• শুক্রবার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৯ ১৪২৭

  • || ০৭ সফর ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
মেহেরপুরে ‘আল্লাহর দল’র সক্রিয় সদস্য আটক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৬৬ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৮, শনাক্ত ১৫৫৭ মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ ধর্ষণ মামলায় ভিপি নুর গ্রেফতার আইসিটি মামলায় আলাউদ্দিন জিহাদী এক দিনের রিমান্ডে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪০, শনাক্ত ১৭০৫ গাড়িচালক মালেক ১৪ দিনের রিমান্ডে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৬, শনাক্ত ১৫৪৪ গভীর সমুদ্র থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৭ ব্যাংকটা যেন ভালোভাবে চলে সেদিকে দৃষ্টি দিবেন: প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৩৩ আহমদ শফী কওমি শিক্ষার আধুনিকায়নে ভূমিকা রেখেছেন: প্রধানমন্ত্রী না.গঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৬, শনাক্ত ১৫৯৩ সরকার ওজোনস্তর রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে: পরিবেশ মন্ত্রী শামুকের পাশাপাশি ঝিনুকও সংরক্ষণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৩, শনাক্ত ১৭২৪ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম শুরু তুরস্কে বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৬৪

প্রতি ৭০ জাপানি সেনার জন্য একজন যৌনদাসী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০১৯  

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের সেনারা কোরিয়ার অনেক নারীকে ধরে নিয়ে এসে নিজেদের যৌনদাসী করে রাখতেন—এমন খবর বেশ পুরোনো। এবার এই বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতি ৭০ সেনার জন্য একজন করে ‘কমফোর্ট উইমেন’ তথা যৌনদাসী সরবরাহ করতে তৎকালীন জাপানি সরকারকে অনুরোধ করে দ্য ইম্পেরিয়াল জাপানিজ আর্মি। যুদ্ধকালীন সরকারি নথির বরাত দিয়ে এই খবর দিয়েছে জাপানের বার্তা সংস্থা কিয়োদো।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি সেনারা যে যৌনদাসী রাখতেন, সেই বিতর্কিত বিষয়ে নতুন তথ্য উঠে এল এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে। ওই কমফোর্ট উইমেনদের বেশির ভাগই ছিলেন কোরীয় নারী। তাঁদের জাপানি সেনাদের যৌনপল্লিতে রেখে জোরপূর্বক যৌনকাজে বাধ্য করা হতো। এই ঘটনার কারণে দশকের পর দশক ধরে জাপান ও কোরিয়ার মধ্যে টানাপোড়েন চলে আসছে।

গত শুক্রবার কিয়োদোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চলাকালে চীনের শানডং প্রদেশের কিংডাওয়ে জাপানের কনস্যাল জেনারেলের কার্যালয় থেকে টোকিওতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় একটি সরকারি নথি। সেখানে বলা হয়, ইম্পেরিয়াল আর্মি প্রতি ৭০ সেনার জন্য একজন নারী পাঠাতে সরকারকে অনুরোধ করে। চীনের একই প্রদেশের জিনানের কনস্যাল জেনারেলের কার্যালয় থেকে পাঠানো আরেকটি নথিতে বলা হয়, জাপানি বাহিনী অগ্রসর হওয়ায় এখানে অন্তত ৫০০ কমফোর্ট নারীকে অবশ্যই পাঠাতে হবে।

দ্য ১৯৯৩ ‘কোনো স্টেটমেন্ট’ শিরোনামে ওই নথি পাঠানো হয়। সেই সময়কার প্রধান ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইয়োহেই কোনোর নামের অংশ দিয়ে ওই শিরোনাম লেখা হয়। জাপানি সেনাদের যৌনপল্লিতে নারী পাঠানোর কথা জাপানের কর্তৃপক্ষ স্বীকার করলেও এই বিষয়ে বিতর্ক থামেনি। 

জাপানের কোনো কর্মকর্তা এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বরগুনার আলো
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর