শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে যারা ফখরুল-রিজভীসহ ১৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে ‘কনসার্ট ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এসক্যাপ অধিবেশনে যোগ দিতে শেখ হা‌সিনা‌কে আমন্ত্রণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ন্যায়বিচার-নিরাপত্তা দাবি অক্সফামের কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ কাল নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন ওবায়দুল কাদের ‘ফুড চেইনের মাধ্যমে প্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করছে’ বিশাল জয়ে শুরু কুমিল্লার বঙ্গবন্ধু বিপিএল মিশন টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ গ্রেটা থানবার্গ বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দেবে এডিবি ‘বিদেশগামীদের জন্য চালু হচ্ছে প্রবাসী কর্মী বিমা’ প্রেষণে বদলি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ৯ জিএম জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মাদককে দেশ ছাড়া করবো: আইজিপি
১১৫৮

নাশকতা চালাতে ট্রাকভর্তি লাঠি এনে রাখে বিএনপি কর্মীরা

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০১৯  

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানীর হাইকোর্ট এলাকায় বিক্ষোভ করে দলটির নেতাকর্মীরা। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের মূল ফটকে অবস্থান কর্মসূচিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে তারা। পরে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিএনপি নেতাকর্মীদের এই ভাঙচুর পরিকল্পিত। তারা ভাঙচুর চালানোর জন্য আগে থেকে ট্রাকে করে লাঠিসোটা নিয়ে আসেন।

পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার আজিমুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ১২টার পর বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনে এসে সড়কে বসে পড়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, শওকত মাহমুদসহ বেশ কয়েকজনকে বোঝালেও তারা সড়ক ছেড়ে দিতে রাজি হননি। এরপর আরও এক ঘণ্টা অপেক্ষা করা হয়। আড়াই ঘণ্টা সড়ক ছেড়ে না দেওয়ায় পুলিশ তাদের বোঝাতে যান। একপর্যায়ে নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। যাওয়ার সময় তারা গাড়ি ভাঙচুর করেন।

তিনি আরও বলেন, ভাঙচুর করার গাড়ির মধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি গাড়িও ছিল। গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করা হবে। সেই মামলায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে।

অ্যাকশনের সিদ্ধান্তের সময় পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার আজিমুল হক পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কেউ নেতাকর্মীদের গায়ে হাত দেবেন না। শুধু একযোগে এগিয়ে যাবেন। নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল ছুড়তে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। বেশি সমস্যা হলে গ্যাস মারবেন। ওনারা আগে থেকেই লাঠিসোটা এনে রেখেছেন সেগুলোর দিকে খেয়াল রাখবেন। গাড়ি ভাঙচুর চালাতে পারে, এ জন্য তাদের নিবৃত্ত করবেন। এরপরই পুলিশ হাইকোর্টের বাইরের গেটের সামনে থেকে অ্যাকশন নিতে নিতে প্রবেশমুখের দিকে এগিয়ে যায়।

পুলিশ অ্যাকশন নেওয়ার জন্য এগিয়ে গেলে নেতাকর্মীরা প্রথমে পিছু হটে। এরপর স্লোগান দিয়ে থেমে যায় এবং পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এরপরও পুলিশ তাদের ঠেলে সরিয়ে দিতে চাইলে নেতাকর্মীদের একটি অংশ আগে থেকে নিয়ে আসা লাঠিসোটা (গাছের কাচা ডাল) হাতে নেয় এবং বাম পাশের সড়কে গিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে। নেতাকর্মীদের আরেকটি অংশ পুলিশকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় পুলিশ কয়েকটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ও লাঠিচার্জ করে।

এই বিভাগের আরো খবর