বুধবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৬ ১৪২৬   ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জীবাশ্ম জ্বালানি নিজেদের উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে: প্রধানমন্ত্রী বিডিএফে আজ উপস্থাপন অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সিজিসির সংযোজন ও সংশোধন অনুমোদন ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেক্ট্রিক ট্রেন: সংসদে রেলমন্ত্রী প্রাথমিকে নতুন শিক্ষকদের যোগদান যথাসময়ে সোলেইমানি হত্যার নীল নকশাকারী বিমান দুর্ঘটনায় নিহত এক বিদ্যালয়ে একবারই ভর্তি ফি, হচ্ছে নীতিমালা শুরু হলো ৪৪তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস: সর্বত্র সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা ও ইসরায়েলের কমান্ডাররাও পালানোর পথ খুঁজে পাবে না সাকিবকে ওজন কমাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষে সব সরকারি কলেজে বসবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য শিল্প-বৈদেশিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নামজারি ৭ দিনে মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে যেসব খাবার নেহা-আদিত্যর বিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি সোয়া ৯ কোটি টাকা আত্মসাতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা আড়ংয়ের ট্রায়াল রুমে গোপনে ভিডিও,গ্রেপ্তার -১
২৫

প্রতি ৭০ জাপানি সেনার জন্য একজন যৌনদাসী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০১৯  

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের সেনারা কোরিয়ার অনেক নারীকে ধরে নিয়ে এসে নিজেদের যৌনদাসী করে রাখতেন—এমন খবর বেশ পুরোনো। এবার এই বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতি ৭০ সেনার জন্য একজন করে ‘কমফোর্ট উইমেন’ তথা যৌনদাসী সরবরাহ করতে তৎকালীন জাপানি সরকারকে অনুরোধ করে দ্য ইম্পেরিয়াল জাপানিজ আর্মি। যুদ্ধকালীন সরকারি নথির বরাত দিয়ে এই খবর দিয়েছে জাপানের বার্তা সংস্থা কিয়োদো।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি সেনারা যে যৌনদাসী রাখতেন, সেই বিতর্কিত বিষয়ে নতুন তথ্য উঠে এল এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে। ওই কমফোর্ট উইমেনদের বেশির ভাগই ছিলেন কোরীয় নারী। তাঁদের জাপানি সেনাদের যৌনপল্লিতে রেখে জোরপূর্বক যৌনকাজে বাধ্য করা হতো। এই ঘটনার কারণে দশকের পর দশক ধরে জাপান ও কোরিয়ার মধ্যে টানাপোড়েন চলে আসছে।

গত শুক্রবার কিয়োদোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চলাকালে চীনের শানডং প্রদেশের কিংডাওয়ে জাপানের কনস্যাল জেনারেলের কার্যালয় থেকে টোকিওতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় একটি সরকারি নথি। সেখানে বলা হয়, ইম্পেরিয়াল আর্মি প্রতি ৭০ সেনার জন্য একজন নারী পাঠাতে সরকারকে অনুরোধ করে। চীনের একই প্রদেশের জিনানের কনস্যাল জেনারেলের কার্যালয় থেকে পাঠানো আরেকটি নথিতে বলা হয়, জাপানি বাহিনী অগ্রসর হওয়ায় এখানে অন্তত ৫০০ কমফোর্ট নারীকে অবশ্যই পাঠাতে হবে।

দ্য ১৯৯৩ ‘কোনো স্টেটমেন্ট’ শিরোনামে ওই নথি পাঠানো হয়। সেই সময়কার প্রধান ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইয়োহেই কোনোর নামের অংশ দিয়ে ওই শিরোনাম লেখা হয়। জাপানি সেনাদের যৌনপল্লিতে নারী পাঠানোর কথা জাপানের কর্তৃপক্ষ স্বীকার করলেও এই বিষয়ে বিতর্ক থামেনি। 

জাপানের কোনো কর্মকর্তা এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বরগুনার আলো
এই বিভাগের আরো খবর