বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৭ ১৪২৬   ০৭ শা'বান ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত
২১

চীন থেকে ফল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা সরকারের

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া চীন থেকে ফল আমদানিতে ব্যবসায়ীদের নিরুৎসাহিত করছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ফল আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

চীন থেকে বাংলাদেশে ফল আমদানি হয় এবং এ ফলের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে কিনা- সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিমুল হক ইসা বলেন, ‘চীনে নববর্ষের ছুটি ছিল গত ২০ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর আগে যেগুলো এলসি সেগুলো আসছে, বাকিগুলো তারা বন্ধ করে রেখেছে। ওরাও লেবার পাচ্ছে না এক্সপোর্ট করার জন্য, এজন্য সে ফল আসবে না। রোজার মধ্যে সমস্যা হবে না, কারণ আমরা মালদ্বীপ, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফল আমদানি শুরু করেছি।’

চীনের করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি না হলে রোজার সময় ফলের সরবরাহে প্রভাব পড়বে কিনা- এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘রোজার সময় আমরা মূলত খেজুর খেয়ে থাকি। সেই সময় অনেক গরম থাকবে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গরম পড়লে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব কমে যায়।’

‘এ মুহূর্তে আমদানিকারকদের চীন থেকে ফল আমদানিতে ডিসকারেজ (নিরুৎসাহিত) করব আমরা। এটা নিরুৎসাহিত করব। যদিও ফলের মাধ্যমে এ ভাইরাস আসে না’, বলেন আব্দুর রাজ্জাক।

কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, ‘এ ভাইরাসটা হিউম্যান হোস্ট ছাড়া অন্য মসলা বা ফলের মাধ্যমে ছড়ায় এ রকম কোনো নিউজ (সংবাদ) আন্তর্জাতিক বা দেশীয় গণমাধ্যমে আসেনি। চীনে নিউ ইয়ারের পর যেসব আমদানি শুরু হওয়ার কথা তা আসেনি। আমরা মনে করি না ফল বা মসলার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে।’

ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, দেশে প্রচুর পরিমাণে ফল উৎপাদন হচ্ছে। দেশে আম, তরমুজ প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন না হলেও আমদানি হচ্ছে। এসব আমদানি বন্ধ করা উচিত।

সভায় কলা, লিচু, আনারসের আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে প্রক্রিয়াজাত কারখানা স্থাপনে সরকারের সহযোগিতা চান ব্যবসায়ীরা। ফল রফতানির জন্য প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং কারখানা করার জন্য ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন কৃষিমন্ত্রী।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর