সত্তার কসম করে বলছি, যাকে ছাড়া কোন কল্যাণ নেই, এখানে গানের কথা বলা হয়েছে।’ 

যারা গান গায় এবং গান শুনে তাদের উভয়ের জন্য এই আয়াতে রয়েছে চরম ধমকি। তাদের জন্য আছে অবমাননাকর শাস্তি। 

এই বিভাগের আরো খবর