বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
একজন মায়ের গল্প ইমিগ্রেশন: চোখের আইরিশের তথ্য দেবে ইসি তরুণদের দেখে আমি গর্বিত: সজীব ওয়াজেদ তিন হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা বুধবার বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল করেছে স্থিতিশীল সরকার- আইন মন্ত্রী সেতু বিভাগ, পাট ও পিএসসিতে নতুন সচিব ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে রাজস্ব কর্মকর্তা আটক আবারও ১৪ ভারতীয় জেলে আটক সাতটি অভ্যাস মানুষের ধ্বংস ডেকে আনে দেশজুড়ে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে: সজীব ওয়াজেদ চিফ হুইপের সঙ্গে ত্রিপুরা কংগ্রেসের চিফ হুইপের সাক্ষাৎ বাড়তি সুযোগের আশায় ভাসানচর যেতে রাজি রোহিঙ্গারা সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়ে শেষমেশ পথ ছাড়লেন নেতানিয়াহু একনেকে ৫ প্রকল্পের অনুমোদন, ব্যয় হবে ৪৬৩৬ কোটি কানাডায় আবারও জয়ী জাস্টিন ট্রুডো নকশা না মেনে গাড়ি নামালে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী গতিশীল নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী এখন বিশ্ব নেতা- কাদের বছরের প্রতিটি দিনই সড়ক নিরাপদ রাখতে হবে: পলক অস্ত্র মামলায় কারাগারে পাগলা মিজান দৃশ্যমান হলো পদ্মাসেতুর ২২৫০ মিটার
৫১

বিড়াল পেল সরকারি চাকরি, আইডি কার্ড ঝুলিয়ে অফিসও করছে!

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 


ব্রাজিলের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আইন পরামর্শক বিভাগ লিওন নামে একটি বিড়ালের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রচণ্ড ঝড়ে বিধ্বস্ত ব্রাজিলের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ আমপা। ওইদিন ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে একটি বিড়াল ছানা আশ্রয় নেয়। প্রথম দর্শনে কার্যালয়ের বেশ কয়েকজন কর্মীর বিড়ালটিকে ভালো লেগে যায়। তারা পরম মমতায় বিড়ালটিকে পুষতে থাকেন। এভাবে বেশ আরাম-আয়েশে সরকারি ভবনে বিড়ালটির দিন ভালোই কাটছিল।

কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি নিয়ে নালিশ জানায়। তাদের যুক্তি ছিল- অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে বিড়াল পোষা কতটা যুক্তিযুক্ত! তারা বিড়ালটি রাস্তায় ফেলে দেয়ার দাবি জানায়। তবে বিড়ালটিকে যারা আশ্রয় দিয়েছেন তারা সেই দাবি মানতে রাজি হননি। 


 
উভয় পক্ষের টানাটানিতে যখন বিড়ালটির ভবিষ্যত বিপন্ন তখন এগিয়ে আসেন  কার্যালয়ের আইন পরামর্শক বিভাগের প্রেসিডেন্ট ড. জ্যানেট লারিডো।  তিনি বিড়ালটিকে কার্যালয়ের অভ্যর্থনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেন।

ড. জ্যানেট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিড়ালটির ছবিসহ এই ঘটনার বিবরণ পোস্ট করেন। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তা ভাইরাল হয়ে যায়। প্রায় এগারো হাজারবার পোস্টটি শেয়ার হয়েছে।  

বর্তমানে অভ্যর্থনাকারী হিসেবে বেশ সুখেই আছে বিড়ালটি। প্রতিদিন গলায় সরকারি আইডি কার্ড ঝুলিয়ে অফিসও করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে তার নামে। সেখানে প্রতিদিন ছবি দিয়ে তার উপস্থিতি জানান দিচ্ছে সে। 

তবে বিড়ালটির জন্য সবচেয়ে খুশির বিষয়- এক সময় যারা তাকে বের করে দিতে চেয়েছিল, বর্তমানে তারাও তাকে আদর-যত্ন করছে।