শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার পটুয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটানো প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার-৪ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর তিনটি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযান জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ টস হেরে ব্যাটিং এ বাংলাদেশ রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রোহিঙ্গা সংকট : ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পক্ষে: মোমেন আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দির তথ্য ডাটাবেজে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ফ্রুট ড্রিংকস স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বাজারে পাওয়া যায় বিভিন্ন কোম্পানির বাহারি ফলের রস। এতে থাকে পানি, কিছু ফলের নির্যাস, কিছু ফ্লেভার ও সুগার; আর থাকে প্রিজারভেটিভ। এ হলো ফ্রুট ড্রিংকস বা ফ্রুট জুস। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নামেই কেবল ফলের নির্যাস।

ফ্লেভারের কারণ : জুস তৈরিতে প্রথমে ফল পিষ্ট করে এর নির্যাস বের করে আনা হয়। এরপর পাস্তুরাইজেশনের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এতে ফলের রঙ ও স্বাদ আর থাকে না। তাই রঙ ও স্বাদ ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন হয় ফ্লেভারের। সাইট্রিক ও এস্করভিক অ্যাসিড এ কাজটি করে দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা যে স্বাদ গ্রহণ করি, সেটি ফলের মতো হলেও ফলের রস নয়।

ফ্রুট জুসে ফলের রস যতটুকু : ফলের নির্যাস বের করার পর রস থেকে আঁশ সরিয়ে ফেলা হয়। এতে বোতলে তলানি জমে না। প্যাকিং ও পরিবহনের সুবিধার্থে জলীয় অংশও কমিয়ে ফেলা হয়। ফলে বিপণন খরচ কমে যায়। পরে আবার পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়। এটির নাম কনসেন্ট্রেটেট জুস। তবে কিছু জুস আছে, যেগুলোর আঁশ রেখে দেওয়া হয়। এটা বলা হয় ১০০ শতাংশ জুস। বাজারের বেশিরভাগ জুসই আঁশবিহীন।

প্রিজারভেটিভের কারণ : প্রিজারভেটিভ এক ধরনের কেমিক্যাল, যা পচনপ্রক্রিয়া রোধ করে খাদ্য সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ফলে খাবার অনেকদিন শেলফে রাখা যায়। নষ্ট হয় না। ফলের রস কিছুটা অ্যাসিডিক। সাধারণভাবে বেনজোয়িক অ্যাসিড বা সল্ট অব বেনজোয়েট, সালফার ডাই-অক্সাইড, সর্ভিক অ্যাসিড ইত্যাদি কেমিক্যাল প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও ফলের রসে এখনো সর্বাধিক ব্যবহৃত ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভটি হলো বেনজোয়েট বা সোডিয়াম বেনজোয়েট। ফ্রুট ড্রিংকসের প্যাক বা বোতলের গায়ে বেনজোয়েট বা সোডিয়াম বেনজোয়েট কথাটি সরাসরি লেখা থাকে অথবা এর কোড ই-২১১ (ঊ-২১১)-এর উল্লেখ থাকে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি : বেনজোয়েট ক্ষতিকর কেমিক্যাল। অনেক সময় বেনজোয়িক প্রিজারভেটিভ এবং সাইট্রিক অ্যাসিড ফ্লেভারিং এজেন্ট হিসেবে একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। এতে বেনজিন নামক কেমিক্যালের সৃষ্টি হয়। এটি ব্লাডার বা মূত্রাশয় ক্যানসারের কারণ। এ ছাড়াও বাগানে পেস্টিসাইড ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে যদি ফল সংগ্রহ করে নির্যাস বের করা হয়, তবে পেস্টিসাইড জুসের সঙ্গে থেকে যায়। কারণ পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়ায় এটি নষ্ট হয় না। তাই পেস্টিসাইডজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিও থেকে যায়।

করণীয় : ফ্রুট জুস বা বোতলজাত যে কোনো ফলের রস বা পাউডার কেনার সময় অবশ্যই সেটির গায়ে সাঁটা লেভেল ভালো করে দেখে নেবেন। ফলের স্বাদ পেতে তাজা ফল খাওয়াই ভালো। কারণ ফলের স্বাদ আর ফল এক কথা নয়। ফলের স্বাদ নিতে চাইলে মনে রাখতে হবে, এটি স্বাস্থের জন্য অবশ্যই একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়।