বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
নীলনদের তীরে মিললো ‘গুরুত্বপূর্ণ’ প্রাচীন কফিন    পর্দা নামলো ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড এক্সপোর কুষ্টিয়ায় শুরু হলো তিনদিন ব্যাপী লালনমেলা বাংলাদেশই বিশ্বসেরা, প্রবৃদ্ধি হবে ৭.৮ শতাংশ হাজার কোটি টাকার চেকের কপি প্রতারক চক্রের বাসায়! ৯ কর্মীকে তলব, একজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ইন্দোনেশিয়া থেকে সরাসরি পণ্য আমদানির সুযোগ চায় বাংলাদেশ পার্বত্য জেলায় সন্ত্রাস-মাদক নির্মূল করা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক সহকারী কর কমিশনারকে গ্রেপ্তার করল দুদক র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ পেলেই শাস্তি: আইনমন্ত্রী একাদশ সংসদের পঞ্চম অধিবেশন শুরু ৭ নভেম্বর যেখানে দুর্নীতি-টেন্ডারবাজি সেখানে অভিযান- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাহাদ হত্যা মামলায় বিশেষ প্রসিকিউশন টিম হবে: আইনমন্ত্রী ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিতে বাকু যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর বিএসএমএমইউয়ে বিশ্ব অ্যানেসথেসিয়া ও মেরুদণ্ড দিবস পালিত মুন্সিগঞ্জের ১৩টি সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ধারাবাহিকতার কারণেই উন্নয়ন প্রকল্প গতিশীল: প্রধানমন্ত্রী
১৩

চুইংগাম অসাবধানতাবশত গিলে ফেললে কি মারাত্মক বিপদ?

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

চুইংগাম আসলে চুইং বা চিবানোর জন্য। খাওয়ার জন্য না। তারপরও মাঝে মধ্যে অনেকেই চুইংগাম অসাবধানতাবশত গিলে ফেলে। জানেন কি, চুইংগাম কীভাবে তৈরি করা হয়? 

সাধারণত এটি তৈরি হয় গাম বেস, চিনি, ফ্লেভার আর রং দিয়ে। তবে চুইংগাম গিলে ফেললে এটা নিয়ে এতোটা চিন্তা করার তেমন কিছুই নেই। কারণ অন্যসব খাবারের অবশিষ্টাংশের সঙ্গে এই চুইংগামও বেরিয়ে আসে বেশকিছু সময় পর।

অনেকেই বলে থাকেন, চুইংগাম পেটে সাত সাতটা বছর বসে থাকে! এসব পুরোপুরি ভুয়া তথ্য। চুইংগামে যেহেতু চিনি আর ফুডগ্রেড কালার আর ফ্লেভার থাকে সেগুলো আস্তে আস্তে আমাদের পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন প্রক্রিয়া আর এনজাইমের প্রভাবে পরিপাক হয়ে যায়। 

বাকি থেকে যায় শুধু গামটা। এই গামটা তখন আর তেমন আঠালো থাকে না যে এটা পরিপাক হওয়ার সময় কোনো স্থানে আটকে যাবে। এর কারণ হলো পরিপাকতন্ত্র সবসময়ই চেষ্টা করে গলা দিয়ে নামা সব জিনিসই পরিপাক করতে। যার কারণে গামের আটকে যাওয়ার ক্ষমতাটা ততটা কার্যকরী থাকে না আর।

এরপরও গামটা আস্ত থাকার কারণে এটি ধীর গতিতে আস্তে আস্তে খাদ্যনালী অতিক্রম করে পাকস্থলী, সেখান থেকে ক্ষুদ্রান্তের বিভিন্ন অংশে অর্থাৎ ডিওডেনাম, জেজুনাম আর তারপর ইলিয়াম অতিক্রম করে। তারপর প্রবেশ করে বৃহদন্ত্রে।

পুরো বৃহদন্ত্র ঘুরে বেড়ানো শেষ হলে কোলনের শেষে মলাশয়ে এসে উপস্থিত হয়। সবশেষে মল ত্যাগের সময় বের হয়ে যায়। সাধারণত চুইংগাম গিলে ফেলার ২ থেকে ৩ দিন পর এটা বের হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, এটা পেটে থাকা অবস্থায় গোলযোগ সৃষ্টি আর বদহজম হওয়া স্বাভাবিক। কারণ এতে স্বাভাবিকভাবে পরিপাক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।