রোববার   ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৬   ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বরগুনায় তিন দিনব্যাপি কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু নারীরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাবেন  নারীর স্বনির্ভরতা অর্জনে সকলকে একযোগে কাজ করতে রাষ্ট্রপতির আহবান সচিবালয়ের আশপাশে হর্ন বাজালেই জেল-জরিমানা পরস্পরের সালাম শুভেচ্ছা বিনিময়ের শ্রেষ্ঠ প্রথা মানবাধিকার দিবসে প্রকাশ্যে আসছেন এসিডদগ্ধ দীপিকা দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর নির্মাণকাজের উদ্বোধন   শুরু হলো বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিজয়ীদের চলচ্চিত্র পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিপিএল উদ্বোধনীতে সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ মঞ্চ প্রস্তুত, অপেক্ষা কিছুক্ষণের রাত পোহালেই সমাবর্তন বরিশাল মহানগর আ’লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর, সম্পাদক সাদিক মরা গাঙে জোয়ার আর আসে না, বিএনপিকে কাদের ‘পানিপথ’ বনাম ‘পতি পত্নী অউর ওহ’ বেগম রোকেয়া পদক পাচ্ছেন ৫ বিশিষ্ট নারী ক্রিকেটেও স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা পবিত্র ফাতিহা-ই-ইয়াজদাহম সোমবার বিজয় র‌্যালিতে বিএনপির হামলা, ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত ২০ বিজয় দিবসে অভ্যর্থনায় ভারত যাচ্ছেন ৩০ মুক্তিযোদ্ধা
১৮

বিআরআই এবং ইন্দো-প্যাসিফিক একে অপরের পরিপূরক

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০১৯  

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ (বিআরআই) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশন— উভয়কেই উন্নয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে বাংলাদেশ। তিন দিনব্যাপী ঢাকা ডায়ালগের প্রথম দিন সোমবার (১১ নভেম্বর) ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন’ শীর্ষক সেশনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই দুটি উদ্যোগ একে অপরের পরিপূরক এবং এদের মধ্যে কোনও সংঘর্ষ নেই।’
এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ ও সমুদ্রসম্পদ সহযোগিতাসহ অন্যান্য সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু উন্নয়ন ছাড়া অন্য কোনও এজেন্ডা যদি থাকে, তবে সেই ফাঁদে ঢাকা পা দিতে চায় না বলে তিনি জানান।
ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সিনিয়র নেতা রাম মাধব চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের বিরোধিতা করে বলেন, ‘এই উদ্যোগ আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয়নি এবং এটি কোনও সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত নয়।’ এই ধরনের উদ্যোগ থেকে তাদের সুরক্ষা পাওয়া দরকার বলে মনে করেন রাম মাধব। এই অঞ্চলে একটি স্নায়ুযুদ্ধের উদ্ভব হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এই স্নায়ুযুদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে হবে।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, এই শতকে এশিয়ার দেশগুলো উন্নতি লাভ করবে এবং বড় শক্তিগুলো এশিয়ার বিষয়ে এখন অনেক বেশি মনোযোগী। বড় শক্তিগুলোর এখন একটি প্ল্যাটফর্ম ও আইনগত ভিত্তি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের আরও কাছে আসতে হবে, বাণিজ্য বাধা দূর করতে হবে এবং একে অপরের সঙ্গে আরও আলোচনা করতে হবে।’ এই অঞ্চলে ১০ সদস্যবিশিষ্ট আসিয়ান একটি বড় ভূমিকা রাখছে কিন্তু তারা তাদের সদস্য হওয়ার দরজা বন্ধ রেখেছে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে এই বাজারে ভূমিকা রাখার জন্য সুযোগ দেওয়া উচিত।’

বিজেপি নেতা রাম মাধব বলেন, ‘এই অঞ্চলে অনেক কিছু হচ্ছে এবং পৃথিবীর শক্তির ভারসাম্য এখন এই অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে।’ তিনি বলেন, এই অঞ্চলের সহযোগিতার মূল চালক বাণিজ্য নয়, বরং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা।
জাতিসংঘ যখন তাদের নিয়ম বানিয়েছিল তখন মূল ফোকাস ছিল আটলান্টিক ও প্যাসিফিক, কিন্তু এখন সেটি পরিবর্তিত হয়ে ভারত মহাসাগরে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘এখন নতুন নিয়ম বানানোর সময় এসেছে এবং এই নতুন নিয়ম বানানোর জন্য শুধুমাত্র বড় শক্তিগুলোকে দায়িত্ব দিলে হবে না, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকেও দায়িত্ব দিতে হবে।’

ঢাকা ডায়ালগের প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশনে পররাষ্ট্র সচিব জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিবাসন নিয়ে বলেন, এ-সংক্রান্ত বিষয়ে দর-কষাকষি নিয়ে আমরা হতাশ।
তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত আলোচনা এখন নিশ্চল অবস্থায় রয়েছে এবং এই কারণে অনেক দেশ তাদের নিজের মতো করে ব্যবস্থা নিচ্ছে।’
বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলের বিষয়ে তিনি বলেন, এর জন্য বিশ্বের ধনী দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তারা অর্থ দেয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা জলবায়ু নায্যতার কথা বলি, তখন কেউ আমাদের কথা শুনতে চায় না।’
তিন দিনব্যাপী ঢাকা ডায়ালগে প্রায় ৫০টি দেশের মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, আমলা, একাডেমিশিয়ান ও বেসরকারি খাতের প্রায় ২০০ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে এর উদ্বোধন করেন।

এই বিভাগের আরো খবর