শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে যারা ফখরুল-রিজভীসহ ১৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে ‘কনসার্ট ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এসক্যাপ অধিবেশনে যোগ দিতে শেখ হা‌সিনা‌কে আমন্ত্রণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ন্যায়বিচার-নিরাপত্তা দাবি অক্সফামের কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ কাল নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন ওবায়দুল কাদের ‘ফুড চেইনের মাধ্যমে প্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করছে’ বিশাল জয়ে শুরু কুমিল্লার বঙ্গবন্ধু বিপিএল মিশন টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ গ্রেটা থানবার্গ বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দেবে এডিবি ‘বিদেশগামীদের জন্য চালু হচ্ছে প্রবাসী কর্মী বিমা’ প্রেষণে বদলি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ৯ জিএম জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মাদককে দেশ ছাড়া করবো: আইজিপি
১০৫

বিদ্যাসাগরের ২০০ বছরের পুরোনো সিন্দুকে যা পাওয়া গেল

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৯  

উপমহাদেশের ইতিহাসে বিদ্যা সাগর এক অবিস্মরণীয় নাম। পিছিয়ে পড়া ভারতবাসীকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান সবারই জানা।

২০০ বছর পরও তিনি বেঁচে আছেন তার কাজের ভেতর দিয়ে। এদিকে সম্প্রতি বিদ্যা সাগরের কিছু অমূল্য নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে সিন্দুক। খুঁজে পাওয়ার পর  দীর্ঘ চার ঘণ্টার চেষ্টায় খোলা সম্ভব হয় ২০০ বছরের পুরোনো সেই সিন্দুক।

ঐতিহ্যশালী সংস্কৃত কলেজ ও বর্তমানের সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুদাম ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সেই সিন্দুক থেকে মিলল নানা মূল্যবান নথিপত্র, রুপার পদক, চেক ইত্যাদি। তবে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের তৈরি বিধবাদের জন্য তৈরি ফান্ডের নথি।

ব্রিটিশ আমলে বিদ্যাসাগরের হাত ধরেই বিধবা বিবাহের আইন পাশ হয়েছিল। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে যেখানে বিধবাদের দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা ভাবাও ছিল পাপ, সেখানে বিধবা বিবাহ প্রবর্তন করতে সফল হয়েছিলেন বিদ্যাসাগর।

শুধু তাই নয়, বিধবাদের সাহায্যার্থে  অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছিল, সে প্রমাণও এবার দিল ২০০ বছরের পুরোনো সিন্দুকটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোমা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন একটি পুরোনো নথি। মুক্তকেশী দেবীর বিধবা ফান্ড নামাঙ্কিত সেই নথিতে কোনো স্বামীহারা মহিলা কত অর্থ পেয়েছেন, তার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

শ্রীধরপুর, জেলা বর্ধমানের উল্লেখ রয়েছে সেখানে। নথিটি ১৯৫৬ সালের বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ ফান্ডটি যে দীর্ঘদিন চালু ছিল, এ তারই প্রমাণ।

এই নথির পাশাপাশি আরো বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তির হিসেব সংক্রান্ত নথি মিলেছে। মিলেছে সাতটি এনভেলপ। শ্রী এ ভেঙ্কটরমন শাস্ত্রীর নামে ১৯৪৬ সালের ব্যাংকের অর্থ জমার কাগজপত্রও পাওয়া গিয়েছে সিন্দুক থেকে।

এছাড়াও তিনটা রুপার পদক উদ্ধার করা গিয়েছে। দুটি গঙ্গামণি দেবী রুপার পদক ও একটি এ এন মুখার্জি রুপার পদক পাওয়া গিয়েছে। সংস্কৃতিতে প্রথম স্থান অধিকারীকে সংস্কৃত ও প্রেসিডেন্সি কলেজ মিলে গঙ্গামণি দেবী রুপার পদকে সম্মানিত করা হতো। একটি ১৯১৯ এবং অন্যটি পদকটি ১৯৬৫ সালের পদক।

এ এন মুখার্জি রুপার পদকটি দেয়া হতো ইংরেজি ভাষার সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপককে। বাকি এনভেলপগুলি ভিসির অনুমতি নিয়ে খোলা হবে। এই সমস্ত নথির ঐতিহাসিক মূল্য ঠিক কতটা, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য।

শুক্রবার বেলা ১২ টার আগে থেকে পুরোনো সিন্দুকটি খোলার চেষ্টা চলে। চাবি তৈরি করেও তা খোলা যায়নি। চার ঘণ্টার চেষ্টায় শেষমেশ তা খোলে।

গুদামে অনেক আবর্জনা ছিল বলে হয়তো ঢাকা পড়ে গিয়েছিল সিন্দুকটি। এছাড়াও মেলে একটি দেয়াল সিন্দুক। যেখানে ৮৫টি পাস বই মিলেছে। সেগুলি বেশির ভাগই পোস্ট অফিসের বই। ১৯৩০ সালের। সেখান থেকে স্কলারশিপের টাকা দেয়া হতো বলে মনে করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর