শনিবার   ১৭ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ২ ১৪২৬   ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
রবি শাস্ত্রীর পুনঃনিয়োগে নাখোশ ভারতীয় সমর্থকরা চামড়ার দরপতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার হবে: তথ্যমন্ত্রী বোর্ডের কাছে দুই মাসের সময় চাইলেন মাশরাফি মোটরসাইকেলসহ দুই চোর গ্রেফতার ডেঙ্গুজ্বর থেকে মুক্তি পেতে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ অ্যাপ চালু দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১৪ বছর আজ মেসিহীন হার দিয়ে লা লিগা শুরু বার্সার আজ থেকে হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু কবি শামসুর রাহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কবিরা গুনাহকারীরা কি চিরকাল জাহান্নামে থাকবে? মিরপুরে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে ২০ ইউনিট ১৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই বাড়তি ভাড়া আদায়ের অপরাধে ১৭ পরিবহনকে জরিমানা ‘সবসময় যারা আমাদের বাড়িতে ঘোরাঘুরি করতো তারাই সেই খুনি’   হাতঘড়ির ফ্যাশন ফিরে এসেছে দেশে শেখ হাসিনার জীবনই এখন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ : কাদের বিশ্বের আট গুরুত্বপূর্ণ শহরে ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন করা হবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতিতে জঙ্গি দমন সম্ভব হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৮

জেনে নিন জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্তটি

প্রকাশিত: ৯ আগস্ট ২০১৯  

শুক্রবার বা জুমার দিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ দিন। এ দিনের কিছু সময়ে আল্লাহ বান্দার দোয়া ফিরিয়ে দেন না বলে হাদিসে এসেছে। বিভিন্ন বর্ণনায় বিভিন্ন সময়ের কথা উল্লেখ হয়েছে। 

তবে জুমার দিনে দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সময় কোনটি সে সম্পর্কে মতানৈক্য থাকলেও দোয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে কারোর দ্বিমত নেই।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) আমাদের সঙ্গে একদিন শুক্রবারের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সেই সময়টায় যদি কোনো মুসলিম নামাজ আদায়রত অবস্থায় থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাস‍ূল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন।’ (বুখারি)।

আবু দারদা ইবনে আবু মুসা আশআরি (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি জুমার দিনের বিশেষ মুহূর্তটি সম্পর্কে বলেছেন, ইমামের মিম্বরে বসার সময় থেকে নামাজ শেষ করা পর্যন্ত সময়টিই সেই বিশেষ মুহূর্ত। (মুসলিম, মিশকাত)।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) হতে বর্ণিত রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘ইমাম মিম্বরে বসা থেকে  নামাজ শেষ করা পর্যন্ত।’ (মুসলিম, ইবনু খুজাইমা, বয়হাকি)।

রাসূল (সা.) থেকে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, জুমার দিনে ১২ ঘণ্টা রয়েছে। তাতে এমন একটা সময়ে রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর ক‍াছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব তোমরা আছরের শেষ সময়ে তা তালাশ করো। (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর : ১০৪৮, নাসাঈ, হাদিস নম্বর : ১৩৮৯)।

আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, শুক্রবারে আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআ’দ-এ বর্ণিত আছে, জুমার দিন আসরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়। (২/৩৯৪)।

ইমাম আহমদ (রহ.)-ও একই কথা বলেছেন। (তিরমিজির ২য় খণ্ডের ৩৬০ নম্বর পৃষ্ঠায় কথাটি উল্লেখ আছে)।

মোট কথা, জুমার দিনে বিশেষ একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে সময় আল্লাহ তায়ালা বান্দার দোয়া কবুল করে থাকেন। এ সময় সম্পর্কে আরো কিছু অভিমত তুলে ধরা হলো-

জুমার নামাজে সূরা ফাতিহার পর ‌আমিন বলার সময়। আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়ে। মুয়াজ্জিন আজান দেয়ার সময়। জুমার দিন সূর্য ঢলে পড়ার সময়। ইমাম খুতবা দেয়ার জন্য মিম্বরে দাঁড়ানোর সময়। উভয় খুতবার মধ্যবর্তী সময়। জুমার দিন ফজরের আজানের সময়। প্রত্যেক জুমায় আলাদা আলাদা সময়ে। 

গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য কথা হলো, দোয়া কবুলের সময়টি পুরোদিনের ভেতর লুকিয়ে আছে। পুরোপুরি নির্ধারিত না করার উদ্দেশ্য হলো, বান্দা যেন জুমার দিন সর্বদা ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়ায় মশগুল থাকে। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।

এই বিভাগের আরো খবর