• মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনা খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চলছে: কৃষিমন্ত্রী সারা দেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৩৮১ জনের করোনা শনাক্ত পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলছে: রেলমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪৫ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৪০ জন বাস ভাড়া যৌক্তিক সমন্বয়, প্রজ্ঞাপন আজই: ওবায়দুল কাদের এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো না: প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে এসএসসির ফল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল ১২টার পরিবর্তে ১১টায় প্রকাশ হবে এসএসসির ফল করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৬৪ পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি. দৃশ্যমান, বসল ৩০তম স্প্যান পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান বসছে আজ একদিনে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার শনাক্ত, মৃত্যু ২৩ জনের বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ১৫৪১, মৃত্যু ২২ জীবন বাঁচাতে জীবিকাও সচল রাখতে হবে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের
৬৭

বিএনপির সবাই দুর্নীতিতে ডুবে আছে: আইনমন্ত্রী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বিএনপির শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে প্রত্যেকেই মাথা পর্যন্ত দুর্নীতিতে ডুবে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘ইনডেমনিটি আইন এক কালো অধ্যায়, ভুলিনি এবং ভুলবো না’  শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

বিএনপির উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, আজ বিএনপির লোকেরা ক্যাসিনো বিষয়ে অনেক বেশি সোচ্চার। শেখ হাসিনার সাহস আছে অন্যায়কারীদের ধরার, সে যে দলেরই হোক। বিএনপি যারা এতিমের টাকা যারা মেরে খায়, তাদের বাদ দেওয়ার সাহস করতে পারে না। যারা দুর্নীতি করে, তাদের বিরুদ্ধে একমাত্র শেখ হাসিনাই অ্যাকশন নিতে পারেন। তিনিই পারেন বাংলাদেশকে দুর্নীতি মুক্ত করতে। 

তিনি বলেন, দলের আরেকজন যিনি দুর্নীতির কারণে মুচলেকা দিয়ে বিদেশে পলাতক, তাকে দু’টো গালিও দিতে পারে না বিএনপি। শুধু বড় বড় কথা বলতে পারেন আপনারা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি আমাদের শেখাবেন না। আমরা আপনাদের দুর্নীতির বিচার করেছি বলেই আপনাদের এত মাথাব্যথা। 

আনিসুল হক বলবেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সাল থেকেই বাঙালির স্বাধিকারের জন্য আন্দোলন করেছেন। বাংলাদেশে আরও অনেক নেতার কথা বলা যায়, কিন্তু সবার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর একটাই পার্থক্য, তিনি কোনোদিন বাঙালি ও বাংলাদেশের স্বাধিকারের প্রশ্নে আপস করেননি। তিনি লোভ-লালসার বশবর্তী হয়ে জনগণের কথা ভুলে যাননি। তিনি সবসময় দেশ ও দেশের মানুষের কষ্ট নিজের ঘাড়ে নিয়েছেন, বাঙালিকে কখনোই কষ্ট দেননি। 

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কর্নেল ফারুক ও রশিদ যখন জিয়াউর রহমানকে রহমানকে গিয়ে বলেন, তারা শেখ মুজিবকে হত্যা করতে চান, তখন জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, আমি তো করতে পারবো না, তোমরা করলে আমাদের অসুবিধা নেই। এটা খুনিরাই স্বীকার করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী জিয়াউর রহমান। 

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান করাচিতে শিক্ষিত ও খুনি খন্দকার মোশতাক পাকিস্তানের মোহে মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন, বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র হোক। বাংলাদেশ ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হলে জনগণ বঙ্গবন্ধুকে ভুলে যাবে ও আমরা পাকিস্তানে আরও কাছাকাছি চলে যাবো। কনফেডারেশন না হোক, অন্তত সেকেন্ড পাকিস্তান হবে বাংলাদেশ- এটাই ছিল তাদের মূল পরিকল্পনা। 

বিভিন্ন জাতীয় হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, জেল হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হয়েছে।  

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর দায়মুক্তি অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক বছর ২৬ সেপ্টেম্বরকে কালো দিবস হিসেবে পালন করা হোক, কালা-কানুন দিবস হিসেবে আয়োজন শেষ হোক ১২ নভেম্বর। কারণ, সংসদে ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর এই ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর-নভেম্বর এই কয়েকটা দিন আমরা যদি সারা বাংলাদেশে কালো দিবস হিসেবে পালন করি, তাহলে সবাই জানতে পারবে ২৬ নভেম্বর কী হয়েছিল ও ১২ নভেম্বর কী হয়েছিল। সেই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও জানতে পারবে, কোনো কালা-কানুন করলে তা কখনোই টিকে না। কারণ, বঙ্গবন্ধুই বলে গেছেন, জনগণের ভাষা দাবিয়ে রাখা যাবে না। 

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের (মূল কমিটি) সভাপতি অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। আলোচনায় অংশ নেন অভিনেতা আজিজুল হাকিম, কেরামত মাওলা, চারুশিল্পী সংসদের মনিরুজ্জামান, আমিরুল হক, মান্নান হীরা, চিত্রনায়ক রিয়াজ প্রমুখ। 

আলোচনা সভার শুরুতেই ইনডেমনিটি আইন বিষয়ে একটি ডকুমেন্টারি দেখানো হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন উক্তি পাঠ করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মীরা।

এর আগে, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়।

বরগুনার আলো
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর