সোমবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৩ ১৪২৬   ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিদেশের মসজিদে আর অর্থ দেবে না সৌদি গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সামগ্রী নিয়ে আর্কাইভ হচ্ছে এত সুন্দরভাবে নির্বাচন হচ্ছে কীভাবে: ইসি সচিব জমাদিউস সানি শুরু আজ ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগালেন ব্র্যাড পিট ও জেনিফার অ্যানিস্টন বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে ৫ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আজ ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস অটোমেশনে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ধর্ষণ থেকে রক্ষায় জাবি শিক্ষার্থীর অ্যাপ তৈরি ইশরাকের অভিযোগ অমূলক : তাপস বিশ্বের প্রাণঘাতী ৭টি ভাইরাস দ্রুত পেটের চর্বি গলাবে জাপানিজ এই পানীয় ফেসবুকে অযাচিত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট আটকাবেন যেভাবে ইসলামের মুদ্রাব্যবস্থা স্বর্ণ-রৌপ্যনির্ভর জমাদিউস সানি শুরু সোমবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনায় সুপ্রিমকোর্টে ঘড়ি স্থাপন তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট আফতাবনগরে মানবপাচার চক্রের সন্ধান, আটক ১৩ রোহিঙ্গা নারী একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২২৩৮

জনসন বেবি পাউডার ও শ্যাম্পু বিক্রিতে সতর্কতা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৯  

জনসন অ্যান্ড জনসন বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থের উপস্থিতি পাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এ দু’টি পণ্য বিক্রিতে সতর্কতা দিয়েছে ভারতের জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন (এনসিপিসিআর)। একইসঙ্গে প্রসাধনী দু’টির গুণমান পরীক্ষার রিপোর্টও যত শিগগির জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

আমেরিকান বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে বিষাক্ত অ্যাসবেস্টস ও কারসিনোজেনিকের মতো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর এনসিপিসিআর এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।

সম্প্রতি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি শ্যাম্পুর নমুনা পরীক্ষা করে রাজস্থানের ড্রাগস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন জানায়, শ্যাম্পুটি একেবারেই নিরাপদ নয়, এতে এমন পদার্থ রয়েছে, যাতে শ্যাম্পুটির ব্যবহারে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে শিশুর। 

এরপর জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুর মান পরীক্ষার ফলাফল রিপোর্ট এনসিপিসিআরে দেওয়ার জন্য রাজস্থানের পাশাপাশি আসাম, অন্ধ্র প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

যদিও প্রস্তুতকারক সংস্থা শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, জনসন অ্যান্ড জনসন প্রসাধনী একেবারেই নিরাপদ এবং সমস্ত নিয়ম মেনেই তা তৈরি হয়েছে। 

এ বিষয়ে এনসিপিসিআরের প্রধান প্রিয়াঙ্ক কানুনগো সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের শিশুদের জন্য মানহীন বা ক্ষতিকর কোনো পণ্য আমরা কাউকে বেচতে দেবো না। শিশুদের গ্রাহক হিসেবে গণ্য করে সে মোতাবেক আচরণ করা কোনো কোম্পানিরই উচিত নয়, কারণ শিশুরা ভারতের ভবিষ্যৎ। শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এনসিপিসিআরের প্রধান করণীয়গুলোর একটি।’

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর