শুক্রবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬   ০৪ রজব ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত দুই আসামী গ্রেপ্তার আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
৫৪

ফ্রুট ড্রিংকস স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বাজারে পাওয়া যায় বিভিন্ন কোম্পানির বাহারি ফলের রস। এতে থাকে পানি, কিছু ফলের নির্যাস, কিছু ফ্লেভার ও সুগার; আর থাকে প্রিজারভেটিভ। এ হলো ফ্রুট ড্রিংকস বা ফ্রুট জুস। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নামেই কেবল ফলের নির্যাস।

ফ্লেভারের কারণ : জুস তৈরিতে প্রথমে ফল পিষ্ট করে এর নির্যাস বের করে আনা হয়। এরপর পাস্তুরাইজেশনের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এতে ফলের রঙ ও স্বাদ আর থাকে না। তাই রঙ ও স্বাদ ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন হয় ফ্লেভারের। সাইট্রিক ও এস্করভিক অ্যাসিড এ কাজটি করে দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা যে স্বাদ গ্রহণ করি, সেটি ফলের মতো হলেও ফলের রস নয়।

ফ্রুট জুসে ফলের রস যতটুকু : ফলের নির্যাস বের করার পর রস থেকে আঁশ সরিয়ে ফেলা হয়। এতে বোতলে তলানি জমে না। প্যাকিং ও পরিবহনের সুবিধার্থে জলীয় অংশও কমিয়ে ফেলা হয়। ফলে বিপণন খরচ কমে যায়। পরে আবার পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়। এটির নাম কনসেন্ট্রেটেট জুস। তবে কিছু জুস আছে, যেগুলোর আঁশ রেখে দেওয়া হয়। এটা বলা হয় ১০০ শতাংশ জুস। বাজারের বেশিরভাগ জুসই আঁশবিহীন।

প্রিজারভেটিভের কারণ : প্রিজারভেটিভ এক ধরনের কেমিক্যাল, যা পচনপ্রক্রিয়া রোধ করে খাদ্য সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ফলে খাবার অনেকদিন শেলফে রাখা যায়। নষ্ট হয় না। ফলের রস কিছুটা অ্যাসিডিক। সাধারণভাবে বেনজোয়িক অ্যাসিড বা সল্ট অব বেনজোয়েট, সালফার ডাই-অক্সাইড, সর্ভিক অ্যাসিড ইত্যাদি কেমিক্যাল প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও ফলের রসে এখনো সর্বাধিক ব্যবহৃত ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভটি হলো বেনজোয়েট বা সোডিয়াম বেনজোয়েট। ফ্রুট ড্রিংকসের প্যাক বা বোতলের গায়ে বেনজোয়েট বা সোডিয়াম বেনজোয়েট কথাটি সরাসরি লেখা থাকে অথবা এর কোড ই-২১১ (ঊ-২১১)-এর উল্লেখ থাকে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি : বেনজোয়েট ক্ষতিকর কেমিক্যাল। অনেক সময় বেনজোয়িক প্রিজারভেটিভ এবং সাইট্রিক অ্যাসিড ফ্লেভারিং এজেন্ট হিসেবে একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। এতে বেনজিন নামক কেমিক্যালের সৃষ্টি হয়। এটি ব্লাডার বা মূত্রাশয় ক্যানসারের কারণ। এ ছাড়াও বাগানে পেস্টিসাইড ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে যদি ফল সংগ্রহ করে নির্যাস বের করা হয়, তবে পেস্টিসাইড জুসের সঙ্গে থেকে যায়। কারণ পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়ায় এটি নষ্ট হয় না। তাই পেস্টিসাইডজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিও থেকে যায়।

করণীয় : ফ্রুট জুস বা বোতলজাত যে কোনো ফলের রস বা পাউডার কেনার সময় অবশ্যই সেটির গায়ে সাঁটা লেভেল ভালো করে দেখে নেবেন। ফলের স্বাদ পেতে তাজা ফল খাওয়াই ভালো। কারণ ফলের স্বাদ আর ফল এক কথা নয়। ফলের স্বাদ নিতে চাইলে মনে রাখতে হবে, এটি স্বাস্থের জন্য অবশ্যই একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়।

বরগুনার আলো