• মঙ্গলবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৭

  • || ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
৭ ফেব্রুয়ারি একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে করোনায় ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫ কারও ব্যবসায়িক স্বার্থে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেনি সরকার: কাদের দেশের প্রথম নৌপ্রধান ক্যাপ্টেন নুরুল হক আর নেই দেশে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চার লাখ ৮১ হাজার: কাদের বৈধ পথে বাড়ছে রেমিট্যান্স: পলক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৮, শনাক্ত ৬০২ চার ফিফটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯৭ সব জেলায় ৪-৫ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে যাবে: পাপন দেশে পৌঁছেছে সেরামের ৫০ লাখ টিকা রমজানে টিসিবির পণ্য ৩ গুণ বাড়ানো হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী রেশম শিল্পের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে: পাটমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২০, শনাক্ত ৪৭৩ অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক‌্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: কাদের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা শুধু বাসযোগ্য নয়, বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে: তাজুল করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২২, শনাক্ত ৪৩৬ সবার আগে আমি ভ্যাকসিন নেব : অর্থমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ৫৮৪ সার্জেন্টের ওপর হামলাকারী সেই যুবক গ্রেপ্তার

বাঙালিদের হত্যা করে এ কুয়াতেই ফেলত পাকিস্তানি হানাদাররা

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২০  

১৯৭১ সালে রংপুর টাউন হলকে টর্চার সেল বানিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদাররা। টাউন হলের উত্তর পাশে ছিল একটি কুয়া। এ কুয়ার পাশেই ছিল একটি বড়ই গাছ। সেই গাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হতো বাঙালিদের। এরপর হত্যা করে কুয়ায় ফেলে দেয়া হতো। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর দৃশ্যমান হলো সেই কুয়া।

সম্প্রতি ওই স্থানটিকে বধ্যভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে নির্মাণ করা হচ্ছে স্মৃতিসৌধ। সোমবার নির্মাণের জন্য শ্রমিকরা মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে নির্যাতনের চিহ্ন কুয়াটি। সেখানে পাওয়া গেল মানুষের হাড়গোড় ও দুটি দাঁত।

১৯৭১ সালের পুরো ৯ মাস মুক্তিকামী নিরপরাধ বাঙালিদের ধরে এনে টাউন হলে চালানো হতো নির্মম নির্যাতন। বাঙালি রমনীদের ধরে এনে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হতো। পরে এক সময় তাদের হত্যা করা হতো।

অসহায় নারী-পুরুষের আত্মচিৎকারে ভারী হয়ে উঠতো টাউন হল চত্বর। টাউন হল সংলগ্ন উত্তর পাশে ছিল একটি বড় পাকা কুয়া। ঠিক কুয়ার পাশেই ছিল বিশাল এক বড়ই গাছ। প্রতিদিন সেই গাছের ডালে ঝুলিয়ে নিরপরাধ মানুষগুলোকে উলঙ্গ করে নির্যাতন করা হতো। নির্মম নির্যাতনের পর এক সময় তাদের হত্যা করে বড়ই গাছের নিচে কুয়ায় অথবা পাশের তৎকালীন উদ্ভিদ উদ্যান কেন্দ্র (বর্তমানে চিড়িয়াখানা) আমবাগানে মাটিচাঁপা দিয়ে রেখে দিতো।

স্বাধীনতার পরের দিন ১৭ ডিসেম্বর অনেকেই আমবাগানে অসংখ্য গলিত এবং অর্ধগলিত লাশ দেখেছে। ওই স্থানটিকে বধ্যভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন বলেন, যে স্থানটিতে স্মৃতিসৌধ হচ্ছে ওই স্থানে পাকিস্তানি হানাদাররা বাঙালিদের ধরে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করতো। স্বাধীনতার পরদিন সেই স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্বে ১৪৭টি মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়েছিল।

বরগুনার আলো