রোববার   ১৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৫ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ফাইভজির স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে শিগগির: অর্থমন্ত্রী ঢাকা সিটি ভোট পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি করার সিদ্ধান্ত ইসির এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সোমবার মান্নানের জানাজা এমপি আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির পদ্মা সেতুর ২২তম স্প্যান বসছে এ মাসেই আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক এমপি মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বয়ানে চলছে দ্বিতীয় দিনের ইজতেমা,কাল আখেরী মোনাজাত বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি শুরু প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত
১০০

নখের ফাংগাল ইনফেকশন প্রতিরোধে উপায়

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০১৯  

হাত কিংবা পায়ের নখে ইনফেকশন হয়েছে! নখগেুলো ধূসর হয়েছে কিংবা ভেঙে গেছে? খুবই প্রচলিত ও সাধারণ একটি সমস্যা। নখের এই সমস্যার জন্য প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রেই দায়ী ফাংগাসের আক্রমণ। 

মানবদেহে স্বাভাবিকভাবেই ছত্রাক থাকে। তার মাত্রা যখন বেশি হয়ে যায়, তখনই মূলত ইনফেকশনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে থাকে। আর এই ইনফেকশনের ফলে হাত-পায়ের নখ খুব সহজেই আক্রান্ত হয় এবং নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। হাত ও পায়ের নখের ফাংগাল ইনফেকশনের লক্ষণ ও প্রতিকার সর্ম্পকে জেনে নেয়া যাক -

নখের ফাংগাল ইনকেশনের লক্ষণ

>নখের ভেতরে ফাঁকাভাব তৈরি হওয়া।
> নখের দুই পাশের কোনা ভেঙে যাওয়া।
> নখের সম্মুখভাগ কিংবা নখের অর্ধেক অংশ ফ্যাকাশে হলুদ হয়ে যাওয়া।
> নখের চারপাশের ত্বক ফোলা ও খসখসে হয়ে ওঠা।
> বারংবার নখ ভেঙে যাওয়া।
> নখে বাজে গন্ধ দেখা দেওয়া।
> নখে ব্যথাভাব দেখা দেওয়া।

নখের ফাংগাল ইনকেশন প্রতিরোধের উপায় 

> থালাবাসন ধোয়ার সময় হাতে প্লাস্টিক কিংবা রাবারের তৈরি গ্লভস পরে নিতে হবে।
> পানি ব্যবহারের পর দ্রুত হাত ও পা শুকিয়ে নিতে হবে।
> নিজের যত্ন নেয়ার কোনো বিকল্প নেই। প্রতি মাসে অন্তত দুইবার মেনিকিউর ও পেডিকিউর করার চেষ্টা করুন।
> কমদামী ও ননব্র্যান্ডেড নেইলপলিশ ব্যবহার এড়িয়ে যেতে হবে।
> যথাসম্ভব আলো-বাতাস যুক্ত ও খোলামেলা পরিবেশে থাকার চেষ্টা করতে হবে।