মঙ্গলবার   ১২ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৭ ১৪২৬   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
সংসদে বাংলাদেশের পতাকবাহী জাহাজ (সুরক্ষা) বিলের রিপোর্ট উপস্থাপন মুজিব বর্ষ উদযাপনে ভারতের আগ্রহ রয়েছে: রাম মাধব বাংলা বন্ড চালু বিশ্ব অথনীতিতে একটি বড় পদক্ষেপ:অর্থমন্ত্রী ইন্দো-প্যাসিফিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ মোমেনের ২০২০ সালের হজ নিয়ে সৌদির সাথে বাংলাদেশের চুক্তি ১ ডিসেম্বর সম্প্রচারের অপেক্ষায় ১১টি বেসরকারি টিভি মাছের মুখ দেখতে মানুষের মতো! র‌্যাবের অভিযানে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরি চক্রের হদিস আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ফিরিয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা: নাসিম বাণিজ্যমন্ত্রীর হাতে ফুল দিয়ে আলোর পথে ১৩ ডাকাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা লন্ডনে কমনওয়েলথ মেলায় আবাসিকে গ্যাস সংযোগের পরিকল্পনা সরকারের নেই পাঁচ দিনের সফরে কেনিয়া গেলেন পরিকল্পনামন্ত্রী শাহ আমানতে চার্জার লাইটের ব্যাটারি থেকে সোনা জব্দ জ্বিনে ধরেছে আইরিনকে! বরফের সুনামি! সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় (ভিডিও) স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে থানায় হাজির হলেন স্বামী! বুলবুলের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় `পবন` আইন সংশোধন: পিপিপিতে বছরে একটি সভা
৫৯

বিএনপি ছাড়লেন লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০১৯  

 বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আলী আসগর লবি, কেন্দ্রীয় অর্থ বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, এম মোরশেদ খানের পর এবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বিএনপির রাজনীতি ত্যাগ করেছেন।

বুধবার (৬ নভেম্বর) মাহবুবুর রহমান নিজেই রাজনীতি থেকে অবসরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘কথাটা ঠিক, আমি রাজনীতি করি না। রাজনীতি থেকে সরে এসেছি। আমি রিজাইন করেছি দল থেকে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছি। দেড় মাস থেকে দুই মাস আগে।’

লে. জে. (অব.) মাহবুব বলেন, ‘কারণ হচ্ছে আমি বয়স্ক মানুষ। সামনের ডিসেম্বরে ৮০ বছর পূর্ণ হবে। রাজনীতিতে কনট্রিবিউট করার মতো আমার কিছু নেই। আমি রাজনীতি নিয়ে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছি। বাংলাদেশে রাজনীতি নেই। এখানে কোনও আদর্শও নেই। এখানে রাজনীতির নামে একটা এক্সপ্লয়টেশন চলছে। একটা তোষামোদ, ধাপ্পাবাজি ও মিথ্যাচারিতা চলছে।’

মাহবুবুর রহমান আরো বলেন, ‘বেগম জিয়ার কাছে তো পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আমি চিঠি দিয়েছি মহাসচিব বরাবর। তবে দল থেকে কিছু বলা হয়নি। আমার যেটা অব্লিগেশন; আমি ফ্রি অব দ্য অব্লিগেশনস।’

এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়টি মহাসচিব বলতে পারেন। কারণ, বিষয়টি আমাদের নলেজেই আসেনি। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তো বিষয়টি উত্থাপিত হয়নি।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সূত্র জানায়, মাহবুবুর রহমানের পদত্যাগের পেছনে কারণ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি বিরোধিতা করা। গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি একাধিক অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যান নিয়ে মন্তব্য করেন।

এর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন মাহবুবুর রহমান। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে দিনাজপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন।

এই বিভাগের আরো খবর