বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
পর্দা নামলো ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড এক্সপোর কুষ্টিয়ায় শুরু হলো তিনদিন ব্যাপী লালনমেলা বাংলাদেশই বিশ্বসেরা, প্রবৃদ্ধি হবে ৭.৮ শতাংশ হাজার কোটি টাকার চেকের কপি প্রতারক চক্রের বাসায়! ৯ কর্মীকে তলব, একজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ইন্দোনেশিয়া থেকে সরাসরি পণ্য আমদানির সুযোগ চায় বাংলাদেশ পার্বত্য জেলায় সন্ত্রাস-মাদক নির্মূল করা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক সহকারী কর কমিশনারকে গ্রেপ্তার করল দুদক র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ পেলেই শাস্তি: আইনমন্ত্রী একাদশ সংসদের পঞ্চম অধিবেশন শুরু ৭ নভেম্বর যেখানে দুর্নীতি-টেন্ডারবাজি সেখানে অভিযান- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাহাদ হত্যা মামলায় বিশেষ প্রসিকিউশন টিম হবে: আইনমন্ত্রী ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিতে বাকু যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর বিএসএমএমইউয়ে বিশ্ব অ্যানেসথেসিয়া ও মেরুদণ্ড দিবস পালিত মুন্সিগঞ্জের ১৩টি সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ধারাবাহিকতার কারণেই উন্নয়ন প্রকল্প গতিশীল: প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় বিশ্বহাত ধোয়া দিবস পালিত 
১৩

বিএনপির সবাই দুর্নীতিতে ডুবে আছে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বিএনপির শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে প্রত্যেকেই মাথা পর্যন্ত দুর্নীতিতে ডুবে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘ইনডেমনিটি আইন এক কালো অধ্যায়, ভুলিনি এবং ভুলবো না’  শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

বিএনপির উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, আজ বিএনপির লোকেরা ক্যাসিনো বিষয়ে অনেক বেশি সোচ্চার। শেখ হাসিনার সাহস আছে অন্যায়কারীদের ধরার, সে যে দলেরই হোক। বিএনপি যারা এতিমের টাকা যারা মেরে খায়, তাদের বাদ দেওয়ার সাহস করতে পারে না। যারা দুর্নীতি করে, তাদের বিরুদ্ধে একমাত্র শেখ হাসিনাই অ্যাকশন নিতে পারেন। তিনিই পারেন বাংলাদেশকে দুর্নীতি মুক্ত করতে। 

তিনি বলেন, দলের আরেকজন যিনি দুর্নীতির কারণে মুচলেকা দিয়ে বিদেশে পলাতক, তাকে দু’টো গালিও দিতে পারে না বিএনপি। শুধু বড় বড় কথা বলতে পারেন আপনারা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি আমাদের শেখাবেন না। আমরা আপনাদের দুর্নীতির বিচার করেছি বলেই আপনাদের এত মাথাব্যথা। 

আনিসুল হক বলবেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সাল থেকেই বাঙালির স্বাধিকারের জন্য আন্দোলন করেছেন। বাংলাদেশে আরও অনেক নেতার কথা বলা যায়, কিন্তু সবার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর একটাই পার্থক্য, তিনি কোনোদিন বাঙালি ও বাংলাদেশের স্বাধিকারের প্রশ্নে আপস করেননি। তিনি লোভ-লালসার বশবর্তী হয়ে জনগণের কথা ভুলে যাননি। তিনি সবসময় দেশ ও দেশের মানুষের কষ্ট নিজের ঘাড়ে নিয়েছেন, বাঙালিকে কখনোই কষ্ট দেননি। 

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কর্নেল ফারুক ও রশিদ যখন জিয়াউর রহমানকে রহমানকে গিয়ে বলেন, তারা শেখ মুজিবকে হত্যা করতে চান, তখন জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, আমি তো করতে পারবো না, তোমরা করলে আমাদের অসুবিধা নেই। এটা খুনিরাই স্বীকার করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী জিয়াউর রহমান। 

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান করাচিতে শিক্ষিত ও খুনি খন্দকার মোশতাক পাকিস্তানের মোহে মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন, বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র হোক। বাংলাদেশ ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হলে জনগণ বঙ্গবন্ধুকে ভুলে যাবে ও আমরা পাকিস্তানে আরও কাছাকাছি চলে যাবো। কনফেডারেশন না হোক, অন্তত সেকেন্ড পাকিস্তান হবে বাংলাদেশ- এটাই ছিল তাদের মূল পরিকল্পনা। 

বিভিন্ন জাতীয় হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, জেল হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হয়েছে।  

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর দায়মুক্তি অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক বছর ২৬ সেপ্টেম্বরকে কালো দিবস হিসেবে পালন করা হোক, কালা-কানুন দিবস হিসেবে আয়োজন শেষ হোক ১২ নভেম্বর। কারণ, সংসদে ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর এই ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর-নভেম্বর এই কয়েকটা দিন আমরা যদি সারা বাংলাদেশে কালো দিবস হিসেবে পালন করি, তাহলে সবাই জানতে পারবে ২৬ নভেম্বর কী হয়েছিল ও ১২ নভেম্বর কী হয়েছিল। সেই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও জানতে পারবে, কোনো কালা-কানুন করলে তা কখনোই টিকে না। কারণ, বঙ্গবন্ধুই বলে গেছেন, জনগণের ভাষা দাবিয়ে রাখা যাবে না। 

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের (মূল কমিটি) সভাপতি অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। আলোচনায় অংশ নেন অভিনেতা আজিজুল হাকিম, কেরামত মাওলা, চারুশিল্পী সংসদের মনিরুজ্জামান, আমিরুল হক, মান্নান হীরা, চিত্রনায়ক রিয়াজ প্রমুখ। 

আলোচনা সভার শুরুতেই ইনডেমনিটি আইন বিষয়ে একটি ডকুমেন্টারি দেখানো হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন উক্তি পাঠ করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মীরা।

এর আগে, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর