বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ধর্মঘট প্রত্যাহার, শনিবার অনুশীলনে যোগ দেবেন সাকিবরা বরগুনায় কলেজছাত্রী হত্যায় বিএনপির সাবেক নেতার যাবজ্জীবন তুরস্কে ফিকাহ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশি গবেষক ডিসেম্বরে মুক্তি পাচ্ছে পরমব্রত-কোয়েলের নতুন সিনেমা মশা-ছারপোকা দূর করবে কর্পূর অছাত্ররা কোনোভাবেই ঢাবির হলে অবস্থান করতে পারবে না-উপাচার্য ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমার প্রত্যাশা পরিকল্পনামন্ত্রীর আগামী ১ নভেম্বর থেকে সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরে গেজেট প্রকাশ ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন জানুয়ারিতে! ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে অধূমপায়ী রাষ্ট্র : তথ্যমন্ত্রী মহাকাশে তোলা সেলফি প্রকাশ বাংলাদেশ সফরে জাপানের সম্রাটকে আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির এমপিও: ১৭৫ ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানের তালিকা  পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে : গণপূর্তমন্ত্রী প্রযুক্তি ব্যবহারে আফ্রিকায় ‘কৃষি বিপ্লব’ দুদক এখন অনেক শক্তিশালী: কমিশনার মোজাম্মেল ‘পায়ের বেড়ি’ খুলছে না সৌদি নারীদের বৃক্ষরোপণে ইসলামের উৎসাহ ও নির্দেশনা পদ্মাসেতুর অবশিষ্ট জমিতে মিলিটারি ফার্ম করবে সেনাবাহিনী শাহজালালে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী আটক
১২

ফাইভ-জি লাইসেন্সের পলিসি ও ইকোসিস্টেম তৈরি হচ্ছে

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০১৯  

‘নির্বাচনী ইশতেহারে ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ফাইভ-জি চালু করার কথা ছিল। কিন্তু আশা করছি, এর আগেই দেশে ফাইভ জি চালু হবে। ইতোমধ্যে ফাইভ-জির সফল ট্রায়াল করা হয়েছে। খুব দ্রুত ফাইভ-জির লাইসেন্স দিতে পলিসি ও ইকোসিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে।’

সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে কমনওয়েলথ টেলিযোগাযোগ সংস্থার (সিটিও) ৫৯তম কাউন্সিল সভা ও বার্ষিক ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এসব কথা বলেন।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি সামনে রেখে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বিষয়টি মাথায় রাখা হচ্ছে, জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ কাজ করছে।

এবারের সম্মেলনে ১৫টি সেশনের একটি বড় অংশজুড়ে ফাইভ-জি এবং সাইবার নিরাপত্তা ইস্যু থাকবে বলেও জানান মন্ত্রী।

মোস্তাফা জব্বার আরো বলেন, তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ  আশাব্যঞ্জক উন্নতি করেছে। উন্নয়নের অভিযাত্রায় অপ্র‌তি‌রোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। বাংলাদেশ এখন তলা‌বিহীন ঝু‌ড়ি নয়।

তিনি বলেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশ এখন তথ্য প্রযুক্তিতে সফল একটি দেশের নাম। ইতোমধ্যে ৪ হাজার ১৪৯ ইউনিয়নে ১ লাখ ২০ হাজার ফাইবার অপটিক ক্যাবল দিয়ে সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম রহমতুল্লাহ, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, টেলিযোগাযোগ সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস এবং কমনওয়েলথের টেলিযোগাযোগ সংস্থার ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব গিসা ফুয়াতাই পারসেল।

এ আয়োজনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো ছাড়াও অন্যান্য দেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী, সচিব, রেগুলেটর প্রধান, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাসহ টেলিকম এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি প্রায় ২৫০-৩০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ‘টুওয়ার্ডস এ ডিজিটাল কমনওয়েলথ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকায় দ্বিতীয়বারের মতো হচ্ছে কমনওয়েলথ টেলিযোগাযোগ সংস্থার (সিটিও) পাঁচ দিনব্যাপী ৫৯তম কাউন্সিল সভা ও বার্ষিক ফোরাম। চলবে আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত।

ফোরামে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী, সচিব, রেগুলেটর প্রধান, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার পদস্থ কর্মকর্তা এবং এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।