সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৭ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
পৃথিবীতে এত ধর্ম কেন? ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদকবিক্রেতা আটক কাজাখস্তান গেলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দিনে ১০ হাজারের বেশি কনটেইনার হ্যান্ডলিং হচ্ছে বন্দরে বিএনপির ৩ নেতাকে নিয়মিত টাকা দিতেন জি কে শামীম এক মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে ২০ লাখ : বিটিআরসি সেই ডিসির নারী কেলেঙ্কারির সত্যতা বাচ্চাকে মারধর করায় থানা ঘেরাও হনুমানের! বাচ্চাকে মারধর করায় থান জাতীয় নারী দাবায় শীর্ষস্থানে রানী হামিদ ইউজিসির কাঠগড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ভিসি ক্যাসিনোতে মিলল ধর্মীয় উপাসনা সামগ্রী! বিজয়নগর সায়েম টাওয়ার থেকে ১৭ জুয়ারী আটক ১৩ নেপালিকে মোটা অংকের বেতনে রাখা হয় জুয়া চালাতে স্পা সেন্টার থেকে আটক ১৬ নারী, ৩ পুরুষ আরও ১০ লক্ষ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান করা হবে- পলক আবুধাবি থেকে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী অজুহাতে কাজ আটকে রাখলে কঠোর ব্যবস্থা: গণপূর্তমন্ত্রী ব্যাংক নোটের আদলে টোকেন ব্যবহার করা যাবে না ঢাকা আসছেন বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের দূত ৭০ বছরে আ’লীগ অনেক চড়াই-উতরাই পার করেছে: পলক
২০৭৫

জনসন বেবি পাউডার ও শ্যাম্পু বিক্রিতে সতর্কতা

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৯  

জনসন অ্যান্ড জনসন বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থের উপস্থিতি পাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এ দু’টি পণ্য বিক্রিতে সতর্কতা দিয়েছে ভারতের জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন (এনসিপিসিআর)। একইসঙ্গে প্রসাধনী দু’টির গুণমান পরীক্ষার রিপোর্টও যত শিগগির জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

আমেরিকান বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে বিষাক্ত অ্যাসবেস্টস ও কারসিনোজেনিকের মতো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর এনসিপিসিআর এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।

সম্প্রতি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি শ্যাম্পুর নমুনা পরীক্ষা করে রাজস্থানের ড্রাগস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন জানায়, শ্যাম্পুটি একেবারেই নিরাপদ নয়, এতে এমন পদার্থ রয়েছে, যাতে শ্যাম্পুটির ব্যবহারে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে শিশুর। 

এরপর জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুর মান পরীক্ষার ফলাফল রিপোর্ট এনসিপিসিআরে দেওয়ার জন্য রাজস্থানের পাশাপাশি আসাম, অন্ধ্র প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

যদিও প্রস্তুতকারক সংস্থা শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, জনসন অ্যান্ড জনসন প্রসাধনী একেবারেই নিরাপদ এবং সমস্ত নিয়ম মেনেই তা তৈরি হয়েছে। 

এ বিষয়ে এনসিপিসিআরের প্রধান প্রিয়াঙ্ক কানুনগো সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের শিশুদের জন্য মানহীন বা ক্ষতিকর কোনো পণ্য আমরা কাউকে বেচতে দেবো না। শিশুদের গ্রাহক হিসেবে গণ্য করে সে মোতাবেক আচরণ করা কোনো কোম্পানিরই উচিত নয়, কারণ শিশুরা ভারতের ভবিষ্যৎ। শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এনসিপিসিআরের প্রধান করণীয়গুলোর একটি।’

এই বিভাগের আরো খবর