• শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
একদিনে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার শনাক্ত, মৃত্যু ২৩ জনের বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ১৫৪১, মৃত্যু ২২ জীবন বাঁচাতে জীবিকাও সচল রাখতে হবে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের র‌্যাব-৮ এর অভিযানে মাদারীপুর থেকে জেএমবি’র সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ছাড়াল ৩০ হাজার মমতাকে সহমর্মিতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোন মোংলা ও পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত মহাবিপদ সংকেত জারি সকালে, রাতের মধ্যে আসতে হবে আশ্রয় কেন্দ্রে ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন আম্পানের আঘাতে ১০ ফুটের অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা আরও ১২৫১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২১ জনের আরও ৭ হাজার কওমি মাদ্রাসাকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা পায়রা-মংলায় ৭, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেশে একদিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড সমুদ্রসীমায় অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধ করতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী পাঁচ হাজার টেকনোলজিস্ট নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
৯৬

বাচ্চাকে অন্যের সঙ্গে নয়, নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শেখান

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২০  

 


মানব বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় শিশুকালে। এই সময় বাচ্চাকে যা শেখানো হয় তাই শেখে। কারণ এই বয়সে শিশুর বিবেক-বুদ্ধি অতটা থাকে না। ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা থাকে না। সুতরাং বাচ্চাকে যা শেখানো হয় তাই শেখে। শিশুর মানসিক বিকাশের পর্যায়ে সবসময় ইতিবাচক কথা বলতে হবে। যেমন : বাচ্চা কোনো ভুল করলে বলা যাবে না তুমি এটি কার কাছ থেকে শিখেছ? তাহলে বাচ্চা অন্যের ওপরে দোষ চাপিয়ে দিতে পারে, মিথ্যা কথা বলা শিখতে পারে? বলতে হবে : তুমি এটা কেন করেছ? এতে বাচ্চা ভুল স্বীকার করে নেবে এবং সত্য কথা বলা শিখবে।


সবচেয়ে বড়ো যে ভুলটি আমরা করি সেটি হলো : অন্য বাচ্চার সঙ্গে তুলনা করে বসি। এই তুলনা হতে পারে পড়াশোনায়, খেলাধুলায়, কাজকর্মে, ধর্মীয় রীতিনীতি পালন ইত্যাদি বিষয়ে। কিন্তু প্রশ্ন হলো— এই তুলনা কি বাচ্চাকে আরো আত্মবিশ্বাসী করে তোলে?

অবশ্যই না। বাচ্চা কেন, পৃথিবীতে কারো সঙ্গেই কারোর তুলনা করতে নেই। কারণ প্রতিটা মানুষই সম্পূর্ণ আলাদা ও অনন্য। সবাই সবদিকে সমান হবে না এটাই স্বাভাবিক। একেকজন একেকদিক দিয়ে পারদর্শী হবে।

বাচ্চাকে তুলনা করলে তার আত্মবিশ্বাস কমে যায়। নিজেকে অযোগ্য, দুর্বল ভাবতে শুরু করে। নিজের জীবনের প্রতি খেয়াল না রেখে অন্যের জীবনে পড়ে থাকে। অপরের চিন্তাভাবনা, কাজকর্মকে অনুসরণ করে। এতে নিজের স্বকীয়তাকে হারিয়ে ফেলে। সবাইকে তার প্রতিযোগী মনে করে। সরল দুনিয়াটাকে জটিল বানিয়ে ফেলে।

বাচ্চার স্পৃহা বাড়ানোর জন্য অনেক বাবা-মা নিজের সন্তানকে অন্যের সন্তানের সঙ্গে তুলনা করেন। এমন করলে একটা বাচ্চার ওপর দিয়ে কেমন অসুস্থ মানসিক চাপ বয়ে যায় তা বুঝতে পারে না। এসব বাবা-মা কখনো ভাবে না যে, এই বাচ্চাটাই যদি তার বাবা-মাকে অন্যের বাবা-মায়ের সঙ্গে তুলনা করত তাহলে কেমন লাগত!

তুলনা করতে হবে তবে অন্যের সঙ্গে নয়, আমার গতকালের সঙ্গে আমার আজকের। নিজের সঙ্গে তুলনা করলে নিজের সক্ষমতা, দুর্বলতা সম্পর্কে জানা যায়। কারণ মনে রাখতে হবে :

নিজের সঙ্গে তুলনা করলে মানুষ অতুলনীয় হয়ে ওঠে আর অন্যের সঙ্গে তুলনা করলে মানুষ হিংসুক হয়ে ওঠে।

লেখক : হাসান তাসনিম শাওন

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বরগুনার আলো
লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর