বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তোলা হবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ করার আহ্বান সড়ক পরিবহন আইনের অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’- কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত কোন অপপ্রচারে কান না দিতে জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘গোলাপি’ যাত্রা রাঙ্গাতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানের দেশ: প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় আ. লীগের অভ্যর্থনা উপকমিটির সভা ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আইভোরি কোস্টের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সশস্ত্র বাহিনী জাতির গর্বের প্রতীক : রাষ্ট্রপতি আজ বিশ্ব টেলিভিশন দিবস সারাদেশের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন লিখতে হবে স্পষ্ট অক্ষরে: হাইকোর্ট আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস
৩৬

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গাজী মাজহারুল ও কুমার বিশ্বজিতের গান

প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০১৯  

আগামী বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। বিষয়টি সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি গানের পরিকল্পনা আগেই করেছিলেন স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিত।

‘হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু, তোমার কালো ফ্রেমের চশমাটা আমায় দাও, আমি চোখে দিয়ে দেখব, তুমি কেমন করে দেশটাকে এতো ভালোবাসো’-এমন কথার একটি গান গাইতে পারায় ভীষণ আনন্দিত কুমার বিশ্বজিৎ।

তিনি বলেন, এটি শুধু একটি গান নয়, এটি তরুণ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর ভাবনাচিন্তা, দেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িক মনোভাব প্রদর্শনের একটি গল্প বলা’

‘হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু’গানের কথা লিখেছেন দেশবরেণ্য গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সংগীতায়োজন করেছেন মানাম আহমেদ, আর সুর করেছেন কিশোর। সম্প্রতি শিল্পীর উত্তরার স্টুডিওতে গানটির কণ্ঠ ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। মিক্স মাস্টারিংয়ের জন্য মুম্বাইয়ে পাঠানো হয়েছে গানটি।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শেষে বঙ্গবন্ধু যখন ক্ষমতায় এলেন, অনেকেই তার সঙ্গে দেখা করেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। যাবই যেহেতু দেখা করতে, মনে চাইল বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি গান লিখে নিয়ে যাই। তিনি আমাকে এমনিতেই আদর করতেন। বঙ্গবন্ধুকে মনেপ্রাণে ভালোবাসা থেকে ‘হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু, তোমার কালো ফ্রেমের চশমাটা আমায় দাও’কবিতাটি লিখে নিয়ে যাওয়ার পর তার খুব পছন্দ হলো। শুনেছিলাম, এটি তিনি বাঁধাই করে ঘরের দেয়ালে রেখেছিলেন।

তিনি বলেন, মাস ছয়েক আগে কুমার বিশ্বজিৎ এই কবিতার খোঁজ পায়। তারপর এটিকে গানে রূপান্তর করার অনুমতি চায়। আমি বলেছি, অনুমতির কিছু নাই, গান বানাবে, এটা তো খুবই আনন্দের খবর। গানটি হবার পর শুনে খুব ভালো লাগলো।’

এই বিভাগের আরো খবর