বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৬ ১৪২৬   ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ধর্ষকদের ধরিয়ে দিন, কঠোর ব্যবস্থা নেবো: প্রধানমন্ত্রী টাকা না থাকলে এত উন্নয়ন কাজ করছি কীভাবে : প্রধানমন্ত্রী সব ব্যথা চেপে রেখে দেশের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী ট্রেনে খোলা খাবার বিক্রি ও প্লাস্টিকের কাপ নিষিদ্ধ হচ্ছে মজুদ গ্যাসে চলবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত : খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গুজব-অপপ্রচার রোধে কাজ করছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি : তথ্যমন্ত্রী সব কারখানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ আজ বাংলাদেশ-নেপাল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সরকার-জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সাংসদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে : নাসিম ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়ন নজরদারিতে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০০ মেট্রিক টন মধু রফতানির অর্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ : কৃষিমন্ত্রী নয় বছরে সাড়ে ৯৭ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দেশে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের মাত্রা ক্ষতিকর নয় : বিটিআরসি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের
৪৭

চুইংগাম অসাবধানতাবশত গিলে ফেললে কি মারাত্মক বিপদ?

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

চুইংগাম আসলে চুইং বা চিবানোর জন্য। খাওয়ার জন্য না। তারপরও মাঝে মধ্যে অনেকেই চুইংগাম অসাবধানতাবশত গিলে ফেলে। জানেন কি, চুইংগাম কীভাবে তৈরি করা হয়? 

সাধারণত এটি তৈরি হয় গাম বেস, চিনি, ফ্লেভার আর রং দিয়ে। তবে চুইংগাম গিলে ফেললে এটা নিয়ে এতোটা চিন্তা করার তেমন কিছুই নেই। কারণ অন্যসব খাবারের অবশিষ্টাংশের সঙ্গে এই চুইংগামও বেরিয়ে আসে বেশকিছু সময় পর।

অনেকেই বলে থাকেন, চুইংগাম পেটে সাত সাতটা বছর বসে থাকে! এসব পুরোপুরি ভুয়া তথ্য। চুইংগামে যেহেতু চিনি আর ফুডগ্রেড কালার আর ফ্লেভার থাকে সেগুলো আস্তে আস্তে আমাদের পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন প্রক্রিয়া আর এনজাইমের প্রভাবে পরিপাক হয়ে যায়। 

বাকি থেকে যায় শুধু গামটা। এই গামটা তখন আর তেমন আঠালো থাকে না যে এটা পরিপাক হওয়ার সময় কোনো স্থানে আটকে যাবে। এর কারণ হলো পরিপাকতন্ত্র সবসময়ই চেষ্টা করে গলা দিয়ে নামা সব জিনিসই পরিপাক করতে। যার কারণে গামের আটকে যাওয়ার ক্ষমতাটা ততটা কার্যকরী থাকে না আর।

এরপরও গামটা আস্ত থাকার কারণে এটি ধীর গতিতে আস্তে আস্তে খাদ্যনালী অতিক্রম করে পাকস্থলী, সেখান থেকে ক্ষুদ্রান্তের বিভিন্ন অংশে অর্থাৎ ডিওডেনাম, জেজুনাম আর তারপর ইলিয়াম অতিক্রম করে। তারপর প্রবেশ করে বৃহদন্ত্রে।

পুরো বৃহদন্ত্র ঘুরে বেড়ানো শেষ হলে কোলনের শেষে মলাশয়ে এসে উপস্থিত হয়। সবশেষে মল ত্যাগের সময় বের হয়ে যায়। সাধারণত চুইংগাম গিলে ফেলার ২ থেকে ৩ দিন পর এটা বের হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, এটা পেটে থাকা অবস্থায় গোলযোগ সৃষ্টি আর বদহজম হওয়া স্বাভাবিক। কারণ এতে স্বাভাবিকভাবে পরিপাক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। 

বরগুনার আলো