সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ১ ১৪২৬   ১৬ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
‘বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশ ছাড়া দেশ উন্নয়ন করা সম্ভব নয়’ রোহিঙ্গা ভোটার খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রামে কবিতা খানম আগামী ১০মাসের রোডম্যাপ তৈরি ও তার বাস্তবায়ন করবো - জয় ও লেখক ডেঙ্গুতে সরকারি হিসেবে ৬৮ জনের মৃত্যু আ. লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ১৮ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপের জন্মদিন আজ আজ থেকে ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি বিশ্ব ওজন দিবস আজ শিগগিরই বন্দর-ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ দিল্লিতে শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠক ৫ অক্টোবর সারাদেশে ৭৫ প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ এ পি জে আব্দুল কালাম স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর পুলিশ একাডেমিতে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনে মাসিক বেতনে চালক নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের সারদার পথে প্রধানমন্ত্রী হাজিদের দেশে ফেরার শেষ ফ্লাইট আজ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আজ
৪৪

ফিল্ড আম্পায়ারের হাতে থাকছে না ‘নো বল’

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০১৯  

ক্রিকেটে নো বল বিতর্কের শেষ নেই। অনেক সময়ই ফিল্ড আম্পায়ারদের চোখ এড়িয়ে যায় নো বল। যা প্রভাব ফেলে ম্যাচের উপর। এসব বিতর্ক থেকে বের হতেই মাঠের আম্পায়ারদের ওপর পায়ের নো বল দেয়ার ক্ষমতা রাখছে না আইসিসি।

নির্ধারিত সীমানা পার হয়ে গেলে যে নো বল হবে তার সিদ্ধান্ত এখন থেকে টিভি আম্পায়ার নেবেন। জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আইসিসি’র জেনারেল ম্যানেজার (ক্রিকেট অপোরেশনস) জিওফ অ্যালারডাইস বলেন, ‘২০১৬ সালে যে পদ্ধতি আনা হয়েছিল তা আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি আমরা। তৃতীয় আম্পায়ার বোলারের পায়ের নো বলের দিকে নজর রাখবেন। বোলিংয়ের সময় বোলারের পা পড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ছবি চলে যাবে তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। তিনি জানাবেন মাঠের আম্পায়ারকে যে সেটি নো বল ছিল কি না। তিনি কিছু না জানালে বলটিকে নো বল ঘোষণা করা যাবে না।’

এর আগে, ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার একটি একদিনের ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু সে সময়ে তা খুব বেশি কার্যকর হয়নি। 

এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ‘২০১৮ সালে শুধুমাত্র ছেলেদের একদিনের ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেই ৮৪ হাজারের বেশি বল করা হয়েছে। এত বিশাল সংখ্যক ডেলিভারি নজরে রাখা খুবই কঠিন মনে হয়েছে আইসিসির কাছে। তাই আপাতত পরীক্ষামূলকভাবেই এই বছর কিছু কিছু ম্যাচে এই পদ্ধতি ব্যবহারের কথা ভাবছে আইসিসি।’

আইসিসি যদি এই পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে সফলতার দেখা পায়, তবে স্থায়ীভাবে পায়ের নো বল ঘোষণার জন্য টিভি আম্পায়ারকেই মূল দায়িত্ব দেয়া হবে। ক্রিকেটকে আরও নির্ভুল ও নিখুঁত করে তোলার চেষ্টা থেকেই এমন পরিকল্পনা নিয়েছে আইসিসি।

এই বিভাগের আরো খবর