শনিবার   ১৭ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ২ ১৪২৬   ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
রবি শাস্ত্রীর পুনঃনিয়োগে নাখোশ ভারতীয় সমর্থকরা চামড়ার দরপতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার হবে: তথ্যমন্ত্রী বোর্ডের কাছে দুই মাসের সময় চাইলেন মাশরাফি মোটরসাইকেলসহ দুই চোর গ্রেফতার ডেঙ্গুজ্বর থেকে মুক্তি পেতে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ অ্যাপ চালু দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১৪ বছর আজ মেসিহীন হার দিয়ে লা লিগা শুরু বার্সার আজ থেকে হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু কবি শামসুর রাহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কবিরা গুনাহকারীরা কি চিরকাল জাহান্নামে থাকবে? মিরপুরে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে ২০ ইউনিট ১৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই বাড়তি ভাড়া আদায়ের অপরাধে ১৭ পরিবহনকে জরিমানা ‘সবসময় যারা আমাদের বাড়িতে ঘোরাঘুরি করতো তারাই সেই খুনি’   হাতঘড়ির ফ্যাশন ফিরে এসেছে দেশে শেখ হাসিনার জীবনই এখন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ : কাদের বিশ্বের আট গুরুত্বপূর্ণ শহরে ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন করা হবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতিতে জঙ্গি দমন সম্ভব হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৭৭

বেগম জিয়ার মুক্তি নিয়ে গয়েশ্বরের বক্তব্যে বিভ্রান্তিতে বিএনপি!

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০১৯  

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে নাকি শেখ হাসিনাকে খুশি করবে সেই সিদ্ধান্ত আগে নিতে হবে, এমন মন্তব্য করে দলীয় রোষানলে পড়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। দলের সংকটে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোয় গয়েশ্বরের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে বেগম জিয়ার মুক্তি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের দ্বিধান্বিত অবস্থান ও দলের সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করে গয়েশ্বরের এমন বক্তব্যে দলের অভ্যন্তরে সমালোচনা শুরু হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে ভবিষ্যতে সচেতন হয়ে বক্তব্য দেয়ায় পরামর্শ দিয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, চলমান রাজনৈতিক পরিক্রমায় বিএনপি কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতা কিছুটা দলীয় কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি করেছে। যার কারণে বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলনও পিছিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়াতেও সমন্বয়হীনতা রয়েছে সামান্য। আমরা আদালতকে উপযুক্ত যুক্তি প্রদর্শন করে কনভিন্স করতে পারছি না। যার কারণে ম্যাডামের মুক্তিতে সময় লাগছে।

তিনি আরো বলেন, তবে ক্ষমতাসীন সরকারকে খুশি করে বেগম জিয়ার মুক্তি আদায় কখনই বিএনপির লক্ষ্য হতে পারে না। ক্ষমতাসীনদের কাছে বিএনপির রাজনীতি বন্দী নেই। বিএনপির রাজনীতিকে নিজেরাই গৃহবন্দী করেছি। আমাদের ভয়, ভীতি, দুর্বলতা ও লেজুড়বৃত্তির কারণে নেত্রী ও দলের এই দুরবস্থা। বিএনপির শত্রু ক্ষমতাসীনরা নন, বরং অভ্যন্তরীণ কোন্দলই বিএনপির বড় শত্রু।

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে দলটির স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বেফাঁস কথা বলেন বড় বেশি। আমরা কাউকে খুশি করতে চাই না, আমরা আইনি প্রক্রিয়াতেই বেগম জিয়াকে মুক্ত করবো। এজন্য আদালত ও রাজপথে বিএনপির সরব উপস্থিতি প্রয়োজন। কিন্তু আমরা সেটি না করে দোষারোপ ও প্রলাপ করছি। বিভ্রান্তিমূলক কথা বলার জন্য তার অবস্থান নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠে দলে। কাজের কাজ না করে অযৌক্তিক কথা বললেই রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না। ভবিষ্যতে গয়েশ্বরকে আরো সাবধান হয়ে কথা বলা উচিত।

এই বিভাগের আরো খবর