রোববার   ২৫ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ১০ ১৪২৬   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
‘মুখরোচক কথায় দালালের খপ্পরে পড়ে বিদেশ যাবেন না’- প্রধানমন্ত্রী আজ কুমিল্লায় পারিবারিক কবরস্থানে মোজাফফর আহমদের দাফন অ্যামাজন পুড়ছে, আমরা যেন না পুড়ি: পরিবেশমন্ত্রী জেলা সরকার এখন সময়ের দাবি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওএসডি হচ্ছেন জামালপুরের সেই ডিসি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: দীপু মনি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধায় সিক্ত অধ্যাপক মোজাফফর বরগুনায় উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসন মোজাফফর আহমদের মরদেহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা হাইভোল্টেজ ম্যাচে লড়বে লিভারপুল-আর্সেনাল গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে- কাদের আইভি রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা আইভী রহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ৯০ ভাগ ডেঙ্গু রোগী বাড়ি ফিরেছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সরকার হাল ছাড়েনি: ওবায়দুল কাদের ২৩ আগস্টের ঘটনায় সেনাবাহিনী দায়ী নয়-ঢাবি উপাচার্য যে করেই হোক রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবোই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা বিজয় দিবসের আগেই: মন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে দুর্দান্ত শুরু বাংলাদেশের
১৩৬

জাতীয় দলে উঠে আসা এক রুবেলের গল্প

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০১৯  

ক্রিকেটকে বলা হয় রাজকীয় খেলা। এই ক্রিকেটে দুই ধরনের বোলিংয়ের অন্যতম একটি হলো ফাস্ট বোলিং। অপরটি হচ্ছে স্পিন বোলিং। যিনি ফাস্ট বোলিংয়ে দক্ষ বা সিদ্ধহস্তের অধিকারী, তিনি সচরাচর ফাস্ট বোলার, ফাস্টম্যান, পেস বোলার অথবা ডি নামে পরিচিত। স্বতন্ত্রভাবে ফাস্ট বোলিংয়ের কলাকৌশল প্রয়োগের ফলে বোলারকে সুইং বোলার কিংবা সীম বোলার নামেও অভিহিত করা হয়। ঠিক তেমনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফাস্ট বলার হচ্ছেন মোহাম্মদ রুবেল হোসেন।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশী সময় ধরে। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভাল পার্রফরমেসের জন্য খুব প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি তিনি তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারসহ নানান বিষয় নিয়ে পাঠকদের জন্য তার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হল-

প্রশ্ন: কখন থেকে ক্রিকেট খেলার প্রতি আপনার আগ্রহ শুরু হয়?
রুবেল হোসেন: এটা তো অনেক আগের প্রশ্ন করছেন। আসলে ক্রিকেট খেলতাম অনেক ছোটবেলা থেকে। যখন আমি ক্রিকেট খেলাটা বুঝা শুরু করেছি তখন থেকেই ক্রিকেট খেলি। তখন আসলে ফাইভ স্টার বল আর টেনিস বল দিয়েই খেলতাম।

প্রশ্ন: কিভাবে এতো দূর আসলেন?
রুবেল হোসেন: আমি আসলে গ্রামীনফোন পেসার হান্ট থেকেই এই লেবেলে আসি। তার আগে আমি খুলনায় প্রিমিয়ার লিগ খেলতাম। বাগেরহাটে লিগ খেলতাম ঢাকা থার্ড ডিভিশন খেলতাম। আমি মূলত গ্রামীনফোন পেসার হান্ট থেকেই জাতীয়ব পর্যায়ে আসা।

প্রশ্ন: যখন প্রথম জাতীয় দলে সুযোগ পেলেন তখনের অনুভূতিটা কেমন ছিল?
রুবেল হোসেন: যখন আমি জাতীয় দলে ডাক পাই তখন আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। জাতীয় দলের খেলা একটা গর্বের বিষয় সবার তো আর জাতীয় দলে খেলার সুযোগ হয় না। আপনি দেখবেন প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জাতীয় খেলার স্বপ্ন থাকে ইচ্ছা থাকে। আমারও তো সপ্ন ছিলো ইচ্ছা ছিলো। তাই আমি যখন জাতীয় দিলে ডাক পাই তখন আমার খুবই ভালো লাগছে।

প্রশ্ন: দেশের একজন সেরা খেলোয়াড় হিসেবে জাতীয় দল নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?
রুবেল হোসেন: স্বপ্ন বলতে আসলে দেখেন জাতীয় দলে আমি ১০ বছর ধরে খেলছি। আমি চাই আমি যখন খেলা ছেড়ে দিবো মানুষ যাতে বলে রুবেল যতদিন খেলেছে ভালো ক্রিকেট খেলেছে। আমার নামটা মানুষের মুখে মুখে শুনতে চাই আর যতদিন খেলবো ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। আর ভালো ভালো ম্যাচ বাংলাদেশ দলকে উপহার দিবো।

প্রশ্ন: আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?
রুবেল হোসেন: বিশ্বকাপ নিয়ে আমার পরিকল্পনা ভিন্ন। বিশ্বকাপটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি যদি বিশ্বকাপে সুযোগ পাই তাহলে ভালো খেলার চেষ্টা করবো আর আমি চাইবো বাংলাদেশের সামনে যদি ঐ রকম সুযোগ আসে ম্যাচ জিততেই হবে আমি সেই ম্যাচ জিতার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চাই। সর্বশেষ ২০১৫ সালে আমি একটা ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলাম। এরকম যদি হয় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। অবশ্য বিশ্বকাপে সকল ফাস্ট বোলারই চায় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারে মধ্যে তার নাম থাকতে। আমিও চাইবো কয়েক জনের ভিতরে যাতে আমার নামটা থাকে।

প্রশ্ন: অবসর সময় কিভাবে কাটান?
রুবেল হোসেন: অবসর সময় মূলত আমি বাসায়ই থাকি। আমাদের মূলত এক দুই দিন পর পর খেলা থাকে তো তাই বাসায় ফ্যামিলিকেই সময় দেই।

প্রশ্ন: সংসার জীবন কেমন কাটছে?
রুবেল হোসেন: আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো।

প্রশ্ন: শীঘ্রই সন্তান নেওয়ার কোনো সম্ভাবনা আছে কি?
রুবেল হোসেন: এটা আসলে আল্লাহপাকের ইচ্ছা আল্লাহপাক যেদিন কবুল করবেন তখনিই হবে।

প্রশ্ন: আগামী বিশ্বকাপক নিয়ে দলকে কি পরামর্শ দিবেন?
রুবেল হোসেন: আমার কাছে যেটা মনে হয় আমরা সবাই যদি আমাদের নিজেদের সেরাটা দিতে পারি তাহলে হয়তোবা আমরা ভালো একটা রেজাল্ট করতে পারবো। যেহুতে সেখানে আমাদের কন্ডিশন খেলা না। ঐখানে টোটালি ডিফারেন্ট একটা কন্ডিশন। অবশ্য আমারা ঐখানে অনেক আগেই যাবো তাহলে সব কিছুর সাথে আমারা আমাদের মিলিয়ে নিতে সুযোগ পাবো। আর আমাদের খেলোয়ার যদি মাঠে সেরাটা দিতে পারে তাহলে আমাদের টিমটা ভালো রেজাল্ট পাবে। আমাদের পেস বোলাররা যারা যাবে যারা সুযোগ পাবে তাদের জন্য অনেকটা চ্যালেঞ্জিং হবে।