• মঙ্গলবার   ২৪ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১০ ১৪২৭

  • || ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৮, শনাক্ত ২৪১৯ শিক্ষার্থী সাওদা হত্যাকাণ্ডে আসামির যাবজ্জীবন করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৮, শনাক্ত ২০৬০ স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করাই বিএনপির গণতন্ত্র: কাদের প্রখ্যাত আলেম পীরজাদা গোলাম সারোয়ার সাঈদী আর নেই মানুষের কঙ্কালসহ গ্রেফতার বাপ্পী তিন দিনের রিমান্ডে শ্রাবন্তীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগে খুলনায় যুবক গ্রেফতার ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে বসবে পদ্মাসেতুর অবশিষ্ট ৪ স্প্যান: কাদের করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৬৪ ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন ২০২১ সালের মধ্যে ১২৯ নতুন ফায়ার স্টেশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এএসপি আনিসুল হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে আরও ৪ টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে অর্থ নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ বিএনপির রাজনীতিতে হতাশা আর ব্যর্থতা ভর করেছে: কাদের শাহজালালে যাত্রীর কাছ থেকে ৫ কোটি টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার নেপালের বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের বিএনপি বাসে আগুন দিয়ে অবলীলায় মিথ্যা বলছে: তথ্যমন্ত্রী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৭ নভেম্বর সাবেক ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী আর নেই মিথ্যা বলায় পুরস্কার থাকলে প্রথমটি পেতেন ফখরুল: তথ্যমন্ত্রী

পৃথিবী কি ধ্বংসের পথে, যা বলেছিলেন স্টিফেন হকিং

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল ২০২০  

 

যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনা ঘটে ২০০১ সালে । এতে ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়। আর প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত শুধু নিউইয়র্কেই মৃত্যু ছাড়িয়ে গেছে ২২ হাজার। ৯/১১ এর সেই ঘটনা আমেরিকানদের অহংকারে আঘাত হেনেছিল, আর করোনাভাইরাস চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশটি একটি ক্ষুদ্র জীবাণুর কাছে কত অসহায়! অর্ধলাখ ছাড়িয়ে আমেরিকায় এখন মৃত্যুর স্রোত বইছে। সে কারণেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এখন অন্যের কাছে হাত পাততে হচ্ছে চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য, ওষুধের জন্য। 
আমেরিকানদের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোও আজ নাস্তানাবুদ। একসময় যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগান, ইরাক, ফিলিস্তিন ও সিরিয়ায় যুদ্ধে প্রতিদিনকার মৃত্যু ছিল ইউরোপীয়দের কাছে সংখ্যার হিসাব। সেই সংখ্যা আজ তাদের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিচ্ছে। ইউরোপ যেন মৃত্যু উপত্যকা, সংখ্যা ছাড়া আর কিছুই তারা বলতে পারছে না। কোন ওষুধ নেই, প্রতিষেধক নেই। শুধুই মৃত্যুর অপেক্ষা!  তাই তো চিকিৎসায় সর্বাধুনিক দেশগুলোও এখন বলতে বাধ্য হচ্ছে আমরা অসহায়, শুধু ঐশ্বরিক ইচ্ছাই পারে আমাদের বাঁচাতে।

কিন্তু করোনাভাইরাস কি আসমান থেকে এসেছে, না মানুষেরই কর্মের ফল? বিশ্ববিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, ‘বিশ্বে এমন নতুন কিছু আসতে চলেছে যা পৃথিবীর ধ্বংসের কারণ হতে পারে। সময় যত এগোবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তত উন্নত হবে। ফলে পারমাণবিক যুদ্ধ, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জেনেটিকালি ইঞ্জিনিয়ারড ভাইরাস বাড়বে। আর এসবের ফলে ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী।’ 
অর্থাৎ করোনাভাইরাস মানুষেরই কোনও গবেষণার ফল হতে পারে। সেই ইঙ্গিতই দিয়েছিলেন হকিং। ইতিমধ্যে কিছু প্রমাণও আসছে যে, চীনের উহানের সেই ল্যাব থেকেই করোনাভাইরাসের যাত্রা। যেখানে বিপজ্জনক সব ভাইরাস নিয়ে গবেষণা হতো।

করোনাভাইরাস এ বিশ্বকে বিপর্যয়ের কোন প্রান্তে নিয়ে যায় তা বলা মুশকিল। কারণ এটি এমন একটি অদৃশ্য শত্রু, যা খুব সহজে বিদায় নেবে না। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনা দীর্ঘমেয়াদে থাকবে। অর্থাৎ হাজার হাজার মৃত্যু এখন আমাদের প্রতিদিনের পরিচিত সংখ্যা হয়ে উঠছে। এ থেকে বাঁচার বড় উপায় মানুষের চিন্তা ও কর্মের পরিবর্তন।

বরগুনার আলো