শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে যারা ফখরুল-রিজভীসহ ১৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে ‘কনসার্ট ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এসক্যাপ অধিবেশনে যোগ দিতে শেখ হা‌সিনা‌কে আমন্ত্রণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ন্যায়বিচার-নিরাপত্তা দাবি অক্সফামের কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ কাল নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন ওবায়দুল কাদের ‘ফুড চেইনের মাধ্যমে প্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করছে’ বিশাল জয়ে শুরু কুমিল্লার বঙ্গবন্ধু বিপিএল মিশন টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ গ্রেটা থানবার্গ বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দেবে এডিবি ‘বিদেশগামীদের জন্য চালু হচ্ছে প্রবাসী কর্মী বিমা’ প্রেষণে বদলি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ৯ জিএম জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মাদককে দেশ ছাড়া করবো: আইজিপি
৮৫

নখের ফাংগাল ইনফেকশন প্রতিরোধে উপায়

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০১৯  

হাত কিংবা পায়ের নখে ইনফেকশন হয়েছে! নখগেুলো ধূসর হয়েছে কিংবা ভেঙে গেছে? খুবই প্রচলিত ও সাধারণ একটি সমস্যা। নখের এই সমস্যার জন্য প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রেই দায়ী ফাংগাসের আক্রমণ। 

মানবদেহে স্বাভাবিকভাবেই ছত্রাক থাকে। তার মাত্রা যখন বেশি হয়ে যায়, তখনই মূলত ইনফেকশনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে থাকে। আর এই ইনফেকশনের ফলে হাত-পায়ের নখ খুব সহজেই আক্রান্ত হয় এবং নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। হাত ও পায়ের নখের ফাংগাল ইনফেকশনের লক্ষণ ও প্রতিকার সর্ম্পকে জেনে নেয়া যাক -

নখের ফাংগাল ইনকেশনের লক্ষণ

>নখের ভেতরে ফাঁকাভাব তৈরি হওয়া।
> নখের দুই পাশের কোনা ভেঙে যাওয়া।
> নখের সম্মুখভাগ কিংবা নখের অর্ধেক অংশ ফ্যাকাশে হলুদ হয়ে যাওয়া।
> নখের চারপাশের ত্বক ফোলা ও খসখসে হয়ে ওঠা।
> বারংবার নখ ভেঙে যাওয়া।
> নখে বাজে গন্ধ দেখা দেওয়া।
> নখে ব্যথাভাব দেখা দেওয়া।

নখের ফাংগাল ইনকেশন প্রতিরোধের উপায় 

> থালাবাসন ধোয়ার সময় হাতে প্লাস্টিক কিংবা রাবারের তৈরি গ্লভস পরে নিতে হবে।
> পানি ব্যবহারের পর দ্রুত হাত ও পা শুকিয়ে নিতে হবে।
> নিজের যত্ন নেয়ার কোনো বিকল্প নেই। প্রতি মাসে অন্তত দুইবার মেনিকিউর ও পেডিকিউর করার চেষ্টা করুন।
> কমদামী ও ননব্র্যান্ডেড নেইলপলিশ ব্যবহার এড়িয়ে যেতে হবে।
> যথাসম্ভব আলো-বাতাস যুক্ত ও খোলামেলা পরিবেশে থাকার চেষ্টা করতে হবে।