বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সড়ক পরিবহন আইনের অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’- কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত কোন অপপ্রচারে কান না দিতে জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘গোলাপি’ যাত্রা রাঙ্গাতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানের দেশ: প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় আ. লীগের অভ্যর্থনা উপকমিটির সভা ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আইভোরি কোস্টের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সশস্ত্র বাহিনী জাতির গর্বের প্রতীক : রাষ্ট্রপতি আজ বিশ্ব টেলিভিশন দিবস সারাদেশের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন লিখতে হবে স্পষ্ট অক্ষরে: হাইকোর্ট আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস শাহজালালে পৌঁছেছে পাকিস্তানের ৮২ টন পেঁয়াজ ক্রিকেটের সঙ্গে টেনিসও এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
২১৫২

জনসন বেবি পাউডার ও শ্যাম্পু বিক্রিতে সতর্কতা

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৯  

জনসন অ্যান্ড জনসন বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থের উপস্থিতি পাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এ দু’টি পণ্য বিক্রিতে সতর্কতা দিয়েছে ভারতের জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন (এনসিপিসিআর)। একইসঙ্গে প্রসাধনী দু’টির গুণমান পরীক্ষার রিপোর্টও যত শিগগির জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

আমেরিকান বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে বিষাক্ত অ্যাসবেস্টস ও কারসিনোজেনিকের মতো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর এনসিপিসিআর এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।

সম্প্রতি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি শ্যাম্পুর নমুনা পরীক্ষা করে রাজস্থানের ড্রাগস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন জানায়, শ্যাম্পুটি একেবারেই নিরাপদ নয়, এতে এমন পদার্থ রয়েছে, যাতে শ্যাম্পুটির ব্যবহারে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে শিশুর। 

এরপর জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুর মান পরীক্ষার ফলাফল রিপোর্ট এনসিপিসিআরে দেওয়ার জন্য রাজস্থানের পাশাপাশি আসাম, অন্ধ্র প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

যদিও প্রস্তুতকারক সংস্থা শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, জনসন অ্যান্ড জনসন প্রসাধনী একেবারেই নিরাপদ এবং সমস্ত নিয়ম মেনেই তা তৈরি হয়েছে। 

এ বিষয়ে এনসিপিসিআরের প্রধান প্রিয়াঙ্ক কানুনগো সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের শিশুদের জন্য মানহীন বা ক্ষতিকর কোনো পণ্য আমরা কাউকে বেচতে দেবো না। শিশুদের গ্রাহক হিসেবে গণ্য করে সে মোতাবেক আচরণ করা কোনো কোম্পানিরই উচিত নয়, কারণ শিশুরা ভারতের ভবিষ্যৎ। শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এনসিপিসিআরের প্রধান করণীয়গুলোর একটি।’

এই বিভাগের আরো খবর