সোমবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৩ ১৪২৬   ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সমালোচনা না করে দেশের সমস্যা সমাধানের আহ্বান তাজুলের বিদেশের মসজিদে আর অর্থ দেবে না সৌদি গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সামগ্রী নিয়ে আর্কাইভ হচ্ছে এত সুন্দরভাবে নির্বাচন হচ্ছে কীভাবে: ইসি সচিব জমাদিউস সানি শুরু আজ ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগালেন ব্র্যাড পিট ও জেনিফার অ্যানিস্টন বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে ৫ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আজ ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস অটোমেশনে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ধর্ষণ থেকে রক্ষায় জাবি শিক্ষার্থীর অ্যাপ তৈরি ইশরাকের অভিযোগ অমূলক : তাপস বিশ্বের প্রাণঘাতী ৭টি ভাইরাস দ্রুত পেটের চর্বি গলাবে জাপানিজ এই পানীয় ফেসবুকে অযাচিত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট আটকাবেন যেভাবে ইসলামের মুদ্রাব্যবস্থা স্বর্ণ-রৌপ্যনির্ভর জমাদিউস সানি শুরু সোমবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনায় সুপ্রিমকোর্টে ঘড়ি স্থাপন তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট আফতাবনগরে মানবপাচার চক্রের সন্ধান, আটক ১৩ রোহিঙ্গা নারী
৮৮৩

ডিআইজি মিজানের ভাগনে এসআই মাহমুদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০১৯  

আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে দুদকের করা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের ভাগনে এসআই মাহমুদুল হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন এসআই মাহমুদুল। অপরদিকে দুদকের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এসআই মাহমুদুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রেজাউল করিম ও কাজী নজিবুল্লাহ হিরু। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল ও জাহাঙ্গীর আলম।

এর আগে ১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন এসআই মাহমুদুল। বিচারক নিম্ন আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। গত ২ জুলাই ডিআইজি মিজানুর রহমানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ।

১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য গেলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। এ সময় মিজানকে তাৎক্ষণিক হাইকোর্ট পুলিশের হাতে তুলে দেন আদালত। গ্রেফতারের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) হয়। নারী নির্যাতনের অভিযোগে গত বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠায়। পরে ২৫ জুন মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

অন্যদিকে মিজানের ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ প্রশাসন। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

২৪ জুন ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে পুলিশের কোতোয়ালি থানার এসআই মো. মাহমুদুল হাসানকে আসামি করা হয়।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর