রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো অভিযোগ নেই- গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি : বিএনপি নেতা ফারুকসহ ৩জন কারাগারে ছয় দিনের রিমান্ডে সম্রাট প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু: প্রস্তুত ২৯ লাখ শিক্ষার্থী ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি পেসারের ৮ উইকেট আজ মজলুম জননেতা হামিদ খান ভাসানীর প্রয়াণ দিবস আমিরাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ আমার বাসায় সমস্ত রান্না হয়েছে পেঁয়াজ ছাড়া- প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির টাকা দিয়ে ফুটানি চলবে না : প্রধানমন্ত্রী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল সম্পাদক বাবু বরগুনায় আয়কর মেলা উদ্বোধন পেঁয়াজ বিমানে উঠে গেছে কাল-পরশু এলেই দাম কমবে- প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মূল বক্তা মোদি প্রধানমন্ত্রী দুবাই যাচ্ছেন আজ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন আজ মেসির জাদুতে ব্রাজিলকে হারাল আর্জেন্টিনা আয়কর দিলেন অর্থমন্ত্রী, রিটার্ন দাখিল প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনায় পুলিশ এখন দক্ষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলকাতা টেস্ট দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়ে শেখ হাসিনাকে মোদীর চিঠি
১৩৩

বিপুল পরিমান ইয়াবা নিয়ে ধরা ৪ মা-মেয়ে, এক ভারতীয় নাগরিক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০১৯  

চট্টগ্রাম মহানগরীর নাসিরাবাদে অভিযান পরিচালনা করে বিপুলপরিমাণ ইয়াবাসহ ৫ নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ৭ এর একটি আভিযানিক দল। এদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক আছে। তাদের কাছ থেকে ১৭৮৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব ৭, অপরাধ প্রতিরোধ কম্পানি ৩ এর স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, এরা একটি সংঘবদ্ধ মাদক পাচারকারী চক্র। এর আগেও এরা বিভিন্ন কৌশলে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় মাদক পাচার করে নিয়ে গেছে। এবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে চারজন সম্পর্কে মা-মেয়ে ও একজন ভারতীয় নাগরিক আছে।

আটককৃতরা হলেন ভারতীয় নাগরিক কোমল কর (২৮), নাইমা (২৮) ও তার মা রোজিনা বেগম (৫২) এবং সুমাইয়া ইসলাম (২১) ও তার মা শাহনাজ বেগম (৫০)। এদের কাছ থেকে বিপুলপরিমাণ ইয়াবা, একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

এএসপি তারেক আজিজ আরো জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীর নাসিরাবাদ এলাকায় তাদের বহনকারী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে এই মাদক উদ্ধার করা হয়। মাদকগুলো কোমল ও নাইমার ভ্যানিটি ব্যাগে ছিল। এরা এই ইয়াবাগুলো বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে। এমনকি এরা এই মাদক ভারতেও পাচার করে। মিয়ানমার থেকে ভারতে পাচারের একটি নিরাপদ রুট হিসেবে তারা বাংলাদেশকে ব্যবহার করে বলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র‍্যাবের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

এই বিভাগের আরো খবর