রোববার   ১৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৫ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ফাইভজির স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে শিগগির: অর্থমন্ত্রী ঢাকা সিটি ভোট পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি করার সিদ্ধান্ত ইসির এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সোমবার মান্নানের জানাজা এমপি আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির পদ্মা সেতুর ২২তম স্প্যান বসছে এ মাসেই আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক এমপি মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বয়ানে চলছে দ্বিতীয় দিনের ইজতেমা,কাল আখেরী মোনাজাত বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত
১৭১

দিনে মন্ত্রণালয়, রাতে হাসপাতালে স্বামীর পাশে নির্ঘুম দীপু মনি

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট ২০১৯  

সাতদিন ধরে স্বামী গুরুতর অসুস্থ। তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে হাসপাতালের আইসিইউতে। স্ত্রী স্বভাবতই স্বামীর সেবায় সারারাত পার করে দেবে, সর্বক্ষণ তার পাশে থাকার চেষ্টা করবে। এটাই তো নারীর আসল স্বরূপ। কিন্তু এরকম কোনো নারীর কাঁধেই যদি আবার থাকে দেশ, সরকার বা মন্ত্রণালয় সামলানোর অনেকখানি গুরুদায়িত্ব, তাকে তো চাপটা অনেক বেশিই নিতে হয়। 

বলছি আমাদের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কথা। তার স্বামী বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের ব্যারিস্টার তৌফীক নাওয়াজ সাতদিন যাবৎ হাসপাতালে ভর্তি। এ কয়দিন আইসিইউতে থাকার পরে গত বুধবার (৩১ আগস্ট) তাকে কেবিনে নেয়া হয়েছে।

স্বামী গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় তিনি প্রতিদিনই রাত জেগে ইউনাইটেড হাসপাতালে তার সেবা করেছেন, পাশে থেকেছেন। এদিকে আবার মন্ত্রণালয় এবং দলের কোনো রকম কাজই তিনি থামিয়ে রাখেননি। সেই কাজও চলেছে কাজের মতো করেই।

তিনি মন্ত্রণালয় স্বাভাবিকভাবে সামলে নিয়েছেন। দলীয় সব কর্মসূচিতেও থেকেছেন, কাজ করেছেন, নির্দেশনাও দিয়েছেন একেবারে ঠাণ্ডা মাথায়। এটাই বোধহয় নারীর শাশ্বত রূপ। তারা যে সবদিক ঠিক সামলে নিতে পারে, সেটাই দীপু মনি করে দেখিয়েছেন।

এই কয়েকটাদিন নির্ঘুম রাত কাটিয়ে তিনি স্বামীর পাশে থেকেছেন। ভোরবেলা কেউ ইউনাইটেড হাসপাতালে গেলেই চোখে পড়েছে দীপু মনির গাড়িটা ঠিক সেখানে রাখা আছে। হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে, সব খোঁজখবর নিয়ে আবার ছুটে গেছেন মন্ত্রণালয়ে। সেখান থেকে আবার দলীয় কার্যালয়ে ছুটেছেন।

একটা কথা সবাই জানি, যে রাধে সে চুলও বাধে। দীপু মনির এই যে দিনরাত একাকার করে পরিশ্রম, এটাই নারীর চিরাচরিত শক্তি। এজন্যই নারীরা উন্নয়নের চালিকাশক্তি, সে ঘরে-বাইরে সবই সামলে নিতে পারে।

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কেউ সেভাবে জানেনি বা বোঝেওনি যে তার স্বামীর এমন গুরুতর অবস্থা চলছে। এর মাঝেও ছুটি নেয়া বা কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার কাজটি তিনি করেননি। এটা অবশ্যই আমাদের সবার জন্য শিক্ষণীয়। একটা কঠিন সময়কে পার করেও যে দায়িত্বপালন করা যায় সেটা দীপু মনি করে দেখিয়েছেন। উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন সব শ্রেণির মানুষের জন্য।

এই বিভাগের আরো খবর