শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২১ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
জলবায়ু আন্দোলনে গ্রেটার পাশে গোটা বিশ্ব জি কে শামীমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি এখন কারাগারে আজ বিশ্ব শান্তি দিবস সন্ধ্যায় মাঠে নামবে বাংলাদেশ কলাবাগান ক্লাব থেকে অস্ত্র-মাদক উদ্ধার, সভাপতিসহ আটক ৫ আবুধাবি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী আরো দুটি ক্লাব ঘিরে রেখেছে র‌্যাব যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোনো পদে নেই জি কে শামীম যুবলীগের যেই গ্রেফতার হবে তাকেই বহিষ্কার: যুবলীগ চেয়ারম্যান মাদক ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে: তথ্যমন্ত্রী ক্যাসিনোগুলো বিএনপি আমলেও ছিল, ব্যবস্থা নেয়নি: কাদের জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার পটুয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটানো প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার-৪ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১৩

ডায়ালাইসিস কখন দরকার ?

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০১৯  

দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ডায়ালাইসিস চিকিৎসায় যখন ওষুধ দ্বারা রোগীর কোনো উন্নতি হয় না তখনই রোগীকে ডায়ালাইসিস চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে। দীর্ঘমেয়াদি কিডনি বিকল হওয়া অর্থাৎ 'ক্রনিক রেনাল ফেইলিওর' শেষ স্তরে বা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস করা হয়ে থাকে। আর এই কার্যক্ষমতা যখন ৯৫ ভাগের বেশি থাকে না, তখনই ডায়ালাইসিস চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
শতকরা ৫০ ভাগ ডায়ালাইসিস রোগী হার্টের জন্য আর শতকরা ১৫ ভাগ ইনফেকশনজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করে থাকেন। এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। একটি রোগীকে এই চিকিৎসায় বেঁচে থাকতে বার্ষিক ব্যয় প্রায় তিন লাখ টাকা। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশে ক্রনিক রেনাল ফেইলিওর রোগীদের শতকরা ২০ ভাগের কম রোগী এই ডায়ালাইসিস চিকিৎসা পেয়ে থাকেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপাতালে বিনামূল্যে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া মিরপুর ২ নম্বরের কিডনি ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। ডায়ালাইসিসের সময় হেপাটাইটিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইডস এসব ভয়ানক রোগের সংক্রমণ যেন না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।

ডায়ালাইসিস দুই ধরনের : হেমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস
পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস :এই পদ্ধতিতে দুই লিটার ডায়ালাইসিস ফ্লুইড একটি নলের সাহায্যে পেটের পেরিটোনিয়াল ক্যাভিটিতে প্রবেশ করানো হয় এবং ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর আবার বের করে নেওয়া হয়। এভাবে ৪৮-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ডায়ালাইসিস চালানো হয়। ফলে শরীরের দূষিত পদার্থগুলো বের হয়ে আসে এবং রোগীর সুস্থতা ফিরে আসে। 
হেমোডায়ালাইসিস (রক্তের মাধ্যম) :হেমোডায়ালাইসিসের উদ্দেশ্য হচ্ছে কিডনি অকেজো হওয়ার ফলে রক্তে জমাকৃত রাসায়নিক পদার্থকে বাইরে বের করে দেওয়া।
এই চিকিৎসা দ্বারা তিন থেকে চার সপ্তাহ কয়েকবার ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কিডনি অকেজো (অ্যাকুইট রেনাল ফেইলিওর) রোগীদের সম্পূর্ণ ভালো করা সম্ভব।
দীর্ঘমেয়াদি কিডনি অকেজো রোগীদের নিয়মিত ডায়ালাইসিস করার জন্য এ-ভি ফিস্টুলা তৈরি করতে হয়।
সাধারণত হাতের কবজিতে এই ফিস্টুলা তৈরি করা হয়। ফিস্টুলা করার তিন থেকে চার সপ্তাহ পর এর মাধ্যমে ডায়ালাইসিস করা যায়।