শুক্রবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১০ ১৪২৬   ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
চিকিৎসকদের ফি নির্ধারণ করে দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন কাল পদ্মাসেতুতে বসলো ২২তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৩৩০০ মিটার জাতীয় প্রশিক্ষণ দিবস আজ এ খাবারগুলো খেলেই বিপদ! ১২৭ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে জ্বালানি শেষ, অতঃপর...! জাদুকরী স্বপ্ন দেখাব না : তাপস কাউকে তাড়ানোর আগে আমাকে ভারত ছাড়া করতে হবে : মমতা গণতন্ত্র সূচকে ৮ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের র‌্যাবের নামে চাঁদা দাবির ঘটনায় আটক ১ ছাত্রীদের টিফিনের টাকায় বঙ্গবন্ধুর হাজারো ছবি কক্সবাজার সৈকতে জাকাত না দেয়ার করুণ পরিণতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ স্বর্ণদ্বীপ যাচ্ছেন ভারতে শিরোপা জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা সারওয়ার আলীকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার ধনী হতে চাইলে রপ্ত করুন এই ১২টি অভ্যাস নিরাপদে লাহোর পৌঁছেছেন টাইগাররা আজ আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ক্যাসিনো ব্রাদার্সের ১৩০ ফ্ল্যাটের খোঁজ ফার্নিচার রপ্তানি ১০ কোটি ডলার ছাড়াবে

ইতিহাসের এই দিনে

জহির রায়হানের জন্ম

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০১৯  

১৯৩৫ সালে জহির রায়হান, প্রখ্যাত বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার বর্তমান ফেনী জেলার অন্তর্গত মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।  ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করা জহির রায়হান ১৯৫০ সালে যুগের আলো পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি খাপছাড়া, যান্ত্রিক, সিনেমা ইত্যাদি পত্রিকাতেও কাজ করেন। ১৯৫৫ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়। চলচ্চিত্র জগতে তার পদার্পণ ঘটে ১৯৫৭ সালে, জাগো হুয়া সাবেরা ছবিতে সহকারী হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে। জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তার লেখা উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’, ‘আর কতো দিন’, ‘কয়েকটি মৃত্যু’, ‘আরেক ফাল্গুন’ উল্লেখযোগ্য। তার পরিচালিত চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলোর মধ্য থেকে ১৯৭০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জীবন থেকে নেয়া’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর জহির রায়হান ঢাকা ফিরে আসেন এবং তার নিখোঁজ ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারের সন্ধানে মিরপুরে যান। কিন্তু সেখান থেকে আর ফিরে আসেননি। তখন মিরপুর ছিল ঢাকা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত বিহারী অধ্যুষিত এলাকা এবং ধারণা করা হয় সেদিন বিহারী ও ছদ্মবেশী পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে তিনি নিহত হন। 

বরগুনার আলো