সোমবার   ৩০ মার্চ ২০২০   চৈত্র ১৫ ১৪২৬   ০৫ শা'বান ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত করোনা ছোঁয়াচে, এক মিটার দূরত্বে থাকার পরামর্শ ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে ১০ দিন গণপরিবহন বন্ধ মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধের নির্দেশ
১৫০

পাইলস থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০১৯  

মলাশয়ের নিচের অংশ বা মলদ্বারের শিরাগুলো ফুলে যাওয়াকে পাইলস বলে। পাইলস দু’ধরনের হয়, আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক। আভ্যন্তরীণ পাইলস পায়ুপথ বা মলদ্বারের অভ্যন্তরে হয়ে থাকে। বাহ্যিক পাইলস পায়ুপথের বাইরের দিকে হয়। এই দু’ধরনের পাইলসের মধ্যে সবচেয়ে কমন হচ্ছে বাহ্যিক পাইলস। জেনে নিন পাইলস হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও এর থেকে বাঁচার উপায়-

পাইলস হওয়ার পিছনে এই কারণগুলো থাকতে পারে-

*কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া

*স্থূলতা

*বেশি সময় বসে থাকা

*দীর্ঘসময় টয়লেটে বসে থাকা

*হেমোরয়েড শিরায় কপাটিকার অনুপস্থিতি ও বার্ধক্য

*পুষ্টিকর খাবার খাওয়ায় ঘাটতি

*ব্যায়াম না করা

*পেটের ভিতরে চাপ বৃদ্ধি

*জন্মগত

*গর্ভাবস্থায় জরায়ু বড় হতে থাকে। ফলে, কোলনের শিরায় চাপ পড়ে বলে শিরা স্ফীত হয়। যে কারণে পাইলস হয়। প্রথম দিকে ওষুধ ও সাবধানতা মেনে চললে এই রোগ সেরে যায়। তবে, জটিল আকার ধারণ করলে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে।

পাইলস হলে সাধারণত এই লক্ষণগুলো দেখে বোঝা যায়-

*মলের সাথে রক্ত পড়া পাইলসের প্রধান লক্ষণ। যখনই দেখবেন আপনার মলের সাথে রক্ত পড়ছে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

*মলদ্বারে ব্যথা হওয়া। ফলে, বসতে অসুবিধা হওয়া।

*মলদ্বারের চারপাশে ফুলে যায় ও চুলকানি হয়।

*পাইলসে আক্রান্ত হলে মলদ্বারের রক্তনালীতে চাপ বৃদ্ধি পায় বলে মল নির্গমনের সময় ব্যথা হয়।

কিছু পদ্ধতি সঠিকভাবে মেনে চললে এই রোগ প্রতিরোধ হতে পারে -

*পায়ুপথের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

*হালকা গরম পানিতে দিনে কয়েকবার পায়ুপথ ভিজিয়ে নিন।

*পায়ুপথ ফুলে গেলে সেখানে বরফ দিতে পারেন।

*চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিয়মিত মলম ব্যবহার করুন।

*প্রদাহ বা সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা নিন।

*প্রতিদিন প্রচুর আঁশযুক্ত সবজি, ফলমূল ও খাবার গ্রহণ করবেন। মাংস, কম আঁশ ও বেশি চর্বিযুক্ত খাবার, কড়া মশলা, ফাস্টফুড ইত্যাদি পরিহার করুন।

*বেশি করে পানি পান করুন।

*কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা করুন, মলত্যাগে কখনো বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না, আটকে রাখবেন না।

*ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।

*নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। তাই শরীরচর্চা করুন।

বরগুনার আলো