শুক্রবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৬   ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
বিএনপিপন্থিদের হট্টগোল কলঙ্কজনক-আদালত অবমাননা অন-অ্যারাইভাল ভিসাসহ বাংলাদেশ-ভারতের নৌপথে খুলছে অনেক জট ‘বিশ্বসুন্দরী’র রোমান্টিক গান নিয়ে হাজির সিয়াম-পরী মেয়েদের রৌপ্য, বাকী জিতেছেন ব্রোঞ্জ আইনজীবী তালিকাভুক্তি নিবন্ধন পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি পদক পাচ্ছেন ডিজিসহ বিজিবির ৬০ সদস্য আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগের নতুন সচিব নূর-উর রহমান মানুষের রক্ত চুষে বড় লোক হবেন না: রাষ্ট্রপতি অপরাধীদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই: ওবায়দুল কাদের সরকারিভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ফ্রি পাবে মেয়েরা হ‌লি আ‌র্টিজান মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের স্নেহশীল হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিডনি দান করা যাবে, কেনাবেচা যাবে না: হাইকোর্ট বাংলাদেশে কোনো আর্থিক সংকট নেই: স্পিকার টেলিযোগাযোগ বিভাগে নতুন সচিব, ট্যারিফ কমিশনে চেয়ারম্যান গণতন্ত্র এখন মজবুত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত: রাষ্ট্রপতি বাড়াবাড়ির একটা সীমা থাকা দরকার: প্রধান বিচারপতি তরুণদের মেধাশ্রম মানব কল্যাণে ব্যয় করার আহ্বান
১৫১

বেগম জিয়ার মুক্তি নিয়ে গয়েশ্বরের বক্তব্যে বিভ্রান্তিতে বিএনপি!

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০১৯  

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে নাকি শেখ হাসিনাকে খুশি করবে সেই সিদ্ধান্ত আগে নিতে হবে, এমন মন্তব্য করে দলীয় রোষানলে পড়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। দলের সংকটে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোয় গয়েশ্বরের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে বেগম জিয়ার মুক্তি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের দ্বিধান্বিত অবস্থান ও দলের সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করে গয়েশ্বরের এমন বক্তব্যে দলের অভ্যন্তরে সমালোচনা শুরু হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে ভবিষ্যতে সচেতন হয়ে বক্তব্য দেয়ায় পরামর্শ দিয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, চলমান রাজনৈতিক পরিক্রমায় বিএনপি কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতা কিছুটা দলীয় কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি করেছে। যার কারণে বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলনও পিছিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়াতেও সমন্বয়হীনতা রয়েছে সামান্য। আমরা আদালতকে উপযুক্ত যুক্তি প্রদর্শন করে কনভিন্স করতে পারছি না। যার কারণে ম্যাডামের মুক্তিতে সময় লাগছে।

তিনি আরো বলেন, তবে ক্ষমতাসীন সরকারকে খুশি করে বেগম জিয়ার মুক্তি আদায় কখনই বিএনপির লক্ষ্য হতে পারে না। ক্ষমতাসীনদের কাছে বিএনপির রাজনীতি বন্দী নেই। বিএনপির রাজনীতিকে নিজেরাই গৃহবন্দী করেছি। আমাদের ভয়, ভীতি, দুর্বলতা ও লেজুড়বৃত্তির কারণে নেত্রী ও দলের এই দুরবস্থা। বিএনপির শত্রু ক্ষমতাসীনরা নন, বরং অভ্যন্তরীণ কোন্দলই বিএনপির বড় শত্রু।

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে দলটির স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বেফাঁস কথা বলেন বড় বেশি। আমরা কাউকে খুশি করতে চাই না, আমরা আইনি প্রক্রিয়াতেই বেগম জিয়াকে মুক্ত করবো। এজন্য আদালত ও রাজপথে বিএনপির সরব উপস্থিতি প্রয়োজন। কিন্তু আমরা সেটি না করে দোষারোপ ও প্রলাপ করছি। বিভ্রান্তিমূলক কথা বলার জন্য তার অবস্থান নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠে দলে। কাজের কাজ না করে অযৌক্তিক কথা বললেই রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না। ভবিষ্যতে গয়েশ্বরকে আরো সাবধান হয়ে কথা বলা উচিত।

এই বিভাগের আরো খবর