শুক্রবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১০ ১৪২৬   ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
চিকিৎসকদের ফি নির্ধারণ করে দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন কাল পদ্মাসেতুতে বসলো ২২তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৩৩০০ মিটার জাতীয় প্রশিক্ষণ দিবস আজ এ খাবারগুলো খেলেই বিপদ! ১২৭ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে জ্বালানি শেষ, অতঃপর...! জাদুকরী স্বপ্ন দেখাব না : তাপস কাউকে তাড়ানোর আগে আমাকে ভারত ছাড়া করতে হবে : মমতা গণতন্ত্র সূচকে ৮ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের র‌্যাবের নামে চাঁদা দাবির ঘটনায় আটক ১ ছাত্রীদের টিফিনের টাকায় বঙ্গবন্ধুর হাজারো ছবি কক্সবাজার সৈকতে জাকাত না দেয়ার করুণ পরিণতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ স্বর্ণদ্বীপ যাচ্ছেন ভারতে শিরোপা জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা সারওয়ার আলীকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার ধনী হতে চাইলে রপ্ত করুন এই ১২টি অভ্যাস নিরাপদে লাহোর পৌঁছেছেন টাইগাররা আজ আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ক্যাসিনো ব্রাদার্সের ১৩০ ফ্ল্যাটের খোঁজ ফার্নিচার রপ্তানি ১০ কোটি ডলার ছাড়াবে

জাপানে দক্ষ শ্রমিক রপ্তানির চুক্তি করেছে বাংলাদেশ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

জাপানে ১৪ খাতে দক্ষ শ্রমিক রপ্তানির চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। তবে কোন অনিয়ম কিংবা দুনীর্তির কারণে অন্য বাজারের মতো এই বাজার যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তার জন্য সরকারের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন অভিবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা। নানা কারণে মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে যখন বাংলাদেশি শ্রমিকরা ফিরে আসছেন তখন পূর্বের শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ জাপানে শ্রমশক্তির নতুন বাজার খুলে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার টোকিওতে দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় জাপানের ১৪টি খাতে বিশেষায়িত দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ তৈরি হলো। অবশ্য ২০১৭ সাল থেকেই কারিগরি শিক্ষানবিশ হিসেবে কিছু কিছি কর্মী যাচ্ছেন জাপানে।

নতুন চুক্তি অনুযায়ী জাপান আগামী পাঁচ বছরে শিল্পকারখানা, নির্মাণকাজ, কৃষি, অটোমোবাইল, সেবাদানকারীসহ ১৪টি খাতে দক্ষ জনশক্তি নেবে।

অবশ্য আগে থেকেই চীন, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, মিয়ানমারসহ আটটি দেশ জাপানে জনশক্তি পাঠাচ্ছে। সে হিসাবে বাংলাদেশ জাপানে নবম জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ হতে যাচ্ছে।

আগামী পাঁচ বছরে সাড়ে তিন লাখ বিদেশি কর্মী নেবে জাপান। স্বাভাবিকভাবেই যে দেশ বেশিসংখ্যক প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তির জোগান দিতে পারবে, সে দেশ থেকেই বেশিসংখ্যক কর্মি তারা নেবে।

ফলে জাপানে জনশক্তি রপ্তানির নতুন বাজার ধরতে দক্ষ ও বিশেষায়িত কর্মী তৈরির বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। বাস্তব যে অদক্ষ ও অপ্রশিক্ষিত জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ ভবিষ্যতে আরও কমে যাবে।

জাপানে জনশক্তি রপ্তানির জন্য বিশেষভাবে জোর দিতে হবে জাপানি ভাষা শিক্ষার ওপর। গত বছর মাত্র ১৬৩ জনকে জাপানে পাঠাতে পেরেছে বাংলাদেশ। চলতি বছর ৪০০ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই পর্যন্ত গেছেন ১১৯ জন। আরও প্রায় এক হাজার কর্মীর ভাষা প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।

এছাড়া, বিভিন্ন জেলার ২৭টি কেন্দ্রে ৪০ জন করে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বিএমইটি। চার মাস মেয়াদি জাপানি ভাষা শেখার এসব প্রশিক্ষণের পর পরীক্ষায় বসেন কর্মীরা। উত্তীর্ণ হলে আইএম জাপানের ব্যবস্থাপনায় আরও চার মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এরপর শিক্ষানবিশ হিসেবে তাঁদের জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রশিক্ষণের আওতা বাড়াতে গত ফেব্রুয়ারিতে বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তাদের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।

চুক্তি অনুযায়ী যাঁরা জাপানে চাকরি পাবেন, তাঁরা বিনা খরচে সেখানে যেতে পারবেন। কোনো অসাধু জনশক্তি রপ্তানিকারকের দ্বারা যাতে কেউ প্রতারিত না হন, সে বিষয়ে সরকারের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে মালয়েশিয়া একাধিকবার বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি আমদানি স্থগিত করেছে। জনশক্তি রপ্তানির নতুন বাজার জাপানের ক্ষেত্রে যেন এ রকম না হয়।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর